Pack N Go

Pack N Go Your Personal Travel Assistant

গরমে ছুটিতে কোথায় যাচ্ছেন? গরমের ছুটিতে ঘোরার জন্য সবথেকে বেস্ট জায়গা হচ্ছে সিল্ক রুট।সিল্ক রুট এ আছে আমাদের নিজস্ব হো...
30/03/2025

গরমে ছুটিতে কোথায় যাচ্ছেন?
গরমের ছুটিতে ঘোরার জন্য সবথেকে বেস্ট জায়গা হচ্ছে সিল্ক রুট।
সিল্ক রুট এ আছে আমাদের নিজস্ব হোমস্টে মনোরম পরিবেশে।
আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে আপনাদের গরমের ছুটি কাটাতে।।
কুন্তল সাঁই
096472 45245

06/06/2024

এবার প্রাকৃতিক শান্তির অনুভূতি নিতে চলুন বেরিয়ে আসি দার্জিলিং🗻✨

🔹প্যাকেজ মূল্য: ₹4,150/person

🟡পিক আপ & ড্রপ:
📍শিয়ালদহ
📍বর্ধমান
📍বোলপুর

🟣Booking contact details--
📞Call:~ 096472 45245

🔹Journey Date:
🗓️19th July, 2024
🗓️23rd August, 2024

প্যাকেজ থাকছে:
✅ট্রেন টিকিট (UP & DN Sleeper Class)
✅ফ্যামিলি BASIS রুম
✅খাওয়া
✅সাইটসিয়িং

🔹তাহলে আর দেরি না করে এক্ষুনি যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
📞Call: +91 9647245245
Kuntal Sain
Follow: Pack N Go....

আপনি যদি পাহাড়ের মায়াময় সৌন্দর্য এবং চারপাশে সবুজের মাঝে একটি স্বর্গের সন্ধান করেন, তাহলে সিলরি গাঁয়ের মোহনীয় সৌন্দ...
05/06/2024

আপনি যদি পাহাড়ের মায়াময় সৌন্দর্য এবং চারপাশে সবুজের মাঝে একটি স্বর্গের সন্ধান করেন, তাহলে সিলরি গাঁয়ের মোহনীয় সৌন্দর্য আপনার আসন্ন ভ্রমণ গন্তব্য হওয়া উচিত।
এই প্রায় অনাবিষ্কৃত ছোট্ট গ্রামটির কুমারী সৌন্দর্য আপনার হৃদয়কে আনন্দে ভরিয়ে দেবে।বনের নীরবতা, অজানা অদেখা পাখির কিচিরমিচির, মনোরম পাহাড়ি বাতাস এই জায়গাটিকে রহস্যময়ের পাশাপাশি রোমান্টিক করে তুলেছে।
এছাড়াও, এই স্থানের সবচেয়ে স্বাগত গ্রামবাসীরা স্বর্গের মতো আপনার হৃদয় জয় করবে।
সিলারি গাঁওকে আজকাল ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার জন্য "নতুন দার্জিলিং"ও বলা হয়।

🔹সিলারি গাঁও-এর দর্শনীয় স্থান
✅রামিতে ভিউ পয়েন্ট
✅টিনচুলি ভিউ পয়েন্ট
✅দামসাং ফোর্ট
✅হনুমান শীর্ষ
✅নীরব উপত্যকা
✅ক্রস হিল
✅সাইলেন্ট ভ্যালি

Follow: Pack N Go....
KUNTAL SAIN
096472 45245

স্বপ্নের মতো সুন্দর কাফেরগাঁও!❤এই ছোটো পাহাড়ি গ্রামটি কালিম্পং-এর লোলেগাঁও থেকে মাত্র ৬ কিমি দুরে অবস্থিত। যারা প্রকৃতির...
03/06/2024

