Bangalir Safar

Bangalir Safar প্রকৃতিকে ভালোবাসুন প্রকৃতির সাথে থাকুন, প্রকৃতি কে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলুন।
(1)

সূর্যাস্তের সময় তালসারি
31/07/2026

সূর্যাস্তের সময় তালসারি

31/07/2026

চোপতা(তুঙ্গনাথ) থেকে গোপেশ্বর যাওয়ার পথে গভীর অরণ্য(কেদারনাথ অভয়ারণ্য) পার করার সময়।

Bangalir Safar

#কেদারনাথঅভয়ারণ্য #কেদারনাথঅভয়ারণ্যচোপতা

আর্থিক উপার্জনের জন্য পাহাড়ের মানুষ এই গাছের প্রচুর চাষ করেন। মনে করে বলুন তো আপনি এই গাছ কোথায় দেখেছেন ও কি নাম ?
31/07/2026

আর্থিক উপার্জনের জন্য পাহাড়ের মানুষ এই গাছের প্রচুর চাষ করেন। মনে করে বলুন তো আপনি এই গাছ কোথায় দেখেছেন ও কি নাম ?

এই বর্ষায় জঙ্গলমহলের বারিকুল যাওয়ার পথে।
31/07/2026

এই বর্ষায় জঙ্গলমহলের বারিকুল যাওয়ার পথে।

30/07/2026

চোপতা(তুঙ্গনাথ) থেকে গোপেশ্বর যাওয়ার পথে গভীর অরণ্য(কেদারনাথ অভয়ারণ্য) পার করার সময়।

⭕ ডিরুগড়(Dibrugarh)–মেচুকা(Mechuka)–আনিনি(AnniNi) ট্যুর প্ল্যান ⭕👉 প্রথম দিন(Day1) আজ Dibrugarh থেকে Along (Aalo) যাওয়া।...
30/07/2026

⭕ ডিরুগড়(Dibrugarh)–মেচুকা(Mechuka)–আনিনি(AnniNi) ট্যুর প্ল্যান ⭕

👉 প্রথম দিন(Day1)
আজ Dibrugarh থেকে Along (Aalo) যাওয়া।
Dibrugarh ল ব্রহ্মপুত্র পার হয়ে Arunachal Pradesh এ প্রবেশ। 200 কিমি মতো রাস্তা গাড়িতে যেতে সময় লাগবে 5 ঘন্টা মতো। পাহাড়ি রাস্তার সুন্দর ভিউ উপভোগ করতে করতে Along( আলো) পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন।
রাত্রিবাস(Night Stay)- Along(আলো)।

👉 দ্বিতীয় দিন(Day 2)
আজ সকালে নাস্তার পর ফ্রেশ হয়ে Along থেকে
Mechukaর উদ্দেশ্যে রওনা।
আলো থেকে 200 কিমি যেতে 8 ঘন্টা মতো সময় লাগে মেচুকা যেতে। মেচুকা যাওয়ার পথে পাহাড়, নদী, ছোট ছোট গ্রাম এবং অসাধারণ ল্যান্ডস্কেপ দেখে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন।
দুপুর/বিকেলে Mechuka পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন।
রাত্রিবাস(Night Stay)- মেচুকা (Mechuka)।

👉 তৃতীয় দিন(3rd day)
আজ মেচুকাতে Local Sightseeing অর্থাৎ
Mechuka ভ্যালির বিভিন্ন স্পট ঘোরা।
● Samten Yongcha
● Monastery
● Mechuka Valley View
● Siyom River
● Hanging Bridge
● Local Village Walk
রাত্রিবাস(Night Stay)-মেচুকা(Mechuka)

👉 চতুর্থ দিন(Day 4)
সকালে Mechuka থেকে Along(আলো) ফেরা।
পথে সুন্দর পাহাড়ি দৃশ্য উপভোগ করতে করতে 200 কিমি ফেরত আসতে সময় লাগবে ঘন্টা 7-8 মতো।
রাত্রিবাস(Night Stay)-Aalo(আলো)

👉 পঞ্চম দিন(Day 5) Along → Roing
আজ সকালে ফ্রেশ হয়ে Along(আলো) থেকে Roing এর উদ্দেশ্যে রওনা।
দীর্ঘ কিন্তু অত্যন্ত সুন্দর 200 কিলোমিটার জার্নি আপনার মনে লাগবে। আলো থেকে রোয়িং যেতো ঘন্টা 7-8 মতো সময় লাগবে।
Roing পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন।
রাত্রিবাস(Night Stay)- রোয়িং (Roing)

