Dey's Diary

Dey's Diary দে'জ ডায়েরি পেজে ভ্রমণ সংক্রান্ত অডি?

 #ঝালং_বিন্দু_জলঢাকাবর্ষায় এ যেন ডুয়ার্সের এক অন্য রূপ- নিরিবিলি, নির্জন, সদ্য স্নান করে ওঠা সুন্দরী তরুণী ডুয়ার্স। ঝালং...
24/01/2023

#ঝালং_বিন্দু_জলঢাকা

বর্ষায় এ যেন ডুয়ার্সের এক অন্য রূপ- নিরিবিলি, নির্জন, সদ্য স্নান করে ওঠা সুন্দরী তরুণী ডুয়ার্স। ঝালং, বিন্দু, জলঢাকা, অ্যাপেল স্টোন, গৈরিবাস ভিউ পয়েন্ট সহ পাহাড়ী রাস্তায় বৃষ্টিভেজা একটি দিনের ভ্রমণ কাহিনী রইল আপনাদের জন্য।

https://youtu.be/8Z-ZY69DEnkহেরিটেজ কোচবিহারের অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান হিসেবে যুক্ত হল আরো একটি জায়গা- নরেন্দ্র নারায়ণ ...
12/09/2022

https://youtu.be/8Z-ZY69DEnk

হেরিটেজ কোচবিহারের অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান হিসেবে যুক্ত হল আরো একটি জায়গা- নরেন্দ্র নারায়ণ পার্ক মিউজিয়াম। কোচবিহার রাজ আমলে ব্যাবহৃত দ্রব্যাদি রয়েছে এই মিউজিয়ামে। প্রত্যেকদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ পর্যন্ত খোলা থাকে এই মিউজিয়াম। নীচের লিঙ্কে ক্লিক করে ঘুরে আসুন নতুন এই মিউজিয়াম থেকে।

https://youtu.be/8Z-ZY69DEnk

হেরিটেজ কোচবিহারের অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান নরেন্দ্র নারায়ণ পার্ক মিউজিয়াম। প্রত্যেকদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্....

হেরিটেজ কোচবিহারে অতিথিদের স্বাগত জানাতে শীঘ্রই খাগড়াবাড়ি চৌপথিতে  তৈরি হচ্ছে গ্ৰান্ড হেরিটেজ ওয়েলকাম গেট।
07/09/2022

হেরিটেজ কোচবিহারে অতিথিদের স্বাগত জানাতে শীঘ্রই খাগড়াবাড়ি চৌপথিতে তৈরি হচ্ছে গ্ৰান্ড হেরিটেজ ওয়েলকাম গেট।

Bhutan will reopen Borders in September..
29/06/2022

Bhutan will reopen Borders in September..

সেলুলার জেল
05/06/2022

সেলুলার জেল

স্থাপনকাল- ১৮৯৬ থেকে ১৯০৬ (১০বছর লেগেছিল এই জেল নির্মাণ করতে) ভিডিওতে সালটি অনিচ্ছাকৃত ভুল বলার জন্য ক্ষমাপ্রার্.....

আমার দেখা সেলুলার জেল  (৮ই সেপ্টেম্বর ২০১৬)            আন্দামানে যেমন রয়েছে নৈসর্গিক সৌন্দর্য, তেমনই রয়েছে এক করুন ইতি...
29/04/2022

আমার দেখা সেলুলার জেল (৮ই সেপ্টেম্বর ২০১৬)

আন্দামানে যেমন রয়েছে নৈসর্গিক সৌন্দর্য, তেমনই রয়েছে এক করুন ইতিহাস। সেই করুন ইতিহাস জানতে আজ আন্দামান ভ্রমণের প্রথম দিনই পোর্ট ব্লেয়ারের হোটেল থেকে গাড়ি করে চলে এলাম সেলুলার জেলে।

