Bagmundi Ajodhya Tourism

Bagmundi Ajodhya Tourism Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bagmundi Ajodhya Tourism, KALPANA AJODHYA HOMESTAY, Baghmundi.

অযোধ্যা পাহাড়, পুরুলিয়ার রঙিন শিখর,
সৌন্দর্যের শোভায় হৃদয় ভরে নিঃসীম মধুর।
বৃষ্টি, বন, ঝর্ণার কলতান, পাহাড়ের আহ্বান,
প্রকৃতির কোলে সবার মনে আনন্দের বিস্তার।

05/07/2025
05/04/2025

Best wishes to the entire team of

All my besties in one film ❤️

20/12/2024

শীতের মরশুমে অযোধ্যা পাহাড় ভ্রমণ একটি অনন্য অভিজ্ঞতা। পুরুলিয়া জেলার বাগমুণ্ডী ব্লকে অবস্থিত এই জঙ্গলমহল এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৈচিত্র্যে ভরপুর। এখানে পাহাড়, জঙ্গল, ঝর্ণা, নদী, ছৌ নাচ, মুখোশ তৈরির গ্রাম, পাহাড় ঘেরা জলাধার (ড্যাম), পাখি ও গাছের প্রকৃতি পাঠ, রক ক্লাইম্বিং প্রভৃতির আনন্দ উপভোগ করা যায়। কল্পনা অযোধ্যা হোমস্টের পক্ষ থেকে আপনাকে বাগমুণ্ডীর অযোধ্যা পাহাড়ে স্বাগত জানাই। এটি একটি নিরিবিলি, সুরক্ষিত এবং থাকার জন্য আদর্শ স্থান, যা অযোধ্যা পাহাড় ভ্রমণের জন্য সহজেই উপযোগী। বুকিং করার জন্য ফোন করুন 8946003125 নাম্বারে।

লহরিয়া শিব মন্দির তৃতীয় পর্ব : অযোধ্যা পাহাড়কে কেন্দ্র করে যে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে, তাতে ব্যবসায়িক লেনদেনের অঙ্ক ...
24/10/2024

লহরিয়া শিব মন্দির তৃতীয় পর্ব :

অযোধ্যা পাহাড়কে কেন্দ্র করে যে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে, তাতে ব্যবসায়িক লেনদেনের অঙ্ক ক্রমাগত বাড়ছে। এখানকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে লহরিয়া একটি বিশেষ আকর্ষণ। ধর্মীয় পুণ্যসাধনের পাশাপাশি লহরিয়ায় মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। প্রায় ১০০০-এরও বেশি পরিবার এই পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসায় জীবিকা নির্বাহ করে। সারা বছর, বিশেষত অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত, প্রতিদিন বহু পর্যটক এখানে আসেন। শ্রাবণ মাসের সোমবারগুলোতে প্রায় ১০,০০০ মানুষের ভিড় জমে, আর চৈত্র মাসে গাজনের মেলাতেও একই ধরনের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। মেলা, পর্যটন, ও নিত্যদিনের কোলাহলের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক রোমাঞ্চকর ঐতিহ্য। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে আদর্শ নিষ্ঠা সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান বিরল, তবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লহরিয়ার আশ্রমিক আদর্শ নিষ্ঠায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। লহরিয়া আশ্রম পরিচালনায় কোনো মানুষের ব্যবস্থাপনা নেই। তাহলে কে এই আশ্রম পরিচালনা করেন? আসুন, আশ্রমিকদের কিছু বাহ্যিক আচরণ ও নিয়মের সাথে পরিচিত হই।

এখানে যাঁরা বসবাস করেন, তাঁরা 'শিব ধর্ণা' ব্রত পালন করেন এবং তাঁদের ধর্ণাবাসী বলা হয়। বিভিন্ন মনোস্কামনা নিয়ে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মানুষ এখানে এসে শিব ধর্ণা ব্রত পালন করেন। মনোস্কামনা পূর্ণ হলে কেউ ফিরে যান, কেউ আবার শিবারাধনায় আত্মনিয়োগ করেন। তাদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত কঠোর। সারাদিনে একবার ফলাহার করেন; ভেজানো ছোলা বা অন্যান্য ফল যা পাওয়া যায়, সেটিই তাদের খাদ্য। একটি মাত্র সাদা ধুতি বা সাদা শাড়ি পরিধান করেন, তারা সাধনায় মগ্ন থাকেন।