👉 ষষ্ঠ দিন(Day 6)
Roing → Anini
আজ সকালে ফ্রেশ হয়ে রোয়িং থেকে Anini এর উদ্দেশ্যে যাত্রা।
পথে পাহাড়, জঙ্গল ও নদীর অসাধারণ দৃশ্য দেখতে দেখতে 220 কিমি পথ পৌঁছতে 8-10 ঘন্টা মতো সময় লাগবে। এবং পৌঁছতে বিকেল/সন্ধ্যা হয়ে যাবে। পৌঁছে হোটেলে রাত্রিবাস অনিনিতে।
Night Stay : Anini

👉 সপ্তম দিন(Day 7)
Anini → Dirifi River(Emuli Grassland)
আজ সকালে ফ্রেশ হয়ে Anini থেকে Dirifi এর দিকে যাত্রা।
Emuli Grassland, Dirifi River এলাকা ঘোরা।
(Visit bruni & mathu
বিকেলে Anini লোকাল ঘোরা।
রাত্রিবাস(Night Stay)-অনিনি(Anini)

👉 অষ্টম দিন(Day 8)
Anini → Tezu
সকালে ফ্রেশ হয়ে অনিনি থেকে রোয়িং হয়ে Tezu এর উদ্দেশ্যে রওনা।
দীর্ঘ 10 ঘন্টা পাহাড়ি রাস্তার সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করতে করতে তেজু পৌঁছান।
রাত্রিবাস(Night Stay)-তাজু (Tezu)।

👉 নবম দিন(Day 9)
Tezu → Dibrugarh
সকালে Tezu থেকে ফিরে আসা Dibrugarh ।
ট্যুর সমাপ্ত।

বিশদে জানতে যোগাযোগ করতে পারেন রতন দার সাথে।
রতন দাস- +919088287170

Bangalir Safar

#আনিনি #মেচুকাভ্যালি #অরুণাচলপ্রদেশট্যুর

⭕ উত্তর পূর্ব ভারতের সুইজারল্যান্ড "মেচুকা" ভ্রমন প্ল্যান ⭕    উত্তর পূর্ব ভারতের সুইজারল্যান্ড "মেচুকা" অরুণাচল প্রদেশে...
30/07/2026

⭕ উত্তর পূর্ব ভারতের সুইজারল্যান্ড "মেচুকা" ভ্রমন প্ল্যান ⭕


উত্তর পূর্ব ভারতের সুইজারল্যান্ড "মেচুকা" অরুণাচল প্রদেশের শি-ইয়োমি জেলায় অবস্থিত,মেচুকা ম্যাকমোহন লাইন থেকে প্রায় ২৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত,যা ভারতকে চীনের তিব্বত অঞ্চল থেকে পৃথক করে।অরুণাচল প্রদেশের এই লুকোনো স্বর্গটি তার কল্পনাতীত সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য পরিচিত। তাই যদি আপনি উত্তর-পূর্ব ভারতের সবচেয়ে মনোরম প্রাকৃতিক স্থান খুঁজছেন, তাহলে আপনার জীবনে অন্তত একবার মেচুকা ভ্রমণের কথা বিবেচনা করা উচিত।
বিশাল তৃণভূমি,তুষারাবৃত পাহাড়,ঢেউ খেলানো বাদামী পাহাড়,চিরসবুজ পাইন বন,বন্যভাবে ছুটে চলা মনোরম ঘোড়া, রহস্যময় নিচু মেঘ,নীল আকাশ এবং আনন্দের সাথে বয়ে চলা সিওম নদী সহ মেচুকা যেনো একটি কল্পনার জগতের দৃশ্যপট।

🚩মেচুকা কিভাবে পৌঁছাবেন?
ভারত এবং চিনের বর্ডার এর শেষ গ্রাম হওয়ায়,এখানে সরাসরি বিমান ও রেল যোগাযোগ নেই। মেচুকা পৌঁছানোর একমাত্র সর্বোত্তম উপায় হল সড়কপথ।
নিকটতম বিমানবন্দর ডিব্রুগড় (সেখান থেকে প্রায় 400কিমি) এবং নিকটতম রেলস্টেশন হল শিলাপাথর (প্রায় 330 কিমি)। উভয় স্থান থেকে,ক্যাব বা বাসে প্রবেশদ্বার শহর আলোতে( Aalo) যেতে হবে। আলো থেকে মেচুকা ব্যক্তিগত ক্যাব বা শেয়ার্ড ট্যাক্সির মাধ্যমে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে প্রায় 7 ঘন্টা গাড়ি চালিয়ে যেতে হবে।

🚩 মেচুকায় থাকার জায়গা :
মেচুকায় থাকার ব্যবস্থা সীমিত হলেও,উপত্যকায় সাম্প্রতিক পর্যটকদের আগমনের কারণে অনেক পরিবার তাদের নিজেদের বাড়িতেই হোমস্টে খুলেছে এবং তারা যথেষ্ট আরামদায়ক থাকা ও খাবার ব্যবস্থা করে। স্থানীয় পরিবারের সাথে থাকা এই অঞ্চলের সংস্কৃতি অনুভব করার সর্বোত্তম উপায়।

