Cholo Jai Haoa Bodlai

Cholo Jai Haoa Bodlai Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Cholo Jai Haoa Bodlai, Tourist Information Center, Barasat.

17/05/2026

North 24 pgs

২০২৬ সালের ভ্রমণ পিপাসু মন থেকে শুরু করা হচ্ছে অমরনাথ যাত্রা।যাত্রা শুরু তারিখ জুলাই মাসের 10 থেকে 15 তারিখে মধ্যে রাখা ...
21/11/2025

২০২৬ সালের ভ্রমণ পিপাসু মন থেকে শুরু করা হচ্ছে অমরনাথ যাত্রা।
যাত্রা শুরু তারিখ জুলাই মাসের 10 থেকে 15 তারিখে মধ্যে রাখা হবে

হর হর মহাদেব🙏🙏🙏
জয় বাবা বরফানি🙏🙏🙏
***অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি***

অমরনাথ যাত্রার জন্য বেশ কিছু নিয়মাবলী আছে।সেগুলি অনুসরণ করলে তবেই মেলে অমরনাথ যাত্রার পারমিট।আজ সেইসব নিয়মগুলি নিয়েই আলোচনা করব।

সামনের বছর অমরনাথ যাত্রা শুরু হচ্ছে 1 জুলাই থেকে চলবে 28 শে আগস্ট পর্যন্ত।অমরনাথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হচ্ছে
https://jksasb.nic.in/ এখানেই মিলবে অমরনাথ যাওয়ার সম্পূর্ণ তথ্যাবলী।প্রথমেই বলে রাখি অমরনাথ যাওয়ার নির্দিষ্ট বয়সসীমা রয়েছে, তা হল ১৩-৭০ বছর।অমরনাথ যাওয়ার জন্য প্রথমেই যেটি আবশ্যক সেটি হলো মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট।এর জন্য উপরিউক্ত ওয়েবসাইটে মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট এর জন্য যে সকল হসপিটাল লিস্ট আছে,সেখান থেকেই মেডিক্যাল সার্টিফিকেট বানাতে হবে।অন্য কোনো হসপিটাল বা ক্লিনিকের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট গণ্য করা হবে না।ওয়েবসাইট থেকে হেলথ সার্টিফিকেট ফর্ম ডাউনলোড করে,ফর্মটি পূরণ করে ,আপনি যে অঞ্চলের বাসিন্দা ওয়েবসাইট থেকে দেখে নেবেন সেখানকার নিকটবর্তী হসপিটাল,তারপর সেই হসপিটাল থেকে প্রথমে আপনাকে মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট বার করতে হবে।সংশ্লিষ্ট হসপিটালে গিয়ে দেখতে হবে সেখানে অমরনাথ দর্শনের জন্য কি কি মেডিক্যাল টেস্ট করতে হবে।তারপর আপনি সেই সকল মেডিকেল টেস্ট ঐ হসপিটালেই অথবা বাইরের যে কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করাতে পারেন।তবে আমি বলবো মেডিক্যাল টেস্টগুলি প্রাইভেট কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে করিয়ে নেওয়াই ভালো।কারণ অনেকগুলি মেডিক্যাল রিপোর্ট করাতে হয়।সরকারি হসপিটালে এইসব মেডিক্যাল টেস্ট করতে এবং রিপোর্ট পেতে বেশ কিছুদিন সময় লাগবেই। সেক্ষেত্রে অমরনাথ যাওয়ার পারমিট পেতে বেশ কিছুটা দেরি হয়ে যাবে।মনে রাখতে হবে সময় এখানে খুব গুরত্বপূর্ণ,কারণ যতক্ষণ না আপনি পারমিট হাতে পাচ্ছেন, আপনি ট্রেনের বা ফ্লাইটের টিকিট বুক করতে পারবেন না।এরপর সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট হসপিটালের ডাক্তার দেখে যদি আপনাকে ফিট বলে মনে করেন,তবেই আপনি পেয়ে যাবেন অমরনাথ যাত্রার মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট।দুটো হেলথ সার্টিফিকেট ফর্ম পূরণ করতে হয়,সাথে লাগে পাসপোর্ট সাইজের দুটো ছবি এবং আধার কার্ডের ফটোকপি।একটি ফর্ম হসপিটাল জমা নিয়ে নেবে এবং আরেকটি ফর্ম আপনাকে ডাক্তার এবং হসপিটালের সুপার সই করে এবং স্ট্যাম্প মেরে দিয়ে দেবে।এইভাবে আপনি পেয়ে যাবেন মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টফিকেট।

এরপর আপনাকে বানাতে হবে অমরনাথ যাত্রার পারমিট।এর জন্য উপরিউক্ত ওয়েবসাইটে দেখবেন নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের লিস্ট আছে,ঐ সমস্ত ব্যাংক থেকেই আপনাকে বানাতে হবে অমরনাথ যাত্রার পারমিট।ওয়েবসাইট থেকে অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ডাউনলোড করে নেবেন,তারপর ফর্মটি পূরণ করে ঐ ওয়েবসাইটে উল্লিখিত আপনার নিকটবর্তী ব্যাংকের শাখায় গিয়ে ১২০ টাকার বিনিময়ে আপনাকে পারমিট বানাতে হবে।সাথে লাগবে হসপিটাল থেকে প্রাপ্ত ঐ মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট,১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটো এবং আধার কার্ডের ফটোকপি।মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেটটি ব্যাংক জমা নিয়ে নেবে।আপনি যে পথে অমরনাথ যাবেন সেটি ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। চন্দনবাড়ি অথবা বালতাল।আপনি কোন তারিখে যেতে চান ব্যাংক আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে।যদি সেই তারিখে সিট থাকে তাহলে আপনি আপনার পছন্দমত তারিখে যাত্রা করতে পারবেন,আর যদি সেই তারিখে সিট না থাকে তাহলে ব্যাংক থেকে যাত্রার যে তারিখ পাবেন সেটাই আপনাকে নিতে হবে।এছাড়াও আপনি উপরিউক্ত ওয়েবসাইটটি থেকে অনলাইনেও অমরনাথ যাত্রার পারমিট করতে পারেন।সেক্ষেত্রে অনলাইন ফর্ম পূরণ করার সময় হসপিটাল থেকে পাওয়া মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেটটি ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে,যাত্রার রুট মানে চন্দনবাড়ি না বালতাল এবং যাত্রার তারিখ উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে।আবেদন করার সময় মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে।সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করার পর আপনার অমরনাথ যাত্রার আবেদনটি প্রসেসিংয়ে চলে যাবে।ভেরিফাই হওয়ার পর আপনার মোবাইলে ওটিপি আসবে।তারপর অনলাইন ২০০ টাকার বিনিময়ে আপনি পারমিট বানিয়ে নিতে পারবেন। অনলাইনে সমস্যা হচ্ছে সবকিছু আবেদন করে দেওয়ার পর প্রসেসিং হতে বেশ সময় লেগে যায়,তারপর যদি কোনো কারণবশত আপনার ফর্মটি ক্যান্সেল হয়ে যায়,সেক্ষেত্রে প্রচুর সময় নষ্ট হয়ে যাবে।আমি প্রথমেই বলেছিলাম এই যাত্রায় সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়,কারণ যতক্ষণ না আপনি পারমিট পাচ্ছেন ততক্ষন পর্যন্ত আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন না।আবার পারমিট না পাওয়া পর্যন্ত আপনি ট্রেন বা ফ্লাইটের টিকিট বুক করতে পারবেন না।তাই আমি বলবো পারমিট ব্যাংকে গিয়ে বানানোই ভালো।

