18/05/2025
এই প্রথম তিন ভাষায় আন্তর্জাতিকমানের "প্যারিসের ছবি" ফটো অ্যালবাম বই।
লেখক-প্রকাশকের মধ্যে নতুন বই প্রকাশের প্রস্তুতি চলমান। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে লেখক-প্রকাশক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদনা। সেই ধারাবাহিকতায় তরুণ ফটোসাংবাদিক ফরিদ আহাম্মদ রনি'র "প্যারিসের ছবি" বইয়ের চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। অন্য প্রকাশনীর সাথে এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার তথ্য জানা গেছে। অন্য প্রকাশনীর পরিচালক মাজহারুল ইসলাম সাথে প্রকাশনার চলতি নিয়ম অনুযায়ী চুক্তিপত্রে সাক্ষর হয়। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের বিখ্যাত স্থাপনা নিয়ে এই প্রথম ছবি সাথে তিন ভাষায় (বাংলা, ফ্রেন্স, ইংলিশ) বর্ণনাসহ অন্য প্রকাশনী থেকে "প্যারিসের ছবি" বইটি এই মাসে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।
কথায় আছে, “পৃথিবীর মানচিত্র সবাই দেখেছে; কিন্তু বিশ্ব তাকে দেখেছে যে পুরো পৃথিবী দেখেছে।” সেই সূত্র ধরে ফ্রান্সকে বলা হয় ছবির দেশ, কবিতার দেশ। এ দেশের অগণিত কবি-সাহিত্যিকের কবিতা, লেখনী আর শিল্পীদের আঁকা ছবি ও তাদের গড়া ভাস্কর্য বিশ্বসাহিত্য ও শিল্পকলার ভান্ডারকে এতই সমৃদ্ধ করেছে যে সারা বিশ্বের শিল্পরসিক ও সাহিত্যমোদীরা শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় তাঁদের স্মরণ করেন। এগুলো স্বচক্ষে দেখতে বছরব্যাপী শিল্প আর সাহিত্যের তীর্থভূমি ফ্রান্স ঘুরে বেড়ান অসংখ্য পর্যটক। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস বিশ্বের সৌন্দর্যমণ্ডিত ও আধুনিক নগরীর মধ্যে অন্যতম। ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, শিল্পকলা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের তীর্থভূমি বলা যায় প্যারিস। এটি প্রেমের শহর, কবিতার শহর, ছবির শহর, শিল্পের শহর ও স্বপ্নের শহর। বইয়ের পাতায় ফরিদ আহাম্মদ রনি যেভাবে প্যারিসকে তুলে ধরেছেন, তাতে ইতিহাসের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে পারে যে কাউকে। এসব দৃশ্য প্রাণভরে দেখার সাধ জাগবে সবারই। বিশ্ববিখ্যাত মিউজিয়াম, বিখ্যাত ফরাসি শিল্পীদের গড়া নন্দিত সব ভাস্কর্য ও স্থাপনায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেন সব দেশের ভ্রমণপ্রেমীরা। এগুলোর বিশালত্ব ও বৈচিত্র্যময় ফটোগ্রাফি স্থান পেয়েছে এই বইতে। এই বই প্রকাশনায় সার্বিক সহযোগিতা করেছেন, অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (আয়েবা)’র মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ।
লেখক মারফত জানা যায়, এই বইটি দিয়ে একজন ব্যক্তি প্যারিসে কারও সহযোগিতা ছাড়া নিজে একা একা চলতে পারবে। যার কাছে "প্যারিসের ছবি" বইটি থাকবে, তাকে প্যারিসের রাজা বলা চলে। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা, ফ্রান্স দূতাবাস বাংলাদেশ, "প্যারিসের ছবি" গ্রন্থটি দেখার জন্য সৌজন্য কপি পাওয়া যাবে। বইটির জন্য আমার পাঠকদের আগামী জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এই বইটি বাংলাদেশের ভ্রমণপিপাসু গুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে তৈরি করে হয়েছে। এই বইটি কেউ নিতে চাইলে আগে থেকে অন্য প্রকাশনীর এই ইমেল (https://anyaprokash.com/) যোগাযোগ করতে হবে।
উল্লেখ, ফরিদ আহাম্মদ রনি একজন ফটোসাংবাদিক। শুধু তাই নয়, নতুন বই প্রকাশ ও পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে তিনি আগে থেকে ইউরোপে ফটোসাংবাদিক হিসেবে বেশ পরিচিত।