স্বপ্নের মতো সুন্দর কাফেরগাঁও!❤
এই ছোটো পাহাড়ি গ্রামটি কালিম্পং-এর লোলেগাঁও থেকে মাত্র ৬ কিমি দুরে অবস্থিত। যারা প্রকৃতির নিস্তব্ধতা ও দূষণ মুক্ত হাওয়া ,পাহাড়ি জঙ্গল,পাখিদের ডাক , বিভিন্ন পাহাড়ি ফুল এসব পছন্দ করেন তাদের কাছে এই স্থানটি খুব ভাল লাগবে।
কালিম্পং থেকে মাত্র ৪৫ কিমি দুরে অবস্থিত এই কাফেরগাঁও, এই কাফেরগাঁও-এর উচ্চতা প্রায় ৫৩০০ ফিট। কাফের নামটি এসেছে লেপচা ভাষা থেকে। যেটি এখানে পাওয়া যাওয়া এক ধরনের ফুলের নাম। লেপচা ভাষায় যাকে কাফের বলে। সেই ফুল থেকেই এই গ্রামের নাম।
পাহাড়ের উপত্যকার ও জঙ্গল দ্বারা ঘেরা স্থানের মাঝে একটি সুসজ্জিত হোম-স্টে যেখান থেকে সামনে চোখ মেললেই দেখা মিলবে তুষারাবৃত কাঞ্চনজঙ্ঘার, এমন একটি স্থানকে মর্তলোকে স্বর্গের থেকে কম বলে মনে হবে না । চারদিকে সবুজ পাহাড়, শান্ত পরিবেশ, পাখিদের ডাক, বিশুদ্ধ বায়ু , কোন রকম তাড়াহুড়ো নেই এমন এক স্থানে প্রকৃতির মাঝে চঞ্চল মনকে শান্ত করার এর থেকে ভালো উপায় হয় না।
এমন শান্ত পাহাড়ি গ্রামে এসে চখের সামনে কাঞ্চনজঙ্ঘা উপলব্ধি করতে পারলে মন এমনি শান্ত হয়ে যাবে , কাফের গাঁও এর মুল আকর্ষণ হল এখান থেকে দেখতে পাওয়া ঘুমন্ত বুদ্ধ ও তারই সঙ্গে মন ভোলানো সূর্যোদয়ের দৃশ্য।

Follow: Pack N Go ....
KUNTAL SAIN
096472 45245

মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি দেখতে কার না ভাল লাগে, স্লিপিং বুদ্ধাকে দেখতে চলে আসুন পাহাড়ের এই গ্রামে❤কালুক শহরের কোলাহল থেকে ...
02/06/2024

মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি দেখতে কার না ভাল লাগে, স্লিপিং বুদ্ধাকে দেখতে চলে আসুন পাহাড়ের এই গ্রামে❤
কালুক শহরের কোলাহল থেকে দূরে সিকিমের পশ্চিম অঞ্চলের একটি অদ্ভুত বসতি প্রকৃতির মাঝে নির্জনতা খুঁজে পাওয়ার জায়গা হয়ে উঠেছে। এটি পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত।
5600 ফুট উচ্চতায় অবস্থিত কালুক তার শান্ত পরিবেশ এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার পরাবাস্তব দৃশ্যের জন্য পরিচিত। প্রচুর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ কালুক সিকিমের ইকো-ট্যুরিজমের একটি নতুন রত্ন। কালুকের বিচিত্র গ্রামটি তার সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রকৃতি এবং ধর্মীয় নৈতিকতার সাথে এটিকে সিকিমের একটি অপরিহার্য স্থান করে তুলেছে

🔹কালুক দেখার সেরা সময়
✅কালুক বর্ষা ঋতু বাদ দিয়ে ধারাবাহিকভাবে পরিদর্শন করা যেতে পারে। এপ্রিল থেকে জুনের মাঝামাঝি দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই জায়গাটি দেখার সেরা সময়।

🔹কালুকের দর্শনীয় স্থান
✅পেময়াংটসে মঠ
✅RABTENSE ধ্বংসাবশেষ
✅সিংশোর ব্রিজ

Follow: Pack N Go ....
KUNTAL SAIN
096472 45245

তুষার সাম্রাজ্যের উত্তর সিকিম ভ্রমণ❤🔹লাচুংগ্যাংটক থেকে খুব সকালে গাড়ি ছাড়বে উত্তর সিকিম অভিমুখে। উত্তর সিকিমের এই সফর সব...
01/06/2024