তবে কোনো দর্শনার্থী যদি পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চড়ে দর্শনের পরিবর্তে হেলিকপ্টারে দর্শনের পরিকল্পনা করেন সেক্ষেত্রে এই পারমিট এর প্রয়োজন হয় না।শুধুমাত্র মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট হলেই চলবে এবং অবশ্যই উপরিউক্ত ওয়েবসাইট থেকে হেলিকপ্টার বুকিংটি করে নিতে হবে।

তাহলে যারা যারা বাবা অমরনাথের দর্শন করতে চান আর দেরি না করে ঝটপট এইসব নিয়মাবলী অনুসরণ করে হর হর মহাদেব বলে বুকিং শুরু করে দিন গ্রুপে আপকামিং ডেট পোস্ট করা হবে এবং কত খরচ হেলিকপ্টার নিয়ে সেটা দেওয়া হবে এবং যারা পায়ে হেঁটে যেতে চান তাদেরও আলাদা রেট দেয়া হবে।।

ধন্যবাদান্তে ভ্রমন পিপাস মন

👉👉 ট্যুর প্রোগ্রাম

যাত্রা শুরু হবে কলকাতা থেকে জম্মু তাওয়ায় এক্সপ্রেস ধরে।

Day 1-হাওড়া থেকে আমরা ট্রেন ধরবো জম্মু তাওয়ের উদ্দেশ্যে

Day 2-এই দিনটা ট্রেনে কাটবে

Day 3- খুব সকালে আমরা জম্মুতে নামবো ।

সেখান থেকে আমরা চলে যাব পেহেলগাঁও। রাত্রি বাস পেহেলগাও

Day 4- সকালে আমরা ঘুরে দেখব পহেলগাও লোকাল সাইড সিন । রাত্রি বাস পেহেলগাও

Day 5 পেহেল গাঁও থেকে চলে যাব চন্দনবাড়ি সেখান থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হবে।
চন্দনওয়াড়ি থেকে পায়ে হেঁটে যাত্রা শুরু হবে শেষ নাগ।
দূরত্ব ১২ কিমি সময় লাগবে ৬ ঘন্টা।রাত্রি বাস টেন্ট এ রাত্রিবাস শেষ নাগ।

Day6- সকালে আমরা যাত্রা শুরু করব শেষ নাগ থেকে পঞ্চতরণী দূরত ১৪ কিমি সময় লাগবে ৭ ঘন্টা ।
Day 7-পঞ্চতরণী থেকে অমরনাথ গুহা যেতে সময় লাগবে 3ঘণ্টা দূরত্ব 6কিমি। সেই দিনই আরো ১৬ কিলোমিটার নিচে নেমে আমরা চলে আসবো বালতাল বেস ক্যাম্পে। সেখানে থাকবে আমাদের গাড়ি চলে আসব জম্মু রাত্রি বাস জম্মু তে।
পরদিন সকালে 11 টায় চেক আউট করে নেব।একটা রুম এ লাগেজ রেখে নিজেদের খরচায় অটো করে করে নিতে পারেন জম্মু লোকাল সাইট সিন।রাত্রে ফেরা ট্রেন।

কি কি পাবেন
স্লিপার ক্লাসের টিকিট
অমরনাথ যাত্রা রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
পেহেলগাঁও ও জম্মুতে খাওয়া দাওয়া।
শেষনাগ পঞ্চতরণীতে টেন্ট। একটা ট্রেন্ট এ দুজন অথবা তিনজন থাকতে হবে আর কমন টয়লেট থাকবে। গরম জলের কোন ব্যবস্থা থাকবে না। মনে রাখতে হবে এটা তীর্থ যাত্রা।
হেলিকপ্টারের টিকিট আমরাই কেটে দেব।(টিকিট এর দাম আলাদা)

কি কি পাবেন না।
পেহেলগায় লোকাল সাইট সিন গাড়ি ভাড়া
ট্রেক করার সময় কোন ম্যানেজার বা গাইড আপনাদের সাথে থাকবে না। নিজেদেরই হেঁটে যেতে হবে।
Track করার সময় কোন খাবার দেয়া হবে না কারণ পথ চলতেই সব জায়গায় প্রচুর লঙ্গর ব্যবস্থা আছে।
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে যাত্রা স্থগিত যেকোনো সময় হতে পারে সে ক্ষেত্রে টুর অপারেটর কোনভাবেই দায়ী থাকবে না। সেই জন্য একদিন জম্মুতে রাখা আছে যদি একদিন হোল্ড করা হয়। পরদিন ট্রেন ধরা যাবে।

কি কি অসুবিধা হতে পারে
প্রথম দিন যেদিন আমরা জম্মু থেকে পেহেলগাও যাব যেখানে সময় লাগে ৮ ঘন্টা সেটা ২০ঘণ্টা হয়ে যেতে পারে। কারোন রাস্তায় প্রচুর পুলিশ চেক হবে । সে ক্ষেত্রে আপনারা শ্রীনগর টু শ্রীনগর ফ্লাইটও আসতে পারেন।

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য যেকোনো সময় যাত্রা স্থগিত হয়ে যেতে পারে। সেই জন্য আমাদের একদিন একটা জম্মু তে রাখা হচ্ছে।

পাকেজ মূল্য

জনপ্রতি 15০০০টাকা
হেলিকপ্টারের টিকিট মূল্য আলাদা

  Plan ❤️🙏 িনের_ত্রিপুরা_ট্যুর_প্ল্যান❤️🙏ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য, এবং উত্তর পূর্ব ভারতের সেভেন সিস্টারস্ এর অন্যত...
28/12/2024

Plan ❤️🙏
িনের_ত্রিপুরা_ট্যুর_প্ল্যান❤️🙏

ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য, এবং উত্তর পূর্ব ভারতের সেভেন সিস্টারস্ এর অন্যতম ত্রিপুরা রাজ্য। আয়তনের দিক থেকে ছোটো হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে কিন্তু ভরপুর এই রাজ্য। যদিও উত্তর পূর্ব ভারতের প্রতিটা রাজ্যেরই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কোনো তুলনা হয়না। উত্তর পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যের মধ্যে আসাম, অরুণাচল এবং মেঘালয়কে যদি বাদ দেওয়া যায়, তাহলে বাকি ৪টি রাজ্যে ( ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরাম) কিন্তু পর্যটকদের আনাগোনা একদমই কম। কিন্তু বর্তমানে স্যোসাল মিডিয়ার কল্যাণে নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরাতে কিন্তু পর্যটকদের সংখ্যা কিছু হলেও বৃদ্ধি পেয়েছে। পর্যটক সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে সঠিক প্রচার, ওই এলাকার স্থায়ী, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ।