🚩 মেচুকা ভ্রমণের সেরা সময়
সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত আবহাওয়া মনোরম থাকে। যদি আপনি নভেম্বর মাসে মেচুকা ভ্রমণ করেন, তাহলে আপনি মেচুকা অ্যাডভেঞ্চার ফেস্টিভ্যাল দেখার সুযোগ পাবেন। ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসে তুষারপাত হয় যা মেচুকাকে আগের চেয়েও সুন্দর করে তোলে।

🚩 অ্যাডভেঞ্চার অ্যাক্টিভিটিস
উঁচু পাহাড়ের উপর দিয়ে ট্রেকিং এবং হাইকিং করতে পারেন। জলপ্রেমীরা রাফটিং করতে পারেন এবং সিওম নদীতে মাছ ধরার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন। সবুজ গালিচার মধ্যে ক্যাম্পিং করতে পারেন। সম্পূর্ণ নীরবতার সাথে চারিদিক ঘেরা পাহাড়ের মাঝে সবুজ গালিচা মন শান্ত করে দিতে বাধ্য।

🚩 মেচুকা থেকে দর্শণীয় কিছু স্থান
👉 হনুমান ক্যাম্প
পাহাড়ের গায়ে একটি দৃশ্যপট যা হনুমানের মতো মুখের আকৃতি গঠন করেছে। কাছাকাছি হনুমান মন্দিরও নির্মিত হয়েছে। প্রাকৃতিক স্থাপত্যটি সম্ভবত ক্ষয়ের কারণে হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় পুরাণে ভগবান রামের একনিষ্ঠ ভক্তের মুখের সাথে এটির সত্যিকার অর্থে সাদৃশ্য থাকায় এটি সমস্ত পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ম্যাকমোহন লাইনের আগে এটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর শেষ স্থায়ী শিবিরও। সীমান্তরেখাটি চীনের তিব্বত অঞ্চল এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলকে পৃথক করে।

👉 গুরু নানক তপোস্থান ও গুরুদ্বার
কথিত আছে,তিব্বত যাওয়ার পথে গুরু নানক এই স্থানে ধ্যান করেছিলেন। সিওম নদীর ধারে তাঁর সম্মানে (ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বারা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়) দুটি গুরুদ্বার নির্মিত হয়েছিল। স্থানীয় একটি গল্প আছে যে গুরু নানক একবার ধ্যান করার সময় একটি বন্য ভালুক দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু যে বিশাল পাথরের নীচে তিনি ধ্যান করছিলেন তা তাকে উপরে তুলে ধরে রক্ষা করেছিল। আরেকটি গল্পে বলা হয়েছে যে গুরু নানক একবার নদী পার হতে চেয়েছিলেন কিন্তু একটি বিশাল পাথর তার পথে দাঁড়িয়ে ছিল তাই, পাথরটি দুই ভাগ হয়ে যায়, যার ফলে তার জন্য একটি পথ তৈরি হয়। এই পাতলা পথটি এখনও পাওয়া যায়। বলা হয় যে, কেবলমাত্র সত্য হৃদয়ের অধিকারীরাই এই পথ দিয়ে যেতে পারেন, তাদের শরীরের আকার যাই হোক না কেন।
দ্বিতীয় গুরুদ্বারার কাছে একটি সুন্দর জলপ্রপাতও রয়েছে যেখানে গুরু নানক স্নান করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়।

👉 সামটেন ইয়ংচা মঠ :
এই মঠটি ১৪ শতকে মেচুকা উপত্যকার পশ্চিম প্রান্তে একটি পাহাড়ের চূড়ায় নির্মিত হয়েছিল। বড় যানবাহন উপরে উঠতে পারে না যদিও ছোট যানবাহনগুলি পুরো পথ যেতে পারে। পাহাড়ে হেঁটে উঠতে হয় কিছুটা। লম্বা পাইন গাছে ঢাকা রাস্তাটি খুবই সুন্দর। উপর থেকে নিচে উপত্যকাটিকে হাতে আঁকা কল্পনার ছবির মতো দেখায় আর নীলাভ সিওম নদী উপত্যকা ভেদ করে বয়ে চলেছে।
প্রাচীন মঠটিতে গুরু পদ্মসম্ভবের সুন্দর মূর্তি, মুখোশ এবং ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র রয়েছে। ৪০০ বছরের পুরনো এই মঠটি একটি দ্বিতল ভবন। সম্পূর্ণ কাঠ দিয়ে তৈরি এবং এর মধ্যে এক ঐশ্বরিক প্রাচীনকালের আকর্ষণ রয়েছে। ভেতরে কিছু প্রাচীন পাথরের শিলালিপি সংরক্ষিত আছে। বিশ্বাস করা হয় যে মঠটি তাওয়াং মঠের চেয়েও পুরনো এবং স্থানীয় লোকেরা এটি রক্ষণাবেক্ষণ করে। এটি স্থানীয় এবং পর্যটক উভয়ের জন্যই সবচেয়ে বেশি পরিদর্শন করা স্থানগুলির মধ্যে একটি।