প্রাতঃস্নান, তিলক, আন্হিক, লহরিয়া বাবার ত্রিসন্ধ্যা পূজা-আরতি, দণ্ডীপ্রণাম, এবং নিরন্তর জপধ্যান তাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পূর্বে তারা খাপরার চালা বা পর্ণকুটিরে বসবাস করতেন, কিন্তু ইদানীং লোহরিয়া পূজা কমিটি তাদের জন্য আসবেস্টারের হলঘর নির্মাণ করেছে। ইন্টারনেট ও মোবাইলের যুগে যেখানে মানুষ সুখের সন্ধানে পরিশ্রান্ত, সেখানে এই শিব ধর্ণা ব্রত পালনকারী মহাত্মারা শাশ্বত সুখের সন্ধানে নিমগ্ন আছেন। তাদের ভক্তি ও ঐশ্বর্য মানবিক কল্যাণ সাধন করে চলেছে। বাবা ভোলানাথের এই অনুগামী মহাত্মাদের প্রতি বিনম্র প্রণাম জানাই।

শিব বাবা অনাদিকাল ধরেই এখানে বিরাজমান। তিনি লহরিয়া বাবা নামে খ্যাত। বাগমুন্ডি থেকে উৎকর্ষতা লাভ করা কৃষ্ঠী সংস্কৃতিগুলি...
05/10/2024

শিব বাবা অনাদিকাল ধরেই এখানে বিরাজমান। তিনি লহরিয়া বাবা নামে খ্যাত। বাগমুন্ডি থেকে উৎকর্ষতা লাভ করা কৃষ্ঠী সংস্কৃতিগুলির মধ্যে অন্যতম ছৌ নৃত্য, যা লহরিয়া বাবাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। চৈত্র মাসে গাজনের সময় জাগরণের রাতে বাবার মন্দির প্রাঙ্গণে স্থানীয় ভক্তরা বিভিন্ন ধরনের নৃত্য প্রদর্শন করতেন। রাজা মদনমোহন সিং দেব এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করতেন। প্রথমদিকে শিব বাবার অনুচর নন্দি-ভৃঙ্গির বেশে নৃত্য হত। কালক্রমে এই অনুষ্ঠান প্রতিযোগিতায় পরিণত হলে বীরত্ব প্রদর্শনমূলক একক নৃত্য শুরু হয়। এর পর আসে সমবেত নৃত্য। তখন মুখে রং মেখে বা কাগজে ছবি এঁকে সেই ছবিতে মুখ ঢেকে নাচ হত, আধুনিক মুখোশের ব্যবহার তখনও শুরু হয়নি। রাজা মদনমোহন সিং দেবের পৃষ্ঠপোষকতায় এই অনুষ্ঠান থেকেই আধুনিক ছৌ নৃত্য এবং ছৌ মুখোশের উৎপত্তি হয়। পুরুলিয়ার এই সংস্কৃতি সারা বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। এটাই লহরিয়া বাবার মহিমা। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে যে প্রথা প্রচলিত ছিল, তা আজও প্রচলিত, বরং উৎসাহ দিন দিন বাড়ছে। ছৌ মুখোশ ও ছৌ নৃত্যশিল্পী নেপাল সূত্রধর এবছর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। পূর্বেও ছৌ নৃত্যশিল্পী গম্ভীর সিং মুন্ডা ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান "পদ্মশ্রী" লাভ করেছিলেন। এটি স্পষ্ট যে লহরিয়া থেকে উৎপত্তি লাভ করা এই সাংস্কৃতিক উৎসব সমগ্র ভারতবর্ষকে গৌরবান্বিত করেছে। শুধু ভারতবর্ষ নয়, সারা বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে পুরুলিয়ার ছৌ নৃত্যশিল্পীরা মঞ্চ কাঁপিয়েছেন এবং পৃথিবী জুড়ে মানুষের মন জয় করেছেন। এ সবই বাবা লোহরিয়া নাথের কৃপা।

বাবার কৃপা এখানেই সীমাবদ্ধ নয়,
(ক্রমশ...)

01/10/2024

লহরিয়া শিব মন্দির একটি তীর্থক্ষেত্র। সংস্কৃত "তীর্থ" শব্দটি মূলত জল বা নদীর তীরকে নির্দেশ করে, যেখানে মানুষ পবিত্র স্নান করতে যেত। পরবর্তীকালে এই শব্দটি প্রসারিত হয়ে ধর্মীয় স্থান বা যেকোনো পবিত্র স্থানের অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। লহরিয়া সেই অর্থে একটি প্রকৃষ্ট তীর্থক্ষেত্র। এখানে রয়েছে নির্মল জলাধার কেষ্টবাজার ড্যাম এবং অপর দিকে রয়েছে ছায়া সুনিবিড়, প্রশান্ত দেবস্থল।

