Bangalir Safar

Bangalir Safar প্রকৃতিকে ভালোবাসুন প্রকৃতির সাথে থাকুন, প্রকৃতি কে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলুন।
(1)

30/05/2026

উত্তরাখণ্ডের বদ্রিনাথ রোড 🙏

🚩 মানা গ্রামের ইতিহাস, পৌরাণিক কাহিনী ও দেওয়াল চিত্র 🚩উত্তরাখণ্ডের বাদ্রিনাথ ধামের 3 কিমি দুরত্বে রয়েছে মানা গ্রাম।মানাগ...
30/05/2026

🚩 মানা গ্রামের ইতিহাস, পৌরাণিক কাহিনী ও দেওয়াল চিত্র 🚩

উত্তরাখণ্ডের বাদ্রিনাথ ধামের 3 কিমি দুরত্বে রয়েছে মানা গ্রাম।
মানাগ্রাম তার প্রাচীন বাণিজ্যের ইতিহাস এবং হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীর জন্য পরিচিত ।

একসময় এই মানাগ্রাম ভারত-তিব্বত বাণিজ্য পথের অংশ ছিল এবং এখানে ভুটিয়া সম্প্রদায়ের বাস, যারা এখনও তাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা চালিয়ে যাচ্ছেন।

হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, ঋষি বেদব্যাস এখানে মহাভারত রচনার জন্য যে গুহায় বসে মহাভারত বলেছিলেন তার গুহা আপনি মানাগ্রাম গেলেদেখতে পাবেন। এবং ঋষি বেদব্যাস এর কথা শুনে শুনে ভগবান গণেশ যে গুহার ভিতরে বসে তা লিখেছিলেন সেই গুহাটিও আপনি গেলে দেখতে পাবেন।

পাণ্ডবরাও স্বর্গে যাওয়ার পথে ভীম পুল নামক একটি পাথরের সেতু পার হয়ে মানার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন। এই কাহিনীগুলো মানাকে তার ইতিহাস এবং আধ্যাত্মিক উভয়ের জন্যই বিশেষ করে তুলেছে।
সাথে সাথে মানা গ্রামের প্রতিটি বাড়ির দেওয়ালের হিন্দু দেবদেবীর সুন্দর সুন্দর আঁকা ছবি যেগুলো এই মানাকে আধ্যাত্মিক জগতের এক অন্য জায়গায় নিয়ে গেছে।

Bangalir Safar

#মানাগ্রাম #বাদ্রিনাথ #বদ্রিনাথট্যুর

30/05/2026

উত্তরাখণ্ডের প্রায় 9 হাজার ফুট উচ্চতায় চোপতা বাজার ও তুঙ্গনাথ ট্রেকিং পয়েন্ট। এখানে বর্ষাকাল বাদে সারা বছরই দর্শনার্থীদের ও গাড়ির ভিড় লেগেই থাকে। দেখুন সেই চিত্র।

Bangalir Safar

#চোপতাবাজার

আচ্ছা ভালোভাবে দেখে চেষ্টা করে বলুন তো এই গুলো কি ফল ? এই ফলের ছবি গুলো কোলকাতায় তোলা।
30/05/2026

আচ্ছা ভালোভাবে দেখে চেষ্টা করে বলুন তো এই গুলো কি ফল ?
এই ফলের ছবি গুলো কোলকাতায় তোলা।

30/05/2026

বদ্রিনাথ যাওয়ার রাস্তা

🚩 বসুধারা জলপ্রপাত(মানাগ্রাম)/ Basudhara Waterfalls(Mana Village) 🚩বসুধারা জলপ্রপাত মানা থেকে প্রায় ৬ কিমি দূরে অবস্থিত...
30/05/2026

🚩 বসুধারা জলপ্রপাত(মানাগ্রাম)/ Basudhara Waterfalls(Mana Village) 🚩

বসুধারা জলপ্রপাত মানা থেকে প্রায় ৬ কিমি দূরে অবস্থিত এবং বলা হয় যে, পাণ্ডবরা তাঁদের শেষ যাত্রার বা স্বর্গ যাত্রার সময় এখানেই বিশ্রাম নিয়েছিলেন।
এই জলপ্রপাতটি প্রায় ৪০০ ফুট উচ্চতা থেকে পতিত হয় এবং মানা থেকে একটি Easy to Modetate ট্রেকের মাধ্যমে এখানে পৌঁছানো যায়। বিশ্বাস করা হয় যে, কেবল পবিত্র হৃদয়ের/মনের অধিকারীদের উপর বসুধারার জলের ফোঁটা স্পর্শ করে।।