তুষার সাম্রাজ্যের উত্তর সিকিম ভ্রমণ❤

🔹লাচুং

গ্যাংটক থেকে খুব সকালে গাড়ি ছাড়বে উত্তর সিকিম অভিমুখে। উত্তর সিকিমের এই সফর সবটাই হয় সাধারণত প্যাকেজ ট্যুরের মাধ্যমে। অর্থাৎ গাড়ি, হোটেল, খাওয়াদাওয়া— সব মিলিয়ে মাথাপিছু একটা মূল্য ধার্য হবে। উত্তর সিকিমের যাত্রীদের অনুমতিপত্র সঙ্গে থাকাটা জরুরি। অনুমতি পাওয়া যায় গ্যাংটক থেকেই। ভোটার বা আধার কার্ডের ফটোকপি ও দু’কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি নিয়ে আবেদন করলে সহজেই মেলে এই অনুমতিপত্র। গ্যাংটকে যে হোটেলে রাত্রিবাস করবেন, সেখানে ডকুমেন্টগুলি জমা দিলে তারাই আনিয়ে দেবে এই অনুমতিপত্র। গ্যাংটকের যে কোনও পর্যটন সংস্থার অফিসে যোগাযোগ করলে তারাও এই অনুমতিপত্র পাওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করতে পারবে।

ভোরবেলা গ্যাংটক থেকে যাত্রা শুরু করে তাশি ভিউ পয়েন্ট, কাবি, ফোদং, মংগন, সিংঘিক পেরিয়ে পৌঁছে যাবেন চুংথাং। পথে পড়বে ফোদং গুম্ফা ও সেভেন সিস্টার্স ফল্স। ছবি তোলার জন্য কিছু সময় থামা যেতেই পারে এই দু’টি দ্রষ্টব্যের কাছে। চুংথাং জায়গাটি এই অঞ্চলে একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। লাচুং থেকে বয়ে আসা লাচুং-চু (চু মানে নদী) ও লাচেন থেকে বয়ে আসা লাচেন-চু নদী দু’টি এখানেই মিশে, তিস্তা নাম নিয়ে বয়ে গিয়েছে নীচের দিকে। বিরাট এক সামরিক ছাউনি রয়েছে এখানে। আছে বেশ কিছু দোকানপাট ও হোটেলও।

চুংথাং থেকে ২২ কিলোমিটার, অর্থাৎ গ্যাংটক থেকে ১১৮ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত লাচুং গ্রামে পৌঁছনোর পথে সারাক্ষণ সঙ্গ দেবে লাচুং-চু। ৮৬০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত লাচুং গ্রামটি বেশ সমৃদ্ধ। মূলত লাচুং-পা সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন এখানে। উঁচু পাহাড়ে ঘেরা নিসর্গে শোভাবৃদ্ধি করে সুন্দরী ঝর্না। হাতে সময় থাকলে দেখে নিতে পারেন লাচুং গ্রামের কার্পেট বুনন কেন্দ্র (সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত খোলা থাকে) আর লাচুং গুম্ফা। অনেক সুন্দর ম্যুরাল ও প্রাচীন মূর্তি নজর কাড়বে এই গুম্ফায়।

🔹ইয়ুমথাং

১১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ইউমথাং-এর আর এক নাম হল ‘ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার’। এপ্রিল-মে মাসে এখানে যেন জলসা বসে যায় ফুলের। বিভিন্ন প্রজাতির রডোডেনড্রন, প্রিমুলা ও আরও নানা ধরনের ফুলের সমারোহে তখন সত্যিই নন্দনকানন হয়ে ওঠে এই উপত্যকা। শীতকালে এলে (ডিসেম্বর থেকে মার্চ) আবার এই উপত্যকাকেই দেখতে পাবেন এক অন্য রূপে। বরফের সাদা পোশাকে তখন আবৃত থাকে পুরো ইয়ুমথাং অঞ্চল। মনে হবে বুঝি তুষার সাম্রাজ্যেই এসে পড়েছি। উঁচু পাহাড়ের সারি, উপত্যকা, রাস্তাঘাট— সবই সে সময় ঢাকা থাকে পুরু বরফের আস্তরণে।