"লহরিয়া" শব্দটি এসেছে "লহর" বা জলের স্রোত থেকে। নিরন্তর জলের প্রবাহকে "লহরিয়া" বলা হয়। বাগমুন্ডী পাহাড়ের কোলে চিরস্রোতস্বিনী ঝর্ণাগুলি একত্রিত হয়ে লহরিয়া নদী সৃষ্টি করেছে। বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে এই নদীতে একটি বাঁধ নির্মাণ করা হয়, যার নাম হয় কেষ্টবাজার ড্যাম। সারা বছর এই ড্যামে জলস্তর এবং প্রবাহিত জলের পরিমাণ পরিমাপ করে সরকার এই রুক্ষ ও শুষ্ক অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ঝুঁকি নিয়ে সফল হয়েছে। লহরিয়া অর্থাৎ নিরন্তর জলের প্রবাহ না থাকলে PPSP (পুরুলিয়া পাম্প স্টোরেজ প্রজেক্ট) তৈরি হতো না। বর্তমানে পুরুলিয়া পাম্প স্টোরেজ প্রজেক্টের লোয়ার ড্যামের ওভারফ্লো জল এখানে এসে মিশছে।

শিব বাবা অনাদিকাল ধরেই এখানে বিরাজ করছেন।

(ক্রমশ...)

30/09/2024

এই জলাধারের ওই প্রান্তে আপনি দেখতে পাচ্ছেন একটি ঝর্ণা। ঠুড়গা ড্যামের পাড়ে এসে পৌঁছালে এর ডাকও শুনতে পাবেন। সেই ডাকে কী আছে! যদি কর্মব্যস্ত যান্ত্রিক জীবনের কোলাহল থেকে মনকে একটু সরিয়ে আনেন, তবে বুঝতে পারবেন, ওই ডাকে আছে এক রোমাঞ্চকর আহ্বান, যা সমস্ত বন্ধন থেকে মুক্তির স্বাদ দেয়।

ঠুড়গা ড্যাম থেকে রাম মন্দির পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে ঠুড়গা ঝর্ণা পর্যন্ত পায়ে হাঁটার একটি সংকীর্ণ পাহাড়ি রাস্তা রয়েছে। সাবধানে কিছুটা এগোলেই সামনে দেখতে পাবেন ঠুড়গা ঝর্ণার সফেন স্রোতধারা।

আদি অনন্তকাল থেকে ঠুড়গা ঝর্ণা অবিরাম প্রবাহিত হচ্ছে। অসীম কালের আনন্দের ঢেউয়ে এটি ঝরে চলেছে অবিরত। শীঘ্রই আপনি অনুভব করবেন ঠুড়গা ঝর্নার সাথে আপনার এক অদৃশ্য নাড়ীর সম্পর্ক।

"অসীম কালের যে হিল্লোলে

জোয়ার-ভাঁটায় ভুবন দোলে

নাড়ীতে মোর রক্তধারায়

লেগেছে তার টান,

বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥"

এই ঝর্নাটি সারা বছরই প্রবাহমান থাকে, কিন্তু বর্ষাকালে এটি অত্যন্ত খরস্রোতা হয়ে ওঠে। অন্যান্য সময় এখানে বসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা বা ঝর্ণার নির্মল জলে স্নান করলে জীবন জুড়িয়ে যায়।

তবে কিছু সতর্কতা মেনে চলতে হবে। পাথরে যেন পা পিছলে না যায়, সাবধানে হাঁটতে হবে। কোনো প্লাস্টিক বা থার্মোকলের পাতা নিয়ে যাওয়া যাবে না, কারণ সেগুলি জঙ্গলের মাটি দূষিত করবে। থার্মোকলের পাতা যেখানে পড়ে, সেখানে আর কোনো বীজ অঙ্কুরিত হবে না।

ফেরার সময় আপনি এক অনন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে আসবেন—সুন্দর দৃশ্য, মনোরম বাতাস, এবং পাখির মধুর কূজন সমৃদ্ধ একটি স্মৃতি।

29/09/2024

বাগমুন্ডিবাসী হিসেবে আমি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ। অফুরন্ত শোভায় সমৃদ্ধ পুরুলিয়ার বাগমুন্ডি এলাকা। অসংখ্য পর্যটক বাগমুণ্ডিতে আসেন অযোধ্যার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে। অতিথী নারায়ণ। অতিথী দেব ভব, এই ব্রতে ব্রতী হয়ে আমরা গড়ে তুলেছি কল্পনা অযোধ্যা হোমস্টে। স্থানীয় হিসেবে অযোধ্যার ভ্রমণ পরিকল্পনা, ভ্রমণ কেন্দ্র গুলির বিশেষত্ব জানিয়ে এবং অন্যান্য সুবিধাজনক পরিষেবা দিয়ে আমরা অতিথী দের সেবা করে থাকি। অগ্রীম বুকিংয়ের জন্য ফোন করুন 8946003125 নম্বরে।

 # আমাদের গ্রাম
26/12/2023

# আমাদের গ্রাম

Address

KALPANA AJODHYA HOMESTAY
Baghmundi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bagmundi Ajodhya Tourism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bagmundi Ajodhya Tourism:

Share