👉 জোগচেন সামটেন চোয়েলিং মঠ
নতুন মঠটি শহরের খুব কাছে অবস্থিত। কিন্তু পুরনোটির মতো অতোটা মনোমুগ্ধকর ঐশ্বরিক পরিবেশ নেই।

👉 দর্জিলিং গ্রাম
মেচুকা শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দর্জিলিং একটি মনোরম গ্রাম যেখানে ছোট ছোট কাঠের ঘর, খামার এবং নীল সিওম নদীর জলধারা রয়েছে। এটি কোনও পর্যটন কেন্দ্র নয়। তবে একটি অদ্ভুত ছোট্ট গ্রাম যেখানে বসে পরম শান্তিতে আশেপাশের পরিবেশ উপভোগ করা যায়। গ্রামে একটি ছোট বৌদ্ধ মঠ রয়েছে।

👉 সিকা ডিডো জলপ্রপাত
সিকো ডিডো জলপ্রপাত হল একটি সুউচ্চ জলপ্রপাত, এখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব সুন্দর।

👉 কাঠের সেতু এবং বন্য ঘোড়া :-
মেচুকা উপত্যকার আশেপাশের একটি সাধারণ দৃশ্য কিন্তু তাও অসাধারন। উপত্যকায় বন্য ঘোড়াদের অলসভাবে চরতে দেখা যায়। স্টিলের তার দিয়ে আটকে রাখা কাঠের সেতুগুলি ফটোগ্রাফারদের জন্য এক পরম আনন্দের বিষয়। আর সাথে সর্বদা সিওম নদীর উপর সুন্দর পাহাড়গুলি আপনার জন্য অপেক্ষারত।

🚩কি কি উপজাতি দেখা যায়
মেচুকা উপত্যকায় রামো (আদি), মেম্বা, বোকার এবং লিবো উপজাতির লোকদের আবাসস্থল। তাদের তিব্বতি-মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত বলে মনে করা হয়। তারা বৌদ্ধধর্ম, দোনি-পোলোইজম এবং খ্রিস্টধর্মের মতো বিভিন্ন ধর্ম অনুসরণ করে। আর মেম্বারা আদি হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষায় কথা বলে।

👉 ফেরার সময় পারলে বোগিবিল ঘাট থেকে ফেরি করে ডিব্রুগড়ে পৌঁছাবেন। বিশাল ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর সূর্যের ডুব দেওয়া দেখতে দারুণ লাগবে।

🔷🔹 মনে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি
👉অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ এবং ভ্রমণের জন্য ইনার লাইন পারমিট (ILP) অপরিহার্য। এগুলি সহজেই আগমনের সময় বা অনলাইনে পাওয়া যায়।
👉মোবাইল নেটওয়ার্ক খুব একটা পাওয়া যায় না। শুধুমাত্র একটি BSNL টাওয়ার আছে, যা মাঝে মাঝে কাজ করে না। জরুরি পরিস্থিতিতে শহরে মাত্র একটি PCO আছে।
👉গরম কাপড় এবং উপযুক্ত জুতা সঙ্গে রাখুন। শীতকালে তুষারপাতের সাথে পারদ তাপমাত্রা শূন্যের নিচে নেমে যায়।
👉মূলত তিব্বতি খাবার পাওয়া যায়। তবে শহরে আরও কিছু বিকল্প থাকতে পারে। যদি আপনার খাবারের পছন্দ সীমিত থাকে তবে কিছু রেডি-টু-ইট খাবার সাথে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
👉যাওয়ার আগে নগদ টাকা সাথে রাখা ভালো।
ধন্যবাদ 🙏
অরুণাচল সফর বিষয়ে জানতে আপনারা রতন দার সাথে কথা বলতে পারেন। রতন দা অরুণাচল সফর অনেকবার করেছেন ও এখনো করান।
Ratan Das - +919088287170

#মেচুকা #মেচুকাসফর

আপনার মতামত কি ?পাহাড়ের উচ্চ উচ্চতায় উঠার আগে বাজারে চকলেট দোকান বেশি থাকে কেন ? বা পাহাড়ে উচ্চ উচ্চতায় চকলেট বেশি কেন প...
30/07/2026

আপনার মতামত কি ?
পাহাড়ের উচ্চ উচ্চতায় উঠার আগে বাজারে চকলেট দোকান বেশি থাকে কেন ? বