Tour with Masterji

Tour with Masterji travel vlog

রাজ্যে গরম কমার কোনও লক্ষণ নেই। এখনও অবধি বৃষ্টি নিয়ে কোনও সুখবর দিতে পারেনি আবহাওয়া দফতর। কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁ...
06/06/2023

রাজ্যে গরম কমার কোনও লক্ষণ নেই। এখনও অবধি বৃষ্টি নিয়ে কোনও সুখবর দিতে পারেনি আবহাওয়া দফতর। কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁই। আবহবিদরা জানিয়েছেন, এবারও বর্ষা দেরিতে আসার কারণে এই প্যাচপ্যাচে গরম থেকে মুক্তি নেই।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি বেশি। দমদমে ৩৯.৮ ডিগ্রি ও সল্টলেকের তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির মাত্রা ছুঁয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। সোমবার আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ১০ জুন অবধি এই ধরনের অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে।

প্রকাশিত বুলেটিনে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মূলত পশ্চিমী বায়ুর কারণে এই অঞ্চলে আবহাওয়ায় এই প্রভাব পড়েছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এই ৫ থেকে ১০ জুন অবধি তীব্র অস্বস্তিকর গরম ও তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি বজায় থাকবে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সাধারণত ৫ জুন উত্তরবঙ্গ ও ৮ জুন দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করে মৌসুমী বায়ু। কিন্তু এখনও অবধি কেরালাতে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেনি। সেই কারণে বাংলাতেও বর্ষা দেরিতে আসার সম্ভাবনা প্রবল। আবহবিদদের দাবি, কেরালাতে বর্ষার আগমণের পর ভারতের কর্নাটক, তামিলনাড়ু এবং উত্তর-পূর্বের কিছু অংশে হয়ে ভারতে বর্ষার প্রবেশ হয়। সেখানে এবার কেরলে দেরিতে বর্ষা আসার সম্ভাবনা প্রবল।

বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

আরব সাগরের উপর তৈরি হওযা ঘূর্ণাবর্ত কেরালার দিকে অগ্রসর হওয়ার পর সেখানে বর্ষার সূচনা হতে পারে, এমনটা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে।

অন্যদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পঙে বজ্র বিদ্যুৎ সহ মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই।

28/05/2023
আসাম-মেঘালয় ১ম পর্ব বিগত কয়েক বছর ধরে প্ল্যান প্রোগ্রাম করে শেষ পর্যন্ত ক্যানসেল হওয়ার পর এই বছর একপ্রকার জোর করেই মেঘ...
21/05/2023