আজকের এই পোস্টে আমি ত্রিপুরার রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ট্যুরিস্ট স্পট ও ৩ থেকে ৪ দিনের ট্যুর প্ল্যান দেওয়ায় চেষ্টা করেছি। পোস্টটিতে ত্রিপুরা রাজ্যের ভ্রমন নিয়ে প্রায় সমস্ত বিষয়কেই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি ।পোস্টটি সম্পূর্ন পড়ে নিতে পারলে আপনাদের ত্রিপুরা সম্পর্কে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
©️ ভ্রমন পিপাসু 🙏

#ত্রিপুরা_কেমন_করে_পৌঁছোবেন : - ত্রিপুরা আপনি দুভাবে পৌঁছোতে পারেন, এক ফ্লাইট, দুই, ট্রেন। ট্রেন সবচেয়ে বাজেট ও আরামদায়ক মাধ্যম হতে পারে। তবে আপনি চাইলে খুবই কম খরচে ফ্লাইটে বা কলকাতা বা গৌহাটি থেকে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা চলে আসতে পারবেন। ত্রিপুরা, সেভেন সিস্টারস্ এর মধ্যে সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত। কিন্তু বর্তমানে ত্রিপুরা যাওয়ার জন্য বেশ কিছু নতুন ট্রেনের ব্যবস্থা হয়েছে। কলকাতা থেকেও রাজধানী শহর আগরতলা যাওয়ার জন্য বেশ কিছু ট্রেন আছে। তবে আপনি যদি আসাম থেকে ত্রিপুরা আসতে চান তাহলে বাসেও আসতে পারেন। ফ্লাইটে আসলে অনেক কম সময়ে আপনি কলকাতা থেকে আগরতলা পৌঁছে যেতে পারবেন। তাছাড়া ধর্মপুরের নিকট কৈলাশহরেও একটা এয়ারপোর্ট আছে।

আপনার ত্রিপুরা ট্যুর দুটো জায়গা থেকে শুরু অথবা শেষ করতে পারেন, এক রাজধানী আগরতলা থেকে, দুই উত্তর ত্রিপুরা জেলার সদর শহর ধর্মনগর। বেশিরভাগ ট্যুরিস্টরাই আগরতলা থেকে শুরু করে আগরতলাতে এসেই তারের ট্যুরটা শেষ করে তবে আমি যে প্ল্যানটা দেবো সেটা আগরতলা থেকে শুরু হয়ে ধর্মনগরে গিয়ে শেষ হবে।

#কোন_সময়ে_আসবেন :- ত্রিপুরা আপনি চাইলে সারাবছরই ভ্রমন করতে পারেন। তবে ত্রিপুরাতে গরমটা একটু বেশি, তাই এই সময়টা Avoid করতে পারেন। আর পারলে বর্ষাকালটাকের সময়টা কেও বাদে আসতে পারলে আরো ভালো। কিছু কিছু রোড আছে বর্ষাতে আরো খারাপ হয়ে যায়, আর আপনি যদি ত্রিপুরার পাহাড়ি এলাকাতে ভ্রমন করতে চান তাহলে বর্ষাকালকে পুরোপুরি Avoid করুন।

এখানে আসতে হলে আপনি অক্টোবর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে যেকোনো সময় এখানে আসতে পারেন। এই সময়ে পরিবেশ মনোরম থাকায় অনেকটা আরামে আপনারা ঘোরার আনন্দ নিতে পারবেন।

িনের_ট্যুর_প্ল্যান_করবেন :- এমনিতে আপনারা ত্রিপুরা ঘুরতে গেলে নিজেদের পছন্দমতো যেকটা দিন চাইবেন ঘুরতে পারবেন। ত্রিপুরা যেহেতু ছোটো রাজ্য তাই মোটামোটি ৪-৫ দিনের প্ল্যান করলে পুরো ত্রিপুরা ভালো মত ঘুরে ফেলতে পারবেন। তবে আজকের এই পোস্টে আমি ৪ রাত ৪ দিনের ট্যুর প্ল্যান দেবো। যেহেতু ট্রেনের টাইম গুলো একটু অন্যরকম, তা নাহলে আরো ২টা রাত আপনাদের বেঁচে যেতো।

©️ ভ্রমন_পিপাসু

#ত্রিপুরার_বিভিন্ন_ট্যুরিস্ট_স্পট :- ত্রিপুরা ছোটো রাজ্য এখানে দেখার মত কিছু দারুণ দারুণ স্পট আছে, এমন কিছু অবাক করা মত জায়গা আছে যেগুলো কেবলমাত্র আপনি আমাদের দেশের মধ্যে ত্রিপুরাতেই পাবেন। দেখার মত এখানে প্রচুর জায়গা থাকলেও আপনারা ৩ দিনের মধ্যে যে সমস্ত জায়গাগুলো দেখতে পাবেন, আমি সেগুলোই খালি তুলে ধরছি এই পয়েন্টে....

১. উজয়ন্ত প্যালেস।
২. কমলা সাগর।
৩. আল্পনা গ্রাম।
৪. কসবা কমলাসাগর কালি মন্দির।
৫. শেপাহিজলা জুলজিক্যাল পার্ক।
৬. নীরমহল।
৭. টেপানিয়া ইকোপার্ক।
৮. উদয়পুরের বিভিন্ন লেক।
৯. ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির।
১০. ছবিমুড়া।
১১. ঊনকোটি।

#ট্যুর_প্ল্যান :- এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে, সেটা হলো আপনারা কিভাবে আপনাদের ত্রিপুরা ট্যুর প্ল্যানটা সাজাবেন। আপনারা বিভিন্ন ভাবে, বিভিন্ন দিক থেকে আপনাদের ট্যুরটা শুরু করতে পারেন। তবে আমি যেরকম ভাবে ঘুরেছিলাম সেই প্ল্যানটা এখানে শেয়ার করছি, আপনারা সেটা দেখে নিয়ে আপনাদের পছন্দমত ট্যুর সাজাতে পারেন, বা কোনো জায়গা অ্যাড ও বাদ দিতে পারেন। ট্যুর শুরুর আগে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন আপনারা কোন সময়ে আগরতলা পৌঁছোবেন। কলকাতা থেকে আগরতলা আসার জন্য দুটো সরাসরি ট্রেন আছে এক - কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এবং দুই - গরিব রথ এক্সপ্রেস। কাঞ্চনজঙ্ঘাতে আসলে আপনারা বিকেল বিকেলে পৌঁছোবেন, গরিবরথে আসলে ভোরেই পৌঁছে যাচ্ছেন আগরতলা তবে সপ্তাহে একদিন(রবিবার)। সকাল সকাল পৌঁছোলে একটা সুবিধে থাকে যে ওই দিনটাকে আপনারা কাজে লাগাতে পারবেন। তবে ত্রিপুরা অনেকটা দূরের রাস্তা তাই একটু হলেও রেস্টের প্রয়োজন, তাই আমি বিকেল থেকেই আপনাদের প্ল্যানটা দিচ্ছি।