গাড়ি থেকে নেমে হলদে সবুজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিংয়ের মূল ফটক দিয়ে আমরা প্রবেশ করলাম ঐতিহাসিক সেলুলার জেলে। এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিংয়ের ফার্স্ট ফ্লোরে থাকতেন জেলার ডেভিড বারি এবং নীচের ফ্লোরটিকে ব্যবহার করা হতো জেলের গোডাউন হিসেবে। জেলের ভেতর ঢুকতে ঢুকতে আমাদের গাইড জানালো মোট সাতটি wings/বিল্ডিং নিয়ে এই সেলুলার জেলটি তৈরী হয়েছিল ১৮৯৬ থেকে ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ১০ বছর সময় নিয়ে। যদিও বর্তমানে রয়েছে ৩ টি wings/বিল্ডিং। অপর ৪ টি wings/বিল্ডিং বিভিন্ন সময়ে ভূমিকম্প, জাপানিজরা আন্দামান অধিগ্রহণের সময় এই গুলোতে বাঙ্কার বানানো সহ নানাবিধ কারণে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ১৯৪২-১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত জাপানিজরা এখানে অবস্থান করেছিল। স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে আন্দামানে জনবসতি বাড়তে শুরু করলে ১৯৬৪ সালে আন্দামান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই ৪ টি বিল্ডিংয়ের ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানে তৈরী করে G. B. Pant হসপিটাল যা বর্তমানে আন্দামানের প্রধান হসপিটালে পরিনত হয়েছে। জেল ঘুরতে ঘুরতে গাইড জানালো বিনায়ক দামোদর সাভারকর, অবনী মুখার্জী, আব্দুল কাদের চৌধুরী, বঙ্কিম চক্রবর্তী সহ অসংখ্য বিপ্লবী যারা
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাদের এই জেলে এনে বন্দী করে রাখা হতো। সেই সময় মোট ৬৯৩ টি সেল নিয়ে গড়ে উঠেছিল এই জেলটি। এত বেশি পরিমাণ সেলের সংখ্যা থেকেই জেলের নাম সেলুলার জেল। প্রত্যেক সেলে একজন করে বন্দী রাখা হতো, জেলের নির্মাণ এমন ভাবে করা হয়েছিল যে, কোন বন্দীই একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারতো না। সেল গুলো দেখলাম অত্যন্ত সংকীর্ণ, কি করে যে এতো অল্প জায়গায় একজন বিপ্লবী থাকতেন ভেবেই পাচ্ছিলাম না!

সেল গুলো দেখতে দেখতে এগিয়ে গেলাম জেলের মাঝে অবস্থিত সেট্রাল টাওয়ারের দিকে, এই টাওয়ারই প্রত্যেক wings/বিল্ডিংয়ের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছে, অথাৎ একটি wings থেকে অপর wings- এ যেতে হলে এই টাওয়ার হয়েই যেতে হবে। অসংখ্য সেল দেখতে দেখতে সিড়ি দিয়ে চলে এলাম জেলের সেকেন্ড ফ্লোরে। এই ফ্লোরের একটি সেলেই ছিলেন বিনায়ক দামোদর সাভারকর, যার নামানুসারে সেলটির সাভারকর সেল নামকরণ করা হয়েছে। ১৯১১-১৯২১ সাল পর্যন্ত সাভারকর এই সেলুলার জেলে ছিলেন। সেকেন্ড ফ্লোর থেকে এবারে আমরা এসে পৌঁছলাম জেলের ছাদে। এই ছাদে উঠেই দেখলাম জেলের পেছন গড়ে ওঠা হসপিটাল টি। ছাদ থেকে নর্থ বে আইল্যান্ড এবং রস আইল্যান্ডেরও দেখা মেলে।

এরপর জেলের মাঝে লালচে টিন সেডের তৈরী একটি ঘরে এসে উপস্থিত হলাম। এই ঘরটিতে বিভিন্ন মডলের মাধ্যমে বিপ্লবীদের দ্বারা সেই সময় জেলে যেসব কাজ করানো হতো এবং বিপ্লবীদের কিভাবে অত্যাচার করা হতো সেইসব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মডেল গুলো দেখে থমকে দাঁড়িয়ে গেলাম! কি অমানবিক অত্যাচার চলতো বিপ্লবীদের ওপর সেটার জীবন্ত রূপ নিয়ে যেন দাঁড়িয়ে রয়েছে মডেলগুলো। এই প্রদর্শনী দেখে বেড়িয়ে আসতেই গ্রাউন্ড ফ্লোরে এক কোনায় ৪ টি সেল দেখিয়ে গাইড বললো এইগুলো হলো Condemned সেল। যাদের ফাঁসির আদেশ হতো, শেষের কয়েকদিন তাদের এনে এই ৪ টি সেলে রাখা হতো। সেইসময় তাদের ওপর কোনোরকম অত্যাচার হতো না বলেই জানালো আমাদের গাইড। জেলেই রয়েছে ফাঁসি ঘর। বর্তমানে কাঠের তৈরী, এটা নতুন করে ওই একই জায়গায় বানানো হয়েছে, ফাঁসির দড়িগুলোও নতুন লাগানো হয়েছে অর্থাৎ পরিবর্তিত। জেলের মধ্যেই রয়েছে সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরী একটি শহীদ স্মারক। সারা দেশের শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এটা তৈরী করা হয়েছে। জেলেই রয়েছে সন্ধ্যায় লাইট এন্ড সাউন্ড শো দেখার জন্য সারি সারি চেয়ার। এরপর সন্ধ্যায় এই শো দেখতেই হবে ভেবে বেড়িয়ে এলাম জেল থেকে।

