22/09/2020
সিটং একটি লুকনো রত্ন
আজ কিন্তু সিটং নাম শোনেন নি এমন বাঙালি খুঁজে বের করতে হবে। আমি যখন প্ল্যান করেছিলাম ২০১৮ সালে আর গিয়েছিলাম ২৩.০৯.২০১৮ ঠীক ২ বছর পর আজ লিখতে বসলাম। তখন প্রথম নাম টি শুনে কৌশিক বাবু বলে ছিলেন এটা আবার কোন খানে। আজ যখন লিখতে বসছি নতুন করে কিছু বলার নেই সিটং এর ব্যাপারে তাও যারা জানেন না তাদের একটু জানাবার চেষ্টা করছি।।
পাহাড়ে ঘেরা, সবুজে ঢাকা এক সাজানো এক লেপচা জনপদ। নাম সিটং। কার্শিয়ং মহকুমার এই ছোট্ট এলাকাই এখন পর্যটন মানচিত্রের নতুন আকর্ষণ। রয়েছে সাধ্যের মধ্যে হোম স্টে পরিষেবাও । আর এখান থেকেই আপনি পাবেন পাহাড়ের সবথেকে মহার্ঘ , ১৮০ ডিগ্রি কাঞ্চনজঙ্ঘা র অনুপম দৃশ্য । আপনি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে মিরিক হয়ে আসতে পারেন অথবা কার্শিয়ং হয়ে দিলারাম থেকে ডানদিকে বাঁক নিয়ে । ঘণ্টা দুয়েক লাগবে ।
প্রথমদিন পৌঁছে একটু হেঁটে ঘুরে নিন আশপাশের লেপচা গ্রাম , পাঁচ পোখরি , নামথিং পোখরি আর একটু ছোট করে জঙ্গল ট্রেক । সিটং থেকে আপনি গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিতে পারেন কলিঝোরা, মনে রাখতে হবে সিটং কমলালেবু গার্ডেনের জন্যে বিখ্যাত । তাই গার্ডেন মিস করলে সেটা অন্যায়। তবে কোন সিজনে যাচ্ছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। মংপু ( খোঁজ নিয়ে যাবেন বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে), চার্চ , লাটপঞ্চার, আলধারা ভিউ পয়েন্ট, মহানন্দা ওয়াইল্ড লাইফ সঙ্কচুয়ারি ( ভোর বেলা না গেলে পাখি দেখা হবে না) রিয়াং রিভার এর ওপর যোগীঘাট ব্রিজ ,এই জায়গা গুলো এখন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পক্ষি দর্শনের জন্যে । মিনিট দশেক নেমে গেলে পাবেন কমলালেবুর বাগান ( শীতকালে )। আপনাকে স্বাগত জানাবে গাছে ঝুলে থাকা , থোকা থোকা কমলালেবু ।
তবে কি এই পূজোর ছুটিতেই যাদের টিকিট আছে কিন্তু জায়গা ঠিক করতে পারেন নি , চলুন এই অরেঞ্জ ভ্যালিতে । ফোন করুন বুকিং এর জন্যে Dev Nomadick Banerjee @ ৮৭৭৭৭৪১৬৭৬ @ 9831159401)
থাকা খওয়া দিন প্রতি ১২৫০