Shantiniketan Homestay

Shantiniketan Homestay বাংলার এক গ্রামে বিশুদ্ধ বাতাস, সুস্বাদু খাবার আর নিখাদ বিশ্রাম নিতে চাইলে আপনি শান্তিনিকেতনে স্বাগত শান্তিনিকেতন আপনার নিজের গ্রামের বাড়ি

📷 বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবসে…ছবি তোলার জন্যসবসময় দূরে যেতে হয় না—কখনও কখনওপরিচিত সবুজের ভেতরেইঅচেনা এক পৃথিবীনিঃশব্দে অপেক্ষা...
19/08/2026

📷 বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবসে…

ছবি তোলার জন্য
সবসময় দূরে যেতে হয় না—
কখনও কখনও
পরিচিত সবুজের ভেতরেই
অচেনা এক পৃথিবী
নিঃশব্দে অপেক্ষা করে।

শান্তিনিকেতনের বড় বাগানে
একটি পেঁপে গাছের পাতায়
সবুজের অসংখ্য রেখা—
যেন প্রকৃতি নিজেই
অদৃশ্য হাতে এঁকে রেখেছে
তার সূক্ষ্মতম নকশা।

আর তার ওপর
একটি ছোট্ট পিঁপড়ে—
নিজের গন্তব্যে
নির্ভার পায়ে হেঁটে চলেছে।

আমি শুধু থেমেছিলাম,
ক্যামেরা তুলেছিলাম,
একবার শাটার টিপেছিলাম।

মুহূর্তটাকে
আমি তৈরি করিনি—
প্রকৃতিই তৈরি করেছিল।
আমি শুধু
তার ক্ষণিকের সৌন্দর্যের
একজন নীরব সাক্ষী।

আমি কোনও পেশাদার ফটোগ্রাফার নই,
ছবি তুলি ভালো লাগা থেকে।
কখনও ফ্রেম সুন্দর হয়ে ওঠে,
কখনও হয়তো ততটা নয়।

তবু ক্যামেরার ছোট্ট ফ্রেমের ভেতর দিয়ে
পৃথিবীটাকে
একটু অন্যভাবে দেখতে পারার
এই আনন্দটুকু
আমার কাছে অনেক।

আজ বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবসে
তাই আমার তোলা
এই সামান্য ছবিটুকু—

একটি ফুল,
কিছু সবুজ,
একটি পিঁপড়ে
আর এক মুহূর্তের নীরবতা।

ছবি হয়তো
মুহূর্তকে ধরে রাখে—
কিন্তু মুহূর্তের সৌন্দর্য
আমাদের নয়।

সে সৌন্দর্য
চিরকাল প্রকৃতিরই।

শুভ বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস।

❤️

15/08/2026

জয় হিন্দ।
বন্দেমাতরম

🙏

২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসে শান্তিনিকেতন হোমস্টেতে আমরা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করে আসছি...
15/08/2026

২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসে শান্তিনিকেতন হোমস্টেতে আমরা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করে আসছি। এই দীর্ঘ পথচলায় আমাদের সঙ্গে ছোটু সবসময়ই থেকেছে, যেন পরিবারেরই একজন সদস্য।

হামিদ ভাইও শুরুর কয়েক বছর আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তারপর করোনার সময় ও পরবর্তী কয়েক বছর নানা কারণে তাকে পাশে পাইনি। তাই এ বছর স্বাধীনতা দিবসে তাঁকে আবার আমাদের মধ্যে ফিরে পেয়ে আনন্দটা যেন আরও বেড়ে গেছে।

স্বাধীনতা শুধু একটি দিনের উৎসব নয়, এটি একসঙ্গে থাকার, সম্পর্ককে আগলে রাখার এবং স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখারও উপলক্ষ। আজ পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে সেই দীর্ঘ দিনের সঙ্গ, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসার কথা আরও বেশি করে মনে পড়ছে।

সকলকে স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। 🇮🇳

জয় হিন্দ

🙏

আজ শেষ বিকেলে শান্তিনিকেতনের ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। পশ্চিমাকাশে সূর্য তখন ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে। দিগন্তজুড়ে ছড়িয়ে ছি...
10/08/2026