ঠিক সন্ধ্যা ৬ টায় আবার এসে হাজির হলাম ইতিহাসকে চাক্ষুষ করার জন্যে। সেলুলার জেলের বন্দীদের কাটানো ভয়াবহ কালো দিনের কাহিনী ওম পুরির কন্ঠস্বরে এবং বিভিন্ন লাইটিংয়ের দ্বারা একটি শোয়েব মাধ্যমে দেখলাম। সেই সময় বিভিন্ন সেল থেকে ভেসে আসা বিপ্লবীদের আর্তনাদ মনকে ভারাক্রান্ত করে তুলছিল। কি কঠিন লড়াই করে তাঁরা সেলুলার জেলে দিনযাপন করতেন, কত শত প্রানের বিসর্জনে আমাদের এই স্বাধীনতা সেটা বইয়ের পাতায় পড়লেও একবার সামনে থেকে দেখে আসার অনুরোধ করছি।

ছবি :- নিজস্ব।

কলকাতা-অযোধ্যা পাহাড়ে সরাসরি বাস পরিষেবাDarjeeling- ই হোক বা ডুয়ার্স (Dooars), কোথাও টিকিট নেই। না ট্রেনে না বাসে। সপরি...
25/04/2022

কলকাতা-অযোধ্যা পাহাড়ে সরাসরি বাস পরিষেবা

Darjeeling- ই হোক বা ডুয়ার্স (Dooars), কোথাও টিকিট নেই। না ট্রেনে না বাসে। সপরিবার হোক বা সবান্ধব, তিন, চার গুণ দামে বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে টিকিট। এই আবহেই খুশির খুশির খবর নিয়ে এলো অযোধ্যা পাহাড় (Ayodhya Hill)। যা এতদিনে হয়নি, এবার তাই হাতের নাগালে। এখন কলকাতা থেকে সরাসরি অযোধ্যা (Kolkata to Purulia Bus) পাহাড়ের (Ayodhya Hill) মাথায় অর্থাৎ হিল টপে পৌঁছে যাচ্ছে বিলাসবহুল বাস। এক রাতের জার্নি। ভাড়া মাথাপিছু ২৫০ টাকা।

৩৫০ কিমি দূরের অযোধ্যা পাহাড়ে পৌঁছনোর হ্যাপা কম ছিল না। পুরুলিয়া থেকে ৪০ কিমি দূরত্বে পৌঁছতে আগে খরচ ছিল ১২০০ টাকা। এখন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে (Petrol-Diesel Price Hike) সেটাই দাঁড়িয়েছে ১৫০০-১৬০০ টাকায়। ট্রেন, গাড়িভাড়া মিলিয়ে খরচ কম নয়। সেখানে এখন কলকাতা থেকে নামমাত্র খরচে জঙ্গল-পাহাড়ের শিরকাবাদ, ছৌ গ্রামের চড়িদা হয়ে পৌঁছে যাওয়া বামনি ফলসের দেশে।

বাস ছাড়ছে ধর্মতলা গুমটি থেকে। টিকিট মিলবে ৩৭ নম্বর কাউন্টারে। রাত ১০টায় ছেড়ে পরদিন সকাল সাড়ে সাতটায় পৌঁছে যাবে। অযোধ্যা থেকে বাস (Ayodhya-Kolkata Bus) ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টায়। কলকাতায় আসবে ভোর চারটেয়। আপাতত একদিন অন্তর চলছে বাস। পুরুলিয়া থেকে পরিবহণ সংস্থার এক কর্তা হরেকৃষ্ণ লায়া বলেন, ''দুটো বাস চলবে এই রুটে। আপাতত একটি রেডি হয়ে গিয়েছে, সেটি চলছে। আর একটি মাসখানেকের মধ্যে চালু হয়ে যাবে।'' আগামী দিনে এসি বাস চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান সংস্থার কর্তারা।

দু'দিনেই ভালো সাড়া মিলেছে বলে জানালেন বাসচালক পিন্টু মুখোপাধ্যায়। বলেন, ''প্রথম দিন একটু ফাঁকা ছিল। তবে দ্বিতীয় দিনে প্রায় সব আসন বুক হয়ে গিয়েছিল। আশা করছি, এই রুটে চাহিদা ভালোই হবে।'' তিনি জানাচ্ছেন, পর্যটকেরা ইচ্ছা করলে ফোন পে-র মাধ্যমেও আসন সংরক্ষণ করতে পারবেন। অযোধ্যা পাহাড়ের হোটেল ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী অখিল সিং সর্দার বলেন, ''এবার পর্যটকরা অনেক সহজে চলে আসতে পারবেন অযোধ্যায়। খরচও অনেক কমবে। তাছাড়া কলকাতার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি হওয়ায় এখানে অন্যান্য ব্যবসাও গতি পাবে।''

তথ্যঋণ: এই সময়।
ছবিঋণ: WBTU
লেখা: বাঙালির_বেড়ানো

Address

Cooch Behar
736101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dey's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share