মানা থেকে অলকানন্দার ভ্যালি বরাবর স্বার্গারোহিনী মার্গ ধরে 6 কিমি ট্রেক। এই ট্রেক পথে নর পর্বত, নারায়ণ পর্বত, বালাকুন পর্বত, সামান্য নীলকণ্ঠ পর্বত শৃঙ্গ ও সামান্য চৌখাম্বা পর্বত শৃঙ্গ দেখতে পাবেন।

ট্রেকের সেরা সময় হলো মে থেকে অক্টোবর মাস। ট্রেকের সময় সাথে জল রাখুন কারণ জল তেষ্টা খুব পায়। যাওয়া ও ফিরে আসা নিয়ে 4- 5 ঘন্টা সময় হাতে রাখুন। পৌরাণিক মতে
এই ট্রেক পথটি পাণ্ডবদের স্বর্গরোহিণী যাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত।

Bangalir Safar

#বসুধারা #বসুধারাজলপ্রপাত

যে সব সফরপ্রেমী এই গরমের মধ্য পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও পূর্ব মেদিনীপুর যাবেন ভাবছেন তারা এই সব অঞ্চলে প্রচুর কাজু চা...
30/05/2026

যে সব সফরপ্রেমী এই গরমের মধ্য পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও পূর্ব মেদিনীপুর যাবেন ভাবছেন তারা এই সব অঞ্চলে প্রচুর কাজু চাষ দেখতে পাবেন। এখন কাজু গাছে ফুল থেকে ফল আসার সময়। যারা এই গাছ দেখেননি তাদের জন্য কয়েকটি ছবি ও তথ্য দিলাম।
এই বাগানটি ঝাড়গ্রাম থেকে খোয়াবগাঁও যাওয়ার পথে।

কাজু তো আপনারা সকলেই খেয়েছেন কখনো কাঁচা ও কখনো পাঁকা। কাঁচা কাজু রান্না বা ভেজেও অনেকে খায় তবে কাঁচা কাজু না খাওয়াই ভালো। কারো কারো এলার্জি হয়ে যায়।
তবে হলুদ/লাল রঙের পাকা তুলতুলে কাজু ফল মিষ্টির সাথে সাথে হালকা কস ও থাকে। যারা খেয়েছেন তারা জানে। আমরা একসময় সব বন্ধুরা মিলে খেয়ে খেয়ে মুখ ভারী করে বাড়ি ফিরতাম।
এই দিকে শুকনো সাদা রঙের পাকা কাজু খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণ ও রয়েছে। যেমন কাজু খেলে
● চুলের বৃদ্ধি বাড়ে,
● চোখের জ্যোতি বাড়ায়,
● হৃদযন্ত্র সবল রাখে,
● রক্তের সমস্যা দূর করে,
● হাড় মজবুত করে।
● হজম শক্তি বাড়ায়।
● রক্তের সমস্যা দূর করা ছাড়াও নানাবিধ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাই এর চাহিদাও যেমন বেশি দামও তেমন বেশি।

লেখা ও ছবি - Bangalir Safar

#কাজু #কাজুবাদাম #কাজুবাদামগাছ

29/05/2026

চোপতা ভ্যালিতে দর্শনার্থীদের গাড়ির লম্বা লাইন যা প্রায় সারা বছরই থাকে।

29/05/2026

উত্তরাখণ্ডের চোপতা ভ্যালি এলাকা।

⭕  কেন্দ // কেন্দ পাতা // কেন্দ গাছ// বিড়ি পাতা  ⭕রোদ - গরম সহনশীলতা বাড়াতে চান ? তাহলে কেঁদ সম্বন্ধে জেনে রাখুন।জঙ্গলমহ...
29/05/2026