লাচুং থেকে ইয়ুমথাং ২৩ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। সবুজ উপত্যকার বুক চিরে বয়ে চলেছে উচ্ছ্বল নীলরঙা নদী। উপত্যকার শুরুতেই রয়েছে একটি উষ্ণ প্রস্রবণ। বহু মানুষকে দেখবেন জলে শরীর ডুবিয়ে বসে থাকতে। বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগের নাকি নিরাময় হয় এই জলে, এমনটাই শোনা যায়। সবুজ বিস্তীর্ণ উপত্যকার দু’দিকে বিস্তৃত উঁচু পাহাড়ের প্রাচীর। উপত্যকার সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে, সবুজ ঘাসের কার্পেটের মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া রাস্তা ধরে এ বারে পৌঁছে যান শিবমন্দির হয়ে ইয়ুমেসামডং। দূরত্ব ইয়ুমথাং থেকে ২৩ কিলোমিটার। এই অবধিই যাওয়ার অনুমতি মেলে পর্যটকদের। চিন সীমান্তের নৈকট্যের কারণে প্রতিরক্ষা বিভাগের নির্দেশে এখানেই যাত্রাপথের ইতি টানতে হয়। ১৫০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই ইয়ুমেসামডং এক অপূর্ব সুন্দর জায়গা। তুষারাবৃত ইয়ুমেসামডং-এর প্রাকৃতিক শোভা দেখে মুগ্ধতায় আবিষ্ট হন পর্যটকেরা। একই পথে ফিরে আসতে হবে লাচুং-এ। হাতে সময় থাকলে ও ফৌজি অনুমতি পেলে লাচুং থেকে নদীর উপর সেতু অতিক্রম করে অন্য পথে যাওয়া যেতে পারে কাটাও। দূরত্ব লাচুং থেকে ২৪ কিলোমিটার। তুষারাবৃত কাটাও পৌঁছে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন পর্যটকের দল। শুরু হয়ে যায় বরফ নিয়ে খেলা। তবে চিন সীমান্ত খুবই কাছে হওয়ার কারণে এ পথে অনুমতি পাওয়াটা খুবই সমস্যাজনক হয়ে পড়ে বেশির ভাগ সময়ে।

🔹জিরো পয়েন্ট

ইউমেসামডং বা জিরো পয়েন্ট উত্তর সিকিমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য। এটি ইউমথাং উপত্যকা থেকে প্রায় 22 কিমি উত্তরে অবস্থিত। 15,400 ফুট উচ্চতায় জায়গাটি বেশিরভাগ সময় তুষারে ঢাকা থাকে। ইউয়েসামডং-এ এক ঘণ্টার গাড়ি চালানো একটি অভিজ্ঞতা। তুষার আচ্ছাদিত পর্বত এবং অস্থির উপত্যকার দৃশ্য আপনাকে বিস্মিত করবে। ইউমেসামডং হল চীন সীমান্তের কাছে সবুজ চারণ ক্ষেত্র সহ একটি উপত্যকা। আর কোনো রাস্তা নেই। জিরো পয়েন্টে উষ্ণ প্রস্রবণের সংখ্যা নেই। সবই সালফারে সমৃদ্ধ, নিরাময় ক্ষমতা সহ ঔষধি গুণসম্পন্ন। উচ্চ উচ্চতায় ইউমেসামডং বেশির ভাগ সময় তুষারে ঢাকা থাকে। তাই ভারি পশমী কাপড় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। ইউমেসামডং থেকে ইউমথাং উপত্যকায় একটি ট্রেক রুটও রয়েছে। পথটি ট্রেকারদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। ইউমেসামডং আন্তর্জাতিক সীমান্তের খুব কাছে, তাই সংরক্ষিত এলাকার আওতায় আসে। বিদেশি নাগরিকদের জিরো পয়েন্টে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

🔹কাটাও

সিকিমের উত্তর অংশে অবস্থিত, রাজধানী গ্যাংটক থেকে প্রায় 144 কিলোমিটার এবং লাচুং থেকে 28 কিলোমিটার দূরে, মাউন্ট কাটাও রাজ্যের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে যা আপনি কল্পনা করতে পারেন।

কাতাও উপত্যকা ইন্দো চীন সীমান্তে 13,500 ফুট উচ্চতায় ডনকিলা পাহাড়ে অবস্থিত। কাতাও পর্বত থেকে, আপনি তুষার-ঢাকা শৃঙ্গের মনোরম দৃশ্য দেখতে পারেন এবং এই জায়গায় যাওয়ার মাঝপথে আপনি একটি অত্যাশ্চর্য জলপ্রপাতও দেখতে পাবেন। উপত্যকাটি পপি, প্রিমুলা এবং রডোডেনড্রনের মতো আকর্ষণীয় উদ্ভিদ দ্বারাও আচ্ছাদিত। মুগ্ধকর সৌন্দর্যে আশীর্বাদপ্রাপ্ত কাটাও প্রায়ই ভারতের সুইজারল্যান্ড নামে পরিচিত।