©️ ভ্রমন_পিপাসু

#প্রথম_দিন :- ধরে নিলাম আপনারা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ধরে আগরতলা পৌঁছোচ্ছেন। সন্ধে ৬টা মধ্যে হয়তো আপনারা পৌঁছে যাবেন। হোটেল ও গাড়ি আগে থেকে বুক করে আসা ভালো, তবে আগরতলা এসেও আপনারা হোটেল ও গাড়ি বুক করতে পারবেন, আমরা এসেই বুক করেছিলাম, হোটেল ও গাড়ি details ও ফোন নম্বর আমি পরের পয়েন্টে দিয়ে দেবো। প্রথম দিন আপনাদের ঘোরার কিছুই হবে না তেমন, স্টেশন থেকে হোটেলে সোজা চলে আসুন, এবং হোটেলে এসে ফ্রেশ হয়ে রেস্ট নিন, এবং এই দিন চাইলে আপনার পায়ে হেঁটে বা টোটো করে আশ পাশটা, আগরতলা শহরটা ঘুরে দেখতে পারেন, আর গাড়ি আগে থেকে বুক না করা থাকলে সেটা সামনাসামনি কথা বলে বুক করে নিতে পারেন, এ দুটো কাজ করতে পারেন। যাইহোক তাড়াতাড়ি ডিনার করে সেদিনের মত তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ুন। এবার দ্বিতীয় দিনের অপেক্ষা।

#দ্বিতীয়_দিন :- দ্বিতীয় দিন সকাল হোটেল থেকে চেকআউট করে ব্রেকফাস্ট করে বেরিয়ে পড়ুন সাইটসিং এর উদ্দেশ্যে। গাড়িকে আগে থেকে বলে রাখবেন সকালে সকাল আসার কথা। গাড়ি একবারে দুদিনের জন্য বুক করে নিবেন। আজকের আপনাদের ট্যুর প্ল্যান যেটা হবে সেটা হল - আপনারা আজকে সারাদিন আগরতলা শহর ও শহর থেকে কিছু দূরে অবস্থিত দর্শনীয় স্থান গুলোকে দেখে নিয়ে নাইট স্টে করবেন গোমতী জেলার সদর শহর - উদয়পুরে যা ত্রিপুরার তৃতীয় বৃহত্তম শহর।

প্রথমেই দেখে নিন - আগরতলা শহর থেকে প্রায় ৫ কি.মি দূরে অবস্থিত বাংলাদেশ বর্ডার লাগোয়া গ্রাম লঙ্কামুড়া, এই গ্রামের খ্যাতি বর্তমানে আল্পনা গ্রাম হিসেবে। গ্রামটিতে আসলেই দেখতে পাবেন পুরো গ্রাম জুড়ে সব বাড়ি দেওয়ালে গ্রামবাসীদের উদ্যোগে আল্পনা করা। প্রতি বছর পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে পুরো গ্রাম জুড়ে এই আল্পনা করা হয়ে থাকে, তাই এই সময়ের আসে পাশে আসলে আল্পনা গুলোকে অনেক ভালো অবস্থায় দেখতে পাবেন, অনেকে এই জায়গাটি সম্পর্কে জানে না, কিন্তু গ্রামটিতে আসলে আপনাদের বেশ ভালোই লাগবে, এরপর চলে আসুন আগরতলা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত - ত্রিপুরার মানিক্য রাজাদের প্যালেস - উজ্জয়ন্ত প্যালেস। ১৮৯৯-১৯০১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মানিক্য বংশের রাধাকিশোর মানিক্য এই প্রাসাদটি নির্মাণ করান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই উজ্জয়ন্ত প্যালেস এবং নীরমহল এই দুটি প্যালেসেরই নামকরণ করেন। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে ত্রিপুরা সরকার এই প্রসাদটিকে কিনে নেন বর্তমানে এটি ত্রিপুরা রাজ্য মিউজিয়াম। সোমবার বাদে বাকি ছয় দিনই সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই মিউজিয়াম, এন্ট্রি ফি - ২০ টাকা। এটি দেখার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জগন্নাথ মন্দিরটি থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।

এবার আপনারা চলে আসুন আগরতলা শহরের বাইরে দিকে। আগরতলা শহরের মধ্যে অবস্থিত জায়গাগুলো দেখে নিয়ে এরপর চলে আসুন ২৬ কি.মি দক্ষিণে অবস্থিত কমলাসাগরে, এখানে পৌঁছোতে আপনাদের প্রায় ১ ঘন্টা ১৫ মিনিটের মত সময় লেগে যাবে। কমলাসাগরে দেখার মত দুটো স্পট আপনারা পেয়ে যাবেন, এক কমলাসাগর জলাশয় এবং দুই কসবা কমলাসাগর কালী মন্দির। ত্রিপুরার রাজা ধনমানিক্য পঞ্চদশ শতকে এই জলাশয়টা খনন করেন। এই জলাশয়টি একদমই বাংলাদেশ বর্ডার লাগোয়া, এর ঠিক পাশেই আছে বাংলাদেশের কসবা রেলস্টেশন যা কুমিল্লা জেলার অংশ। স্বাধীনতার সময়ে এই কসবা এলাকাটি দুই দেশের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। এরপর দেখে নিন ঠিক পাশেই অবস্থিত কসবা কালী মন্দির, এই মন্দিরটিও একই সময়ে রাজা ধনমানিক্য নির্মাণ করেন।

এই দুটো জায়গা দেখা হয়ে গেলে এবার রওনা দিন নেক্সট স্পটের উদ্দেশ্য, আর সেটা হল নীরমহল, যার অবস্থান শিপাহিজলা জেলার মেলাঘর শহরের নিকট। ত্রিপুরা বেড়াতে আসলে যেকটি জায়গা আপনাদের অবশ্যই দেখে উচিত তার মধ্যে অন্যতম হল এই নীরমহল। এটি ভারতের বৃহত্তম ওয়াটার প্যালেস। আমাদের দেশে দুটি ওয়াটার-প্যালেস আছে একটি রাজস্থানের জলমহল এবং দ্বিতীয়টি ত্রিপুরার নীরমহল। ত্রিপুরার মানিক্য বংশের শেষ রাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর মেলাঘরের নিকট রুদ্রসাগর লেকের মাঝে এই বিশাল প্যালেসটি নির্মাণ করেন। অসাধারন স্থাপত্য ও কারুকাজে সজ্জিত এই প্যালেস। এখানে পৌঁছোতে হলে আপনাকে রুদ্রসাগর লেকের রাজবাড়ি ঘাটের বোটিং পয়েন্ট থেকে বোটে করে আপনাদের পৌঁছোতে হবে। বোটভাড়া জনপ্রতি - ৫০ টাকা। নীরমহলটি দেখতে কিন্তু আপনাদের অনেকটা সময় লেগে যাবে তারপর যাওয়া আসা তো আছেই, এখান থেকে ফিরে এসে দুপুরের লাঞ্চটা আপনারা এখান থেকেই করে নিন, আশপাশে বা মেলাঘর শহরে বেশ কিছু খাওয়ার দোকান পেয়ে যাবেন। লাঞ্চ করে নিয়ে সন্ধে আগেই পৌঁছে যান উদয়পুরে, যা ত্রিপুরার লেক সিটি নামেও পরিচিত। এই মেলাঘর থেকে উদয়পুর খুব একটা দূরে না, মাত্র ২০ কি.মি পৌঁছোতে ৩০ - ৩৫ মিনিটের মত সময় লাগবে। উদয়পুর পৌঁছে সোজা চলে আসুন হোটেলে, এবং ফ্রেশ হয়ে রেস্ট নিন তারপর রাতের খাওয়ার খেয়ে শুয়ে পড়ুন, এভাবেই আপনাদের দ্বিতীয় দিনের ইতি ঘটবে। এবার সবচেয়ে আকর্ষনীয় তৃতীয় দিনের অপেক্ষা।

©️ ভ্রমন_পিপাসু

#তৃতীয়_দিন :- তৃতীয় দিনটা আপনাদের শুরু হবে উদয়পুর থেকে। উদয়পুরকে বলা হয়ে থাকে "লেক সিটি অফ ত্রিপুরা"সেটা আগেই বলেছি। কারণ এই উদয়পুরের আসে পাশে আছে বেশ কিছু লেক ও বড় বড় দিঘী। যেমন - অমর সাগর, ধনী সাগর, জগন্নাথ দিঘী প্রভৃতি। এগুলো দেখে নিতে পারেন, এছাড়াও আছে একটি প্রাচীন রাজবাড়ি, প্রাচীন ভুবনেশ্বরী মন্দির, এবং সবচেয়ে বিখ্যাত ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির, যেটা উদয়পুর থেকে ৮ কি.মি দূরে মাতাবাড়িতে অবস্থিত। মা ত্রিপুরা সুন্দরী থেকেই এই জায়গার নাম হয়েছে মাতাবাড়ি। সকাল সকাল স্নান করে চলে আসুন মাতাবাড়ির ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে কারণ সকালের দিকে ভিড়টা কম থাকে। মন্দিরে দর্শন করুন, চাইলে পুজোও দিতে পারেন। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন ত্রিপুরার রাজা ধনমানিক্য ১৫০১ খ্রিস্টাব্দে। পুজো দেওয়া হয়ে গেলে ব্রেকফাস্ট করে নিন। এরপর চলে আসুন আজকের সবচেয়ে আকর্ষনীয় স্পট #ছবিমুড়া দেখতে। এই ছবিমুড়া যেতে হলে আপনাকে পৌঁছতে হবে পার্শ্ববর্তী অমরপুর শহরে, এখানে পৌঁছতে আপনাদের ১ ঘন্টার মত সময় লেগে যাবে। এই অমরপুর থেকে ছবিমুড়ার দূরত্ব প্রায় ৮ কি.মি।

এই ছবিমুড়া যেকারনে বিখ্যাত সেটা হল দুপাশের জঙ্গল ও উচু পাহাড়, ও মাঝের ভ্যালিতে বয়ে চলা গোমতি নদীতে বোটিং, এই বোটিং করতে করতে আপনি দুপাশের পাহাড়ে দেখতে পাবেন বিভিন্ন দেবদবীর খোদিত মূর্তি। এই সব কয়েকশো বছর আগে খোদাই করা মূর্তি গুলো দেখতে যেতে যেতে আপনার মনে হবে আপনি অন্য কোনো জগতে চলে গিয়েছেন। এই জিনিসটাকে কিন্তু কোনো ভাবেই মিস করবেন না কারণ এটা অনেকটা আপনাকে অ্যামাজনের জঙ্গলে বোটিং এর ফিলিং দেবে। জনপ্রতি ১০০ টাকা করে ভাড়া, আপনারা অনেকজন থাকলে গোটা নৌকাটাই বুক করে নিতে পারবেন নাহলে শেয়ারের অপশন তো আছেই। ছবিমুড়া দেখা complete হয়ে গেলে, আবার ও একই পথে অমরপুর হয়ে ফিরে চলে আসুন উদয়পুরে। উদয়পুর এসে এখানকার বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং বিভিন্ন প্রাচীন মন্দির যেমন - গুনবতী মন্দির, পুরনো রাজবাড়ি/ প্যালেস এবং ভুবনেশ্বরী মন্দির, এবং উদয়পুরের বিভিন্ন লেক ও দিঘী। আজকে যেহেতু আপনারা খুবই সকাল সকাল পুজো দিয়ে বেরিয়েছিলেন তাই এত সকালে এই ঐতিহাসিক স্থান গুলো ওপেন হয়না তাই, ছবিমুড়া ঘুরে এসে এগুলো দেখে নিতে পারেন, আর আপনাদের হাতে হয়তো সময় কম থাকবে তাই চাইলে এই দিঘি গুলো বাদও দিতে পারেন খুন একটা দেখার কিছু নেই।

সমস্ত জায়গা দেখা সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এবার আপনারা উদয়পুরের যেকোনো ভালো হোটেল থেকে দুপুরের লাঞ্চটা করে নিন। লাঞ্চ করে নিয়ে রওনা দিন আগরতলার উদ্দেশ্যে। এখান থেকে আগরতলার দূরত্ব প্রায় ৫৫ কি.মি। তবে রাস্তায় আপনারা আরো একটা স্পট দেখে নেবেন সেটা হল সিপাহীজলা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাঞ্চুয়ারি ও জাতীয় উদ্যান। স্যাঞ্চুয়ারি, জাতীয় উদ্যান এবং বড় আকারের চিড়িয়াখানায় সংমিশ্রন বলতে পারেন। এই জায়গাটি পড়বে উদয়পুর থেকে আগরতলার মাঝে বিশালগড়ের কাছে। প্রায় ১৫০ ওপরে বন্য জন্তু ও পাখি এখানে আসলে দেখতে পাবেন, এই জায়গাটি বাচ্চাদের খুবই ভালো লাগবে। যে দুটো দুস্পাপ্য জিনিস আপনারা এখানে দেখতে পেতে পারেন সেটা হল - Spectacles Monkey এবং Clouded Leopards, গাড়ি নিয়ে সোজা জঙ্গলের ভেতরে ঢুকে যেতে পারবেন ভেতরে পার্কিং এর ব্যবস্থা আছে। এই সিপাহীজলা স্যাঞ্চুয়ারি আজকে আপনাদের লাস্ট স্পট এরপর আপনারা সোজা চলে যাবেন আগরতলার উদ্দেশ্যে, আগরতলা পৌঁছতে পৌঁছতে আপনাদের হয়তো রাত হয়ে যেতে পারে, তাই প্রথম দিন যে হোটেল বুক করেছিলেন, তৃতীয় দিনের সেই হোটেলটি আগে থেকে বলে রাখবেন, তাহলে অনেকটা ঝামেলা কম পোহাতে হবে। এভাবেই আপনাদের তৃতীয় দিনের পরিসমাপ্তি ঘটবে।