⭕ কেন্দ // কেন্দ পাতা // কেন্দ গাছ// বিড়ি পাতা ⭕

রোদ - গরম সহনশীলতা বাড়াতে চান ? তাহলে কেঁদ সম্বন্ধে জেনে রাখুন।
জঙ্গলমহলের প্রত্যেকেই জানে কেঁদ কি ? যে জানে সেই বুঝে। গাছের পাকা কেঁদ দেখলেই জিভে জল চলে আসে তা কি শৈশব কি বার্ধক্য সবার, লকপক করে মন সুস্বাদু স্বাদ ও গন্ধের জন্য।
গ্রাম্য মতে গাছটির তাপ সহনশীলতা প্রচুর, রোদ ও তাপ থেকে বাঁচতে কেঁদের জুড়ি মেলা ভার। যত বেশি খাবেন তত বেশি রোদ ও তাপ সহ্য করতে পারবেন। এই মিষ্টি সুস্বাদু ফলটি ফাল্গুন মাস থেকে জ্যেষ্ঠ মাস পর্যন্ত পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রজাতির গাছ থাকায় কেঁদ পাকার সময় এক থাকে না।
● শুধু পাকা কেঁদ সুস্বাদুর জন্যই বিখ্যাত নয় এর কয়েকটি ওষুধি গুন ও রয়েছে। পাকা কেঁদের বীজ বা কেঁদ ভাতি শুকনো করে কয়েক মাস খেলে ব্লাড সুগার আটকানো যায়।
● পাকা শুকনো কেঁদ ঢেঁকিতে কূটে কেঁদ কুড়া করে অনেক দিন রেখে খাওয়া যায় এর পুষ্টিগুণ প্রচুর এবং বাচ্চাদের প্রিয় খাবার।
● গাছটির ছালের উপর কালো ঠিক কয়লার মতো একটি আবরণ থাকে ওটা আগুনের উপর দিলে ফুটফাট শব্দ হয়। এইগুলি গুঁড়ো করে রেখে দিয়ে কাঁকড়াবিছা কামড়ের উপর দিলে কাঁকড়াবিছার বিষ নষ্ট হয়ে জ্বালা কমে যায়।
● ছোট কেঁদ গাছের পাতা বিড়ি তৈরির প্রধান উপাদান। বহু মানুষ এর উপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
● তরঙ্গায়িত মালভূমি অঞ্চলের এখনো অনেক জায়গাতে কেউ মারা গেলে তার প্রেতাত্মাকে তাড়ানোর জন্য ঝাটার সাথে কেঁদ-জুমড়া দেওয়া হয়। আগেকার দিনে কেঁদের এত উপকারিতার জন্যই হয়তো অনেক গ্রামের নামের সাথে কেঁদ জুড়ে দেওয়া হয়েছে যেমন - কেঁদবণী, কেঁদিশোল, কেঁদডুবি, কেঁদডু্ংরি, কেঁদডাঙ্গা, কেঁদকানালি, কেন্দুয়াডি, কেন্দুয়া আরও কত কি।
তরঙ্গায়িত মালভূমি অঞ্চলে বিশেষত জঙ্গলমহলের বেলপাহাড়ি, বারিকুল, ঝিলিমিলি , পুরুলিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চলে, ঝাড়খণ্ডের কিছু কিছু অঞ্চলে,মাধ্যপ্রদেশেও পাওয়া যায়।
যত খুশি খান কোনো সমস্যা নেই , বড় গাছ অক্সিন, ভিটামিন , কেমিক্যাল কিছুই প্রয়োগ হয় না।

👉 কেন্দ গাছের কুঁড়ি ও ফুলের সময় মার্চের শেষ থেকে এপ্রিলের শেষ। কেঁদ পাকা শুরু হয় মে- জুলাই।
মহুলের ফল কচড়ার সময় এপ্রিলের শেষ থেকে মে মাসের শেষ।

👉 #কোথায়_কেন্দ_বেশি
জঙ্গলমহলের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কেন্দ গাছের দেখা গেলেও নিচের কয়েকটি অঞ্চলে বেশি দেখা যায়।
1) বাঁকুড়ার বারিকুল , খাতরা ও ঝিলিমিলি অঞ্চলে।
2) বাঁকুড়ার বড়দি পাহাড় সংলগ্ন অঞ্চলে।
3) ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি অঞ্চলে।
4) পুরুলিয়ার বান্দোয়ান , অযোধ্যা পাহাড় সংলগ্ন অঞ্চলে।

⭕️ #কিভাবে_দেখতে_যাবেন
হাওড়া,ধর্মতলা, শিয়ালদা,কারুনাময়ী বাসে/ট্রেনে/গাড়িতে করে বাঁকুড়া/পুরুলিয়া/ঝাড়গ্রাম/টাটা/পুরুলিয়া। ওখান থেকে বাসে বা গাড়িতে সোজা কেন্দ গাছের কাছে।

👉 #সতর্ক_বার্তা- গাছে হাত না দেওয়াই ভালো।

লেখা ও ছবি - Bangalir Safar

#কেন্দ #কেঁদ #কেঁদপাকা #কেন্দ্গাছ
#গাছ_লাগান_প্রাণ_বাঁচান

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangalir Safar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bangalir Safar:

Share