12/09/2023
একদিনের ছোট্ট ট্যুর-আঁটপুর রামকৃষ্ণ মিশন ও রাজবলহাটেরর রাজবল্লভী মন্দির
হা ওড়া থেকে তারকেশ্বর লোকাল ধরে হরিপাল স্টেশনে নেমে অটো বা টোটো রির্জাভ করে প্রথমে আঁটপুর রামকৃষ্ণ মিশন পরবে তারপর রাজবলহাটের রাজবল্লভী মন্দির।স্থান দুটি হুগলী জেলায় অবস্থিত। ঠাকুর রামকৃষ্ণের প্রিয় শিষ্য বাবুরাম ঘোষের বাড়িই হচ্ছে বর্তমানে আঁটপুর রামকৃষ্ণ মিশন। ১৮৮৬ সালে ২৪শে ডিসেম্বর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের নয়জন শিষ্য তথা নরেন্দ্র -বিবেকানন্দ, বাবুরাম-প্রেমানন্দ,শরৎ-সারদানন্দ,শশী-রামকৃষ্ণানন্দ,তারক-শিবানন্দ,কালী-অভেদানন্দ, নিরঞ্জন -নিরঞ্জনানন্দ,গঙ্গাধর-অখন্ডানন্দ ও সারদা -ত্রিগুনাতীতানন্দ রাতে অগ্নিশিখাকে সাক্ষী করে সন্ন্যাস ধর্মে ব্রতী হন। আগামী দিনে মানুষের কল্যাণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেন।এই ঘটনাটি ঘটে এই বাড়িতে ই তথা বাবুরাম ঘোষের বাড়িতে ই।এই ঘটনাটি কে স্মরণ করে রাখার জন্য তৈরি হয়েছে ধূনি মণ্ডপ। এখনও ২৪শে ডিসেম্বরে অগ্নিশিখা জ্বালিয়ে ওই দিনটাকে স্মরণ করা হয়। ওখানে গিয়ে বসলেই আলাদা একটা ভালোলাগার অনুভূতিতে মনটা ভরে যায়। স্বামীজী ওখানে তিনবার গিয়েছিলেন।মা সারদা ও এসেছিলেন এখানে। স্বামীজী আর মা সারদার ঘরের সামনে বারান্দায় বসে থাকলে মন এক অন্য মাত্রায় প্রশান্তিতে ভরে যায়। এছাড়াও আছে দূর্গা মণ্ডপ, লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দির।মিশনের ঠিক পিছনেই আছে নরেন্দ্র সরেবর। আঁটপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ভোগ গাওয়ার সুব্যাবস্থা আছে।ভোগের টিকিটের মূল্য ১০০/করে প্রতিজন হিসাবে। রামকৃষ্ণের মূল মন্দির টি একটু পিছনে যেখানে বাবুরাম ঘোষ জন্মগ্ৰহন করেছিলেন। সকাল ১০টার আগে গিয়ে ভোগের কুপন কেটে ফেলতে হবে।তারপর ভালোভাবে রামকৃষ্ণ মিশন ঘুরে ভোগ খেয়ে বেড়িয়ে পড়তে হবে রাজবলহাটের রাজবল্লভী মন্দির।সময় লাগবে ৩০মিনিট মতো। মন্দিরের সামনে অনেক দোকান । সেখান থেকে মায়ের পূজোর সামগ্রী সব ই পাওয়া যায়। দুপুরে ভোগ খাওয়ানোর ব্যাবস্থা আছে। আমি ওখানে এক পুরোহিতের সাহায্যে খুব সুন্দর ভাবে পূজো দিয়েছি ও ভোগ গ্ৰহণ করেছি। ওনার ফোন নাম্বার 8371819595.বিশাল জায়গা জুড়ে মায়ের মন্দির চত্বর। দূর্গা,কালী ও সরস্বতীর মিশ্র রুপ হচ্ছে রাজবল্লভী মা। মা রাজরাজেশ্বরী রাজবল্লভী। মায়ের গাত্রবর্ণ হচ্ছে শরৎএর জ্যোৎসনার মতো অর্থাৎ ধবলা তাই মা শ্বেতকালী রূপে পূজিতা। মায়ের বাম পদতলে রয়েছে বাবা বিরুপাক্ষ আর মায়ের দক্ষিণ পদতলে রয়েছে শিবম মহাকালভৈরব। মায়ের গর্ভগৃহে অনেক দেবদেবী পূজিতা। মায়ের ১৪হাতের শাড়ি লাগে। খুবই জাগ্ৰত মা রাজবল্লভী।নবমীর দিন মহিষ বলি দেওয়া হয়। মায়ের অসাধারণ রূপ।
জয় মা রাজরাজেশ্বরী রাজবল্লভী 🙏🙏🙏