#অন্য_প্ল্যান :- আপনারা তৃতীয় দিনে চাইলে আপনাদের প্ল্যানটাকে সামান্য চেঞ্জ করে এই উদয়পুর থেকেই আরো একটা দারুন জায়গা থেকে ঘুরে আসতে পারেন। জায়গাটি হলো ডম্বুর লেক। জায়গাটি উদয়পুর থেকে ৬০ কি.মি দূরে অবস্থিত। তবে এই জায়গাটিকে যদি আপনাদের প্ল্যানে অ্যাড করতে চান তাহলে আরো একটা দিন বাড়াতে হবে, বা কোনো একটা স্পট বাদ দিতে হবে। তবে আমার মতে ছোটো একটা রাজ্য ত্রিপুরায় দেখার জায়গা খুবই সীমিত তাই কোনো জায়গা না বাদ দিয়ে একটা দিন অ্যাড করে নিতে পারেন তাহলে চাপ ও ঝামেলা কম হবে।

সেই জন্য আপনারা প্রথম দিন আগরতরা থেকে আসার পথে কমলাসাগর, কসবা কালীবাড়ি, নীরমহল, মাতাবাড়ির ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির, উদয়পুরের বিভিন্ন লেক, পুরনো রাজবাড়ি, ভুবনেশ্বরী মন্দির, গুনবতী মন্দির এগুলো দেখে নিয়ে রাতটা উদয়পুরে থেকে যান। এরমধ্যে কিছু জায়গা হয়তো আপনাদের বাদ যেতে পারে।

নেক্সট দিন সকাল সকাল উঠে প্রথমেই চলে যান ডুম্বুর লেক, এখানে ডম্বুর ঝর্না, ড্যাম, লেকে বোটিং ছাড়াও এই লেকের আইল্যান্ড গুলো দেখে নিয়ে চলে আসুন ছবিমুড়াতে। এই দুটি জায়গায় কিন্তু আপনাদের অমরপুর হয়েই যেতে হবে। তারপর অমরপুর থেকে লাঞ্চ করে সোজা রওনা দিন আগরতলার উদ্দেশে, হাতে যদি সময় থাকে তাহাকে সিপাহীজলা স্যাঞ্চুয়ারি থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।

©️ ভ্রমন_পিপাসু

#চতুর্থ_দিন :- চতুর্থ দিনটা আপনারা রাখবেন ঊনকোটির জন্য। যেহেতু ঊনকোটি আগরতলা থেকে অনেকটাই দূরে তাই এই দিকটা আপনারা গাড়ি রিজার্ভ না করে ট্রেনের সাহায্য নিতে পারেন। ট্রেনে আগরতলা থেকে আপনাদের আসতে হবে উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে। সকাল থেকেই আপনারা ট্রেন পেয়ে যাবেন এই ধর্মনগর আসার জন্য। স্টেশনে নেমে টোটো ধরে ধর্মনগর স্ট্যান্ডে চলে আসুন সেখানে একটা হোটেল নিয়ে নিন, হোটেলে ব্যাগপত্র রেখে বাইরে এসে একটা টোটো বা অটো রিজার্ভ করে নিন যা আপনাকে ঊনকোটি ঘুরিয়ে আবার আপনাকে স্ট্যান্ডে ছেড়ে দেবে। তবে আপনারা শেয়ার লাইন গাড়িতেও যেতে পারেন, এটাতে ভাড়া কম লাগবে কিন্তু ১ কি.মি মত রাস্তা আপনাদের হাঁটতে হবে, অটোতে গেলে অটো আপনাকে একবারে ঊনকোটি এন্ট্রিগেট পর্যন্ত পৌঁছে দেবে।

ঊনকোটি নিয়ে বিশেষ কিছু হয়তো বলার প্রয়োজন পড়বে না, আপনারা অনেকেই প্রায় জানেন, ঊনকোটির ইতিহাস পৌরাণিক কাহিনী এবং ঊনকোট নামের অর্থ। ঊনকোটির পাথরের ভাস্কর্য গুলো ভাল ভাবে দেখতে আপনাদের অনেকটা সময় ই প্রায় লেগে যাবে। ২ ঘণ্টার মত এখানে কাটিয়ে আবার অটো / টোটো ধরে চলে আসুন ধর্মনগরের আপনাদের হোটেলে। ঊনকোট থেকে ধর্মনগরের দূরত্ব প্রায় ২০ কি.মি, যেতে আপনাদের প্রায় ৪০ মিনিটের মতো সময় লেগে যাবে। বিকেল ও সন্ধ্যেটা আপনারা ধর্মনগর কালীবাড়ি থেকে ঘুরে আসতে পারেন, কালীবাড়ির সামনেই আছে একটি বড় দিঘি সেটার মাঝে মহাদেবের একটা সুন্দর মূর্তিও বসানো আছে। সন্ধের দিকে খুবই সুন্দর লাগবে। এরপর ধর্মনগর বাজার থেকে রাতের ডিনারটা করে হোটেলে ফিরে চলে আসুন। নেক্সট দিন হোটেল থেকে চেকআউট করে ধর্মনগর স্টেশন এবং সকাল ১১ টার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ধরে এর ঠিক পরের দিনই পৌঁছে যান কলকাতা। এভাবেই আপনাদের ৩ - ৪ দিনের ত্রিপুরা ট্যুরের সমাপ্তি ঘটবে।

#পঞ্চম_দিন :- আপনাদের হাতে যদি আরো একটা দিন থাকে বা একটা দিন বাড়াতে চান তাহলে পূর্ব ত্রিপুরার মিজোরাম ও বাংলাদেশ বর্ডার লাগোয়া পাহাড়ি এলাকা - জাম্পুই হিল থেকে অবশ্যই ঘুরে আসতে পারেন। আগরতলা বা ধর্মনগর দুজায়গা থেকেই আপনি এখানে আসতে পারেন তবে ধর্মনগর থেকে আসলে রাস্তা প্রায় অর্ধেক কমে যাবে। আর আপনি শেয়ারে আসতে চাইলে ধর্মনগরের আগে পেঁচারথোল স্টেশনের নামতে হবে সেখানে থেকে বাসে করে কাঞ্চনপুর শহরে, তারপর আবার গাড়ি চেঞ্জ করে বা শেয়ার গাড়িতে জাম্পুই হিল। এই এলাকা যেহেতু মিজোরাম ও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম লাগোয়া সেই কারণে এখান পাহাড়ি লুসাই ও মিজোদের বসবাস।

এই জাম্পুই হিলের প্রধান বড় গ্রাম বলতে পারেন ভাংমুন। এই ভাংমুনের সরকারি ইডেন ট্যুরিস্ট লজ থাকার জন্য সবচেয়ে বেস্ট এখানে দুরাত বা একরাত থেকে আশপাশের বেশ কিছু দারুণ জায়গা দেখে ফেলতে পারেন - যেমন, ভাংমুনের পরিচ্ছন্ন গ্রাম, মিজোরাম ভিউ পয়েন্ট, সুসু পয়েন্ট, বেতলিংছিপ - ত্রিপুরার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ প্রভৃতি। এই ইডেন লজ ছাড়াও কিছু হোমস্টে আছে। আপনি এই ইডেন লজ অনলাইনে সরকারি ওয়েবসাইট থেকে বুক করতে পারবেন।