আজ শেষ বিকেলে শান্তিনিকেতনের ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। পশ্চিমাকাশে সূর্য তখন ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে। দিগন্তজুড়ে ছড়িয়ে ছিল কমলা, নীল আর কালচে মেঘের অপূর্ব রঙের খেলা। নিচে সবুজ ধানক্ষেত, জলভরা জমিতে আকাশের প্রতিবিম্ব, আর মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া গ্রামের সেই চেনা রাস্তা—সব মিলিয়ে যেন এক জীবন্ত জলরঙের ছবি।

এই ধরনের গোধূলি আমাকে সবসময় থমকে দেয়। মনে করিয়ে দেয় কত পথ পেরিয়ে এসেছি, কত মানুষ এসেছেন জীবনে, আবার হারিয়েও গেছেন সময়ের স্রোতে। কিছু স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, কিছু এখনও দিগন্তের ওপারে অপেক্ষা করছে। কিছু মানুষের কথা মনে পড়ে, যাদের সঙ্গে আর কথা হয় না; কিছু স্মৃতি ফিরে আসে, যাদের কোনো ঠিকানা নেই, তবু তারা মনের ভেতর চুপচাপ বাস করে।

আজ এই আকাশের দিকে তাকিয়ে আরও একটা কথা মনে পড়ছিল। দেখতে দেখতে দশটা বছর কেটে গেল। ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি যে ছোট্ট স্বপ্ন নিয়ে শান্তিনিকেতন হোমস্টের পথচলা শুরু হয়েছিল, আজ তা একাদশ বছরে পা দিয়েছে। এই দশ বছরে কত মানুষ এলেন, কত গল্প জমা হলো, কত হাসি, কত আনন্দ, কত বিদায় আর কত পুনর্মিলনের সাক্ষী রইল এই বাড়ি। অনেক অতিথি আজ আর শুধু অতিথি নন, তাঁরা আমাদের পরিবারেরই অংশ হয়ে গেছেন।

গ্রামের এই নির্জন আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে মনে হলো, সময়ও যেন এই রাস্তার মতোই—নিঃশব্দে এগিয়ে চলে। আমরা শুধু পথিক। কেউ কিছুটা পথ পাশাপাশি হাঁটি, তারপর আবার যে যার গন্তব্যে চলে যাই। কিন্তু কিছু মুহূর্ত, কিছু মানুষ, কিছু সন্ধ্যা আমাদের ভেতরে চিরকাল থেকে যায়।

আজকের এই গোধূলি যেন সেই দশ বছরের পথচলারই এক নীরব উদ্‌যাপন। প্রকৃতি যেন নিজেই রঙের তুলিতে লিখে দিল—স্বপ্ন যদি আন্তরিক হয়, তবে তারও শিকড় গজায়, ডালপালা মেলে, আর একদিন সে নিজেই হয়ে ওঠে অনেক মানুষের আশ্রয়।

দিনের শেষে অন্ধকার নামে ঠিকই, কিন্তু দিগন্তে কিছু আলো থেকে যায়। সেই আলো নিয়েই শুরু হয় পরের দিনের পথচলা।

শান্তিনিকেতন হোমস্টে
সিঙ্গি গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান
১০ আগস্ট ২০২৬, গোধূলিবেলা

31/07/2026

আজ বিকেলে, শান্তিনিকেতনের বড় বাগানে

একটি ফুলের ভেতর ছোট্ট একটি পৃথিবীশান্তিনিকেতন হোমস্টের বাগানে প্রায়ই কিছু অতিথি আসেন। কেউ আকাশ দেখতে, কেউ ছবি তুলতে, কেউ...
20/07/2026

একটি ফুলের ভেতর ছোট্ট একটি পৃথিবী

শান্তিনিকেতন হোমস্টের বাগানে প্রায়ই কিছু অতিথি আসেন। কেউ আকাশ দেখতে, কেউ ছবি তুলতে, কেউ বা শুধু একটু নিঃশ্বাস নিতে।

কিন্তু আজ সকালে আমার চোখ আটকে গেল একটি ছোট্ট কমলা রঙের ফুলের দিকে।

ফুলটি যেন নিজের সমস্ত সৌন্দর্য খুলে বসে আছে। কাছে গিয়ে দেখি, তার হৃদয়ের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছে দুটি ছোট্ট পিঁপড়ে। তারা মধু খুঁজছিল কি না জানি না, তবে তাদের দেখে মনে হচ্ছিল—পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ ঘরটি তারা এই ফুলের মধ্যেই খুঁজে পেয়েছে।