যাইহোক, এই মহিমান্বিত চূড়াটি যে এলাকায় অবস্থিত সেখানে প্রবেশের জন্য সেনাবাহিনীর কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। এই পরাবাস্তব পর্বত দর্শকদের একটি চমৎকার দৃশ্য প্রদান করে। এই গন্তব্যটি অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্যও একটি উপযুক্ত জায়গা কারণ শীতের মৌসুমে এখানে স্কিইং, স্নোবোর্ডিং, স্নো টিউবিং এবং স্টোন গ্রাইন্ডিংয়ের মতো খেলা উপভোগ করা যায়।

Pack N Go ....
KUNTAL SAIN
096472 45245

চিরসবুজ এক পাহাড়ি গ্রাম রামপুরিয়া (Rampuria)। নাম শুনে মনে হতে পারে উত্তরপ্রদেশের কোনও অঞ্চল। ভুল। রামপুরিয়ার অবস্থান...
31/05/2024

চিরসবুজ এক পাহাড়ি গ্রাম রামপুরিয়া (Rampuria)। নাম শুনে মনে হতে পারে উত্তরপ্রদেশের কোনও অঞ্চল। ভুল। রামপুরিয়ার অবস্থান এই বাংলায়, উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং জেলায়। দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে। সেঞ্চাল অভয়ারণ্যের মাঝে। সুমদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা প্রায় ৫,৭০০ ফুট। এই অভয়ারণ্য ভারতের পুরনো অভয়ারণ্যের মধ্যে একটি। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এককথায় অসাধারণ।
দূষণের বিষাক্ত থাবা পড়েনি কুয়াশামাখা এই বনাঞ্চলে। নেই গাড়ি-ঘোড়ার অতিরিক্ত আওয়াজ, মানুষের অকারণ ভিড়। এককথায় নির্মল পরিবেশ। মুখরিত হয়ে থাকে পাখিদের কলকাকলিতে।
ম্যাগপাই, বাবল, থ্রাশ প্রভৃতি নানা প্রজাতির হিমালয়ান পাখির দেখা মেলে এই পাহাড়ি গ্রামে। বাইনোকুলার নিয়ে আপনমনে ঘুরে বেড়ান পাখিপ্রেমীরা। আসেন ফুলপ্রেমীরাও। কারণ এখানে ফোটে রডোডেনড্রন, ম্যাগনোলিয়া প্রভৃতি নানা জাতের ফুল। আছে ফার্ন, ওক, বাম্বো প্রভৃতি গাছ।
বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে চা-বাগান। তার মধ্যে অন্যতম রংলি রংলিওট চা-বাগান। ঘুরে দেখা যায়। একটি কুঁড়ি দুটি পাতা তোলার কাজে ডুবে থাকেন হাসি মুখের শ্রমিকরা। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। স্থানীয়দের তৈরি বাগানে জৈবিক উপায়ে হয়ে থাকে নানারকম শাকসবজির চাষ। দেখে মন ভাল হয়ে যায়।
গভীর সেঞ্চাল অভয়ারণ্যের ভিতরে আনন্দের সঙ্গে ট্রেকিং করা যায়। তার জন্য ২০০-৩০০ টাকা দিয়ে একজন গাইড ভাড়া নেওয়া যেতে পারে। অভয়ারণ্যের ভেতরে দেখতে পাবেন সুন্দরী ঝর্না, আকর্ষণীয় কাঞ্চন ফলস, নানারকম বনৌষধী গাছ। ঘুরে বেড়ায় বিভিন্ন পশু। যেমন, বার্কিং ডিয়ার, ওয়াইল্ড বোয়ার, হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার, ইন্ডিয়ান লেপার্ড, জঙ্গল বিড়াল, রিসাস বানর, আসাম ম্যাকাক, হিমালয়ান ফ্লাইং স্কুইরেল প্রভৃতি। বেড়ানোর সময় তাদের থেকে বজায় রাখতে হবে দূরত্ব।
কবিগুরুর স্মৃতি-বিজড়িত মংপু রামপুরিয়া (Rampuria) থেকে মাত্র ৭ কিমি দূরে। মংপুতে দেখে নিতে পারেন সিঙ্কনা প্লান্টেশন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মিউজিয়াম।

N Go ....
KUNTAL SAIN
096472 45245

Address

Badamtala Chandmari Road
Burdwan
713101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pack N Go posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category