©️ ভ্রমন_পিপাসু

#হোটেল_ও_গাড়ি : - এই ট্যুর প্ল্যানে আমি ত্রিপুরার তিনটি শহরে থাকার কথা উল্লেখ করেছি। অনেক আবার আগরতলা থেকেই তাদের ট্যুরটা করে থাকে। তবে আপনি যদি আগরতলা বাদেও ত্রিপুরার বাকি শহর গুলোতে একটা করে রাত থাকেন তাহলে আপনাদের যেমন জার্নিটাও কম হবে ঠিক তেমনি ত্রিপুরার বাকি শহর গুলো কেমন, সেটা সম্পর্কে ধারণা পাবেন। প্রথমে আসি আগরতলা নিয়ে। আগরতলা শহরের কেন্দ্রস্থল বটতলা এখানেই আপনারা প্রচুর হোটেল ও গাড়ি স্ট্যান্ড থেকে বুক করার গাড়ি পেয়ে যাবেন। এছাড়াও স্টেশনের আশেপাশেও অনেকগুলো ভালো ও মাঝারি মানের হোটেল আছে, কিছু হোটেলের নাম ও নাম্বার নিচে দিয়ে দিচ্ছি আপনারা চাইলে ফোন করে বুক করে নিতে পারেন -
১. Central Guest House - 098565 68157
২. Hotel Samrat - 097741 41061
৩. Hotel Gateway - 070055 60688
৪. Hotel Welcome Palace - 0381 238 0101

স্টেশনের সামনে কিছু হোটেল :-
১. HOTEL Invite - 09862319484
২. Snehalata Homestay - 6909369095

#উদয়পুরের কিছু হোটেল -
১. Hotel Residency - 01246201186
২. Hotel Royal Inn - 09856042427
৩. The Imperial Hotel - 09089731730

#ধর্মনগরের কিছু হোটেল :-
১. Juri Tourist Lodge
২. Hotel Unakoti
3. Karan Guest House - 09862275546
৪. Hotel Asha - 03822233633

এবার আসি গাড়ির কথায়। আপনি আগরতলা এসে বটতলা স্ট্যান্ড থেকে কথা বলে গাড়ি বুক করে নিতে পারেন। আমরাও তাই করেছিলাম, তবে ড্রাইভারের নাম্বার টা হারিয়ে গেছে। এর বাদেও কিছু গাড়ি বুকিং এজেন্সির নাম্বার আমি দিচ্ছি তাদেরকে আপনি ফোন করে আপনাদের প্ল্যানটা বুঝিয়ে গাড়ি বুক করে নিতে পারেন। ছোট্ট গাড়ি ৩ - ৪ হাজার টাকা এবং বড় গাড়ি ৪ - ৫ হাজার টাকার মতো নেবে।

১ Niljyoti Travel Agency, Agartala - 09436456088
২. Rajmala Tour & Travels - 09436489095
৩. Porijayee Tour and Travels - 08257990410

#খরচ :- এবার আসি সবার প্রশ্ন যে পয়েন্টার দিকে থাকে সেটা হল খরচ। খরচের ব্যাপারটা সঠিক ভাবে বলা খুবই কঠিন, কারণ খরচা বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্নরকম হতে পারে। তবে আমি ত্রিপুরা ট্রিপের খরচ সমন্ধে একটা ধারনা বা আইডিয়া দিতে পারি। তবে আপনি যদি বাজেট ট্রাভেলার হোন তাহলে গাড়ি ভাড়া না করেও বাস, ট্রেন বা অটো / টোটোতে এই ট্যুরটাকে সম্পূর্ন করতে পারেন। কারন গাড়ি ভাড়ার পিছনে সবচেয়ে বেশি খরচ হবে এই ট্যুরে। আপনারা যদি ৩ দিনের গাড়ি ভাড়া করেন নেন তাহলে ছোটো গাড়ি নিতে পারে ১১ - ১২ হাজার টাকার মধ্যে, দরদাম করলে এর কমও হতে পারে। এবার আপনারা যদি ৪ জন থাকেন তাহলে সেটা ভাগ হয়ে যাবে।

এবার আসি দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ - হোটেল খরচ নিয়ে। মোটামোটি আপনাদের ৪ রাত ত্রিপুরাতে থাকতে হবে এরমধ্যে উদয়পুরে থাকার খরচ আপনাদের একটু বেশি লাগবে। তবে যেহেতু আপনারা শীতের এখানে আসবেন তাতে নন - এসি রুমেই আপনাদের হয়ে যাবে। তাতে ভাড়া ও একটু কম গুনতে হবে। আগরতলা শহরে আপনারা ৮০০ - ১০০০ টাকার মধ্যে হোটেল পেয়ে যাবেন। কিন্তু ধর্মনগর ও উদয়পুরে সেটা আরো বেড়ে যাবে।

এবার আসি খাওয়ার খরচের ব্যাপারে। ত্রিপুরাতে খাওয়ার খরচ মোটামোটি আমাদের রাজ্যের মতই। এখানে ভেজ ও ননভেজ দুধরনের খাওয়ারই পেয়ে যাবেন। ৩ বেলা খাওয়ারের জন্য আপনারা গড়ে ৪০০ টাকা ধরে রাখতে পারেন।

এছাড়াও কিছু আরো এক্সট্রা খরচা আছে যেমন - ট্রেন ভাড়া, টোটো ভাড়া, বোটিং এর খরচ বিভিন্ন জায়গার এন্ট্রি টিকিট এবং পার্কিং প্রভৃতি।

আসা করি পোস্টটি আপনাদের ভালোই লেগেছে এবং আপনাদের ত্রিপুরা ট্রিপ করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট কাজে লাগবে সেইজন্য অবশ্যই পোস্টটি পুরো পড়বেন।

ধন্যবাদ 🙏
ভ্রমন_পিপাসু




15/11/2024
❤️❤️❤️❤️❤️ আম 💜💜💜💜💜বাংলায় কয়েকশো প্রজাতির আম রয়েছে..স্বাদের মতই তাদের গালভরা নামগুলিও বর্ণময়....হে বাঙালি, আসুন তাদের মধ...
13/04/2024

❤️❤️❤️❤️❤️ আম 💜💜💜💜💜
বাংলায় কয়েকশো প্রজাতির আম রয়েছে..স্বাদের মতই তাদের গালভরা নামগুলিও বর্ণময়....
হে বাঙালি, আসুন তাদের মধ্যে প্রসিদ্ধ কিছু আম আস্বাদন করুন 😋😋

সকল গর্বিত ভারতবাসীকে জানাই প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা।গর্ব তো অনেক কিছুতেই হয়, কিন্তু ভারতের এই পবিত্র মাটিতে জন্ম নে...
25/01/2024

সকল গর্বিত ভারতবাসীকে জানাই প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা।গর্ব তো অনেক কিছুতেই হয়, কিন্তু ভারতের এই পবিত্র মাটিতে জন্ম নেওয়ার মতো গর্ব, আর অন্য কিছুতে হয় না। শুধু প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন নয়, দেশের প্রতি আনুগত্য ও শ্রদ্ধা থাকুক বছরের বাকি দিনগুলােতেও।🇮🇳❤️