হঠাৎ মনে হলো, মানুষ যত বড় বড় বাড়ি বানায়, ততই যেন আশ্রয়ের অভাব বাড়ে। অথচ একটি ক্ষুদ্র ফুল—যার আয়ু মাত্র কয়েকটি দিন—সে-ই নিজের বুক খুলে বলে, "এসো, যতক্ষণ ইচ্ছে থেকো।"

সেই মুহূর্তে বুঝলাম, প্রকৃতির সবচেয়ে বড় পরিচয় তার সৌন্দর্য নয়, তার উদারতা।

এই বাগানের প্রতিটি ফুল শুধু ফোটে না; তারা কারও জন্য খাদ্য, কারও জন্য বিশ্রাম, কারও জন্য নিরাপদ আশ্রয় হয়ে ওঠে।

হয়তো আমাদের জীবনও এমনই হওয়া উচিত— কাউকে খুব বেশি কিছু দিতে না পারলেও, অন্তত এমন একটি হৃদয় হয়ে ওঠা, যেখানে ক্লান্ত কোনো প্রাণ একটুখানি নিশ্চিন্তে আশ্রয় নিতে পারে।

আজ এই ছোট্ট ফুলটি আমাকে সেটাই শিখিয়ে দিল।
🌼🐜

19/07/2026

ফলের প্রথম অধিকার

শান্তিনিকেতনের বড় বাগানে একটি চেরি গাছ আছে। এই সময় গাছটি যেন একসঙ্গে দুটি ঋতুর গল্প বলে। একদিকে রঙীন ফুলের কোমল হাসি, অন্যদিকে লাল টুকটুকে পাকা চেরির মিষ্টি আহ্বান। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, গাছটি যেন নিজেরই আনন্দে সাজিয়ে তুলেছে প্রকৃতির এক নীরব উৎসব।

ভোরের আলো ফুটতেই সেই উৎসবে এসে যোগ দেয় শালিক, বুলবুলি, দোয়েল, টিয়া, মৌটুসী আরো কত নাম না-জানা পাখি। তারা এক ডাল থেকে আরেক ডালে উড়ে বেড়ায়, ঠোঁট দিয়ে আলতো করে পাকা ফল তুলে নেয়। মাঝেমধ্যে ছোট ছোট পোকামাকড়ও তাদের অংশটুকু নিয়ে যায়। অনেকেই হয়তো ভাববেন, এত কষ্ট করে গাছ লাগিয়ে ফল ফলিয়ে যদি মানুষই না খেতে পারে, তবে লাভ কী?

কিন্তু আমার মনে হয়, এ প্রশ্নের উত্তর প্রকৃতি অনেক আগেই দিয়ে রেখেছে।

এই পৃথিবী কেবল মানুষের জন্য সৃষ্টি হয়নি। একটি গাছে যখন ফল ধরে, তখন সেখানে কোনো মালিকের নাম লিখে ফল পাকে না। গাছ শুধু তার দান বিলিয়ে দেয়। সেই দানের প্রথম দাবিদার তারাই, যারা এই বন-জঙ্গল, মাঠ-ঘাট, আকাশ আর বাতাসের চিরন্তন বাসিন্দা। পাখিরা ফল খেয়ে বীজ ছড়িয়ে দেয়, পোকামাকড় ফুলে পরাগায়ন ঘটায়, অসংখ্য অদৃশ্য প্রাণ মিলেই একটি বাস্তুতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে। আমরা মানুষ সেই বিশাল ব্যবস্থার কেবল একটি অংশ মাত্র—মালিক নই।

তাই যখন দেখি পাখিরা আমার গাছের চেরি খেয়ে নিচ্ছে, তখন মনে কোনও আক্ষেপ জন্মায় না। বরং মনে হয়, গাছটি তার প্রকৃত কর্তব্য পালন করছে। আমার হাতে বসানো একটি চারা আজ অসংখ্য প্রাণের খাদ্য হয়ে উঠেছে—এর চেয়ে বড় সার্থকতা আর কী হতে পারে?

আজকাল আমরা প্রকৃতিকে প্রায়ই ভোগের বস্তু হিসেবে দেখি। মনে করি, যা ফলবে সবই আমাদের। কিন্তু প্রকৃতি ভাগ করে নেওয়ার শিক্ষা দেয়। সে শেখায়, কিছু নিজের জন্য রেখে দিতে হয়, আর অনেকটাই অন্যের জন্য ছেড়ে দিতে হয়। যে মানুষ এই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, সে কখনও প্রকৃতির বিরুদ্ধে যায় না।

আমার চেরি গাছের অনেক ফলই হয়তো আমি খেতে পারি না। কিন্তু প্রতিটি ফল যখন কোনো ক্ষুধার্ত পাখির ঠোঁটে পৌঁছে যায়, তখন মনে হয়, এই বাগান সত্যিই জীবন্ত। সেখানে শুধু গাছ নেই, আছে সহাবস্থান; শুধু ফল নেই, আছে উদারতার পাঠ।

হয়তো মানুষের সভ্যতা আরও সুন্দর হবে, যদি আমরা মনে রাখি—প্রকৃতির প্রতিটি দানের উপর মানুষের আগে অধিকার সেইসব নীরব প্রাণের, যারা হাজার হাজার বছর ধরে এই পৃথিবীকে জীবন্ত রেখেছে। মানুষ যদি তাদের অংশটুকু সম্মান করতে শেখে, তবেই প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক হবে মালিকের নয়, সহযাত্রীর।

18/07/2026

একটা ছোট্ট চারা আর একটু বিশ্বাসের গল্প। 🌿

প্রায় তিন মাস আগে মেঝিয়ারির হাটে গিয়েছিলাম। সেখানেই কর্মকারদার কাছ থেকে কিনেছিলাম এই ছোট্ট চন্দন গাছের চারাটি।

সত্যি বলতে কী, বাড়িতে নিয়ে এসে আমার মনেই হয়েছিল—হয়তো আর বাঁচবে না। পাতাহীন, প্রাণহীন একটা সরু ডাল... দেখে বিশ্বাস করা কঠিন ছিল যে, একদিন এটাই সবুজে ভরে উঠবে।

কিন্তু কর্মকারদা শুধু একটাই কথা বলেছিলেন—
"বর্ষা এলেই দেখবেন, পাতা আসবে।"

আজ বর্ষার জলে ভিজে সেই চারাটার গায়ে একের পর এক কচি সবুজ পাতা ফুটেছে। কত বড় আনন্দ যে এই ছোট্ট পরিবর্তনে লুকিয়ে থাকে, তা গাছ ভালোবাসে এমন মানুষই বুঝবেন।

গ্রামবাংলার মাটির একটা অদ্ভুত গুণ আছে। এখানে বীজ শুধু গাছ হয় না, আশা হয়ে ওঠে। অপেক্ষা শুধু সময় কাটায় না, অলৌকিকতার জন্ম দেয়।

আজকের ভিডিও সেই ছোট্ট চন্দন চারার গল্প। হয়তো কয়েক বছর পরে এই গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে আমি আবার এই দিনের কথা মনে করব। তখন বলব—সব বড় গাছই একদিন এমনই নিঃশব্দ, অবহেলিত একটি ছোট্ট চারা ছিল।

আপনারা সবাই আশীর্বাদ করবেন, যেন এই চন্দন গাছ একদিন বিশাল হয়ে ওঠে। শুধু আমার বাগান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও রেখে যাক তার শীতল ছায়া আর সুগন্ধের উত্তরাধিকার।

🌱 একটা গাছ লাগানো মানে শুধু একটা চারা রোপণ নয়, ভবিষ্যতের কাছে ভালোবাসার একটি প্রতিশ্রুতি রেখে যাওয়া।

শহরের ব্যস্ততা থেকে একটু পালিয়ে আসবেন? 🌿সকাল থেকে রাত—হর্ন, ধোঁয়া, দৌড়, সময়ের পেছনে ছুটে চলা। কখন যেন নিজের জন্য বাঁ...
16/07/2026

শহরের ব্যস্ততা থেকে একটু পালিয়ে আসবেন? 🌿

সকাল থেকে রাত—হর্ন, ধোঁয়া, দৌড়, সময়ের পেছনে ছুটে চলা। কখন যেন নিজের জন্য বাঁচাটাই ভুলে গেছি আমরা।

তাই একদিন সময় বের করুন। চলে আসুন আমাদের শান্তিনিকেতন হোমস্টে-তে।

এখানে ভোর হয় পাখির ডাকে, বাতাসে মিশে থাকে ধানের গন্ধ, বিকেলে কাশফুলের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো নেমে আসে, আর রাত নামলে আকাশ ভরে ওঠে অসংখ্য তারায়।

এখানে নেই শহরের কোলাহল, আছে গ্রামের নির্ভেজাল শান্তি।
আছে মাটির টান, গাছের ছায়া, ঘরোয়া রান্নার স্বাদ আর আন্তরিক আতিথেয়তা।

যদি মনে হয় জীবনটা একটু ধীরে বাঁচতে চান, যদি নিজের মানুষদের সঙ্গে কিছু নির্ভেজাল সময় কাটাতে চান, তবে এই সফর আপনার জন্য।

একদিনের জন্য হলেও শহরকে ছুটি দিন।
নিজেকে ফিরিয়ে আনুন প্রকৃতির কাছে। 🌾

 # 🌾 এই পুজোয় আসুন সিঙি গ্রামের শান্ত নীড়ে—‘শান্তিনিকেতন হোমস্টে’-তে! 🌾শহরের কোলাহল, ট্রাফিকের জ্যাম আর চড়া আলোর রোশনাই ...
15/07/2026

# 🌾 এই পুজোয় আসুন সিঙি গ্রামের শান্ত নীড়ে—‘শান্তিনিকেতন হোমস্টে’-তে! 🌾
শহরের কোলাহল, ট্রাফিকের জ্যাম আর চড়া আলোর রোশনাই থেকে দূরে, এবারের পুজোটা কাটুক একটু অন্যভাবে। মাটির গন্ধ আর শিউলি ফুলের সুবাসে ঘেরা এক টুকরো শান্ত গ্রাম্য পরিবেশে আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত আমাদের **‘শান্তিনিকেতন হোমস্টে’**।
আমাদের হোমস্টেটি অবস্থিত **পূর্ব বর্ধমান জেলার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ সিঙি গ্রামে**। এখানকার শান্ত ও স্নিগ্ধ পরিবেশ আপনার পুজোর ছুটিটিকে করে তুলবে আরও মধুর ও স্মরণীয়।
# # # 🎨 আমাদের এই পুজো স্পেশাল আকর্ষণে কী কী থাকছে?
**৩০০ বছরের প্রাচীন পুজোর ঐতিহ্য:** আমাদের গ্রাম ও তার আশেপাশের অঞ্চলে এখনও বেশ কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়, যেগুলোর বয়স ৩০০ বছরেরও বেশি! ইতিহাসের সাক্ষী এই প্রাচীন পুজো মণ্ডপগুলোর সাবেকিয়ানার ছোঁয়া আপনার পুজোকে করে তুলবে অনন্য।
**লোকশিল্পের ছোঁয়া:
আমাদের কাছেই রয়েছে কাঠের পুতুলের জন্য বিখ্যাত নতুনগ্রাম। ছবিতে দেখতে পাওয়া কাঠের তৈরি অপূর্ব দুর্গা চালচিত্রের মতোই নান্দনিক সব লোকশিল্পের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পাবেন এখানে এসে।
**শান্ত ও নিরিবিলি পুজো:** সিঙি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখার এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
**আতিথেয়তা ও ঘরোয়া স্বাদ:** একদম ঘরের মতো যত্ন আর খাঁটি গ্রামীণ স্বাদের সুস্বাদু খাবার।
**সবুজ ও আরাম:** শহরের ভিড় এড়িয়ে দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ মাঠ আর মেঠো পথের ধারে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ।

📞 যোগাযোগ ও বুকিংয়ের জন্য:
**ফোন:** 7044791436
**ঠিকানা:** শান্তিনিকেতন হোমস্টে, সিঙি গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান।

Address

Village+post:singi
Katwa
713514

Telephone

07044791436

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shantiniketan Homestay posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share