আসাম-মেঘালয় ১ম পর্ব
বিগত কয়েক বছর ধরে প্ল্যান প্রোগ্রাম করে শেষ পর্যন্ত ক্যানসেল হওয়ার পর এই বছর একপ্রকার জোর করেই মেঘালয়-আসাম ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করেছিলাম।
দুপর দুপুর চলে এসেছিলাম হাওড়া স্টেশনে সরাইঘাট এক্সপ্রেস ধরতে।এবারের গন্তব্য গুয়াহাটি।বিকেল 3.50এ ট্রেন ছাড়লো।AC থ্রি টায়ারে ভাড়া পরল 1365/টাকা।আমার কিন্তু মনে হল সরাইঘাট এক্সপ্রেস এই দিকের অন্যান্য ট্রেন গুলোর মধ্যে অনেকটা ভালো।মোটামুটি বেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন।রাতের খাবার খেয়ে তাড়াতাড়ি শুয়ে পরলাম।পরদিন যখন ঘুম ভাঙল তখন ট্রেন নিউ বঙ্গাইগাও ঢুকছে।সকালের প্রথম রাউন্ডের চা টা একাই খেলাম,কারণ তখনো সঙ্গীসাথিরা কেউ ঘুম থেকে ওঠেনি।সকাল সকাল ব্রহ্মপুত্রের শোভা,আর রেললাইনের দুপাশে জলাভূমির অপরূপ রূপ দেখতে খুব ভালোলাগছিল।আমরানামব গুয়াহাটির আগের স্টেশন কামাখ্যা স্টেশনে।স্টেশনে নেমে দেখি আমাদের সারথি শিবুদা গাড়ি নিয়ে উপস্থিত।দেরি না করে সবাই বসে গেলাম গাড়িতে।
প্রথমে আমরা এসে পৌছলাম কামাখ্যার ভারত সেবাশ্রমের গেস্ট হাউসে।সেখানে আমরা 2টি ঘর বুক করেছিলাম একটু ফ্রেশ হওয়ার জন্য।দুটি ঘর এর জন্য ওনারা 500টাকা করে নিয়েছিল।স্নান করে আমরা নিকটবর্তী মা মনসা হোটেলে খেতে গেলাম।আমরা ভেজ থালি নিয়েছিলাম সাথে ডিমের ওমলেট।কমপ্লিমেন্টারি ছিল চাটনী,আচার,শুটকী মাছ,পায়েস।আমি আর আমার গিন্নী আবার শুটকী মাছের বিশাল ভক্ত।ফলে আমাদের তো জাস্ট ফাটাফাটি লাগল।এরপর আর সময় নস্ট না করে আমরা রওনা দিলাম কাজিরাঙ্গার উদ্দেশ্যে।প্রায় 197কিমি রাস্তা।রাস্তার কন্ডিশন কিন্তু বেশ ভালো।হালকা হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল।কাজিরাঙ্গা ঢোকার পর থেকেই শিবুদা গাড়ির গতি কমিয়ে আনল,কারণ এটা বন্যপ্রানী করিডর।রাস্তার পাশের খোলা প্রান্তরে বেশ কিছু হরিন দেখলাম।হঠাৎ শিবুদা আচমকা গাড়ি থামিয়ে দিলো।খানিক চমকে গিয়ে দেখলাম দুটি বিশাল গন্ডার পাশের মাঠে ঘুরে বেরোচ্ছে।ব্যাপার টা আমাদের সবার পক্ষেই বেশ অভাবনীয় ছিল।
আমরা যে হোটেলে উঠলাম ডবল বেডরুম আমাদের 2000টাকা করে পড়ল ।সবাই খুব ক্লান্ত থাকায় রুটি মাংস খেয়ে শুয়ে পড়লাম।
পরদিন খুব ভোরে উঠে ফ্রেশ হয়ে চলে এলাম এলিফ্যাণ্ট সাফারী করতে।আজ ভ্রমরী খুব উৎসাহী ছিল।হাতি চড়ার আনন্দে ছিল মশগুল।লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে এন্ট্রি নিয়ে চরা হল হাতিতে।সাধারণত একটি হাতিতে মাহুত বাদে চার জন সাবারি ওঠে।জনপ্রতি 1500/টাকা লাগে হাতি সাফারী করতে।গন্ডার গুলো যেখানে ঘুরছিল হাতি একদম তার পাশে এসে দাঁড়াল।একদম কাছ থেকে প্রায় হাফ ডজন গন্ডার দেখার পর আমরা ফিরে এলাম।হোটেলে ফিরে এসে ব্রেক ফাস্ট করে এবার চললাম্ জীপ সাফারী করতে।জঙ্গল এবং বন্যপ্রানীদের একদম সামনে থেকে দেখলাম।জীপসাফারীর সময় দুঘন্টা হলেও হাতি সাফারীর পর তা আর বিশেষ ভালো নাও লাগতে পারে।হোটেলে ফিরে স্নান করে বেড়িয়ে পড়লাম আবার কামাখ্যার উদ্দেশে।যখন কামাখ্যায় পৌছলাম পাহাড়ের উপর থেকে দেখলাম সন্ধ্যায় গুয়াহাটি শহর যেন আলোর মালায় সেজেছে।সন্ধ্যাবেলায়ই একবার মন্দির দর্শন করে এলাম।পরদিন ভোর চারটে তে উঠে হালকা বৃষ্টি মাথায় করে পুজোর লাইনে দাঁড়ালাম।মন্দির খুলতেই বিশাল লাইন সত্ত্বেও খুব তাড়াতাড়ি পুজো দেওয়া হয়ে গেল।মা কামাখ্যাকে প্রণাম জানিয়ে আমরা বেরিয়ে পরলাম আমাদের পরের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।
video link https://youtu.be/XmZ0kxK60-Y

Meghalaya is not only the land of Cloud(মেঘ) also the land of beautiful waterfalls
20/05/2023

Meghalaya is not only the land of Cloud(মেঘ) also the land of beautiful waterfalls

Address

Bandel
Chinsurah

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tour with Masterji posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category