12/06/2023

19 জুন_পূজার_অফার_Close_হচ্ছে,কারণ ট্রেন টিকিট ছাড়ছে , তাই নিজের নামে ট্রেন টিকিট পেতে অবশ্যই আজই মাত্র 50%দিয়ে অফার বুক করুন।

✅গোয়া- Rs.14,990/-(8N/9D) D.O.J 26&28Oct,04 Nov
✅কাশ্মীর - Rs. 16,990/-(8N/9D).D.O.J 29 Oct,03 Nov
✅হরিদ্বার-ঋষিকেশ-মৌসুরী- Rs.14,990/-(8N/9D)28Oct
✅মথুরা -বৃন্দাবন-তাজমহল Rs.14,990/-(5N/6D)26 Oct
✅ভাইজ্যাক - Rs.13,990/-(5N/6D) D.O.J 25 Oct,09 Nov
✅সিমলা মানালি - Rs.16,990/-(8N/9D) 25 Oct,01 Nov
✅কেদারনাথ - Ra.16,990/-(8N/9D)D.O.J 25 Oct Journey
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
Cholo jai Haoa Bodalai Tour's and Travels.✈️
For get details plz what's app on :-

Call & what app for booking details:

🏣 Branch Office Addrees:

✅ Barasat : 9088611612

যারা যারা রবীন্দ্র ভবন এ থাকতে চানmungpoo তে
09/06/2023

যারা যারা রবীন্দ্র ভবন এ থাকতে চান

mungpoo তে

07/06/2023

খুব জরুরী তথ্য...রেল যাত্রার বীমা করণ

মাত্র 35 পয়সায় ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স। বালাসরের ভয়াবহ দৃশ্য দেখার পর এটা আরো বেশী জরুরি মনে হচ্ছে...
পরের বার থেকে ট্রেনের টিকিট কাটলে অবশ্যই এটা নেবেন। অনেকেই নিয়ে থাকেন, যদিও নমিনি অ্যাড করার সময় গাফিলতি করে ফেলেন।
নমিনি অ্যাড করে অ্যাকটিভ করতেই হবে, নাহলে এটা নেওয়া বেকার। কিভাবে অ্যাক্টিভেট করবেন,
কিভাবে ক্লেইম করতে হবে রইল

IRCTC তে টিকিট কাটার সময় 35 পয়সা তে যে ইন্সুরেন্স টা দেওয়া হয় সেটার ব্যাপারে।

আপনি যদি ইন্সুরেন্স টা নেন, তাহলে আপনার ইমেইল এ একটা মেইল আসবে ইন্সুরেন্স কোম্পানির থেকে আর সেখানে আপনার প্রথম কাজ হলো নমিনেশন আপডেট করার লিংকে ক্লিক করে নমিনি অ্যাড করা। চেষ্টা করবেন এমন কাও কে নমিনি করতে যিনি আপনার সাথে ট্রাভেল করছেন না।

Policy wordings এ ক্লিক করলে আপনাকে আপনার PNR আর মোবাইল নম্বর দিয়ে login করতে বলবে, সেটা করলে আপনি আপনার ডিটেইল পলিসি পেয়ে যাবেন, যাত্রার আগে সেটা আপনার ফ্যামিলি কে বা আপনার নমিনি কে দিয়ে যাবেন।
পলিসি তে নিম্নলিখিত দুর্ঘটনা গুলো কভার হয়
Death: 10 Lakh
Total permanent disability: 10 Lakh
Partial permanent disability: Upto 7.5 Lakh
Hospitalization Expenses: Upto 2 Lakh
Transport of mortal remains: 10000

দুর্ঘটনা হবার 4 মাসের মধ্যে claim intimate করতে হবে।
দুর্ঘটনার ফলে যদি কোনো ব্যক্তি injured/disabled হন, এবং সেই কারণে নেক্সট 12 মাসের মধ্যে মারা যান, তাহলে তাঁর ফ্যামিলি death claim করতে পারবেন। Disability বাবদ দেওয়া টাকা death claim এর সাথে অ্যাডজাস্ট করে নেওয়া হবে।

ইলোরা ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের আওরঙ্গবাদ শহর থেকে ৩০ কিমি (১৮.৬ মাইল) দূরে অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। রাষ্ট্...
29/05/2023

ইলোরা ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের আওরঙ্গবাদ শহর থেকে ৩০ কিমি (১৮.৬ মাইল) দূরে অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। রাষ্ট্রকুট রাজবংশ এই নিদর্শনের স্থাপনাগুলো নির্মাণ করেছিল। এখানে রয়েছে প্রচুর স্মৃতি সংবলিত গুহার সারি। এটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান মর্যাদায় ভূষিত হয়েছে।

ভারতের শিলা কেটে কোন কিছু তৈরি করার প্রাচীন প্রতিরূপ স্থাপত্যটি এখানে অনুসৃত হয়েছে। এখানে মোট ৩৪টি গুহা রয়েছে যেগুলো চরনন্দ্রী পাহাড়ের অভ্যন্তর থেকে খনন করে উদ্ধার করা হয়েছে। গুহাগুলোতে হিন্দু, বৌদ্ধ এবং জৈন ধর্মের মন্দিরের স্বাক্ষর রয়েছে। ৫ম থেকে ১০ম শতাব্দীর মধ্যে এই ধর্মীয় স্থাপনাগুলো নির্মিত হয়েছিল। এখানে বৌদ্ধ ধর্মের ১২টি হিন্দু ধর্মের ১৭টি এবং জৈন ধর্মের ৫টি মন্দির রয়েছে। সব ধর্মের উপাসনালয়ের এই সহাবস্থান সে যুগের ভারতবর্ষে ধর্মীয় সম্প্রীতির নিদর্শন বহন করে।

সরকার নির্ধারিত ভাড়া 1355/- সরকারী এ.সি. ভলভো বাসে এবার সরাসরি উত্তরবঙ্গ !!শুরু হয়ে গেলো নতুন সরকারী এ.সি. ভলভো বাস রুট....
21/05/2023

সরকার নির্ধারিত ভাড়া 1355/- সরকারী এ.সি. ভলভো বাসে এবার সরাসরি উত্তরবঙ্গ !!
শুরু হয়ে গেলো নতুন সরকারী এ.সি. ভলভো বাস রুট...
‼️ ACT-17 কোলকাতা হইতে শিলিগুড়ি ‼️
👉ভায়া এয়ারপোর্ট, মধ্যমগ্রাম, বারাসাত, কৃষ্ণনগর, মালদা, রায়সঞ্জ 👈
বাস ছাড়ার সময়সূচী :
কোলকাতা (ধর্মতলা বাস স্ট্যান্ড) থেকে ছাড়বে : 5.50PM
শিলিগুড়ি থেকে ছাড়বে : 5.50PM
পরিচালনায় : পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন সংস্থা

Address

Barasat
700125

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cholo Jai Haoa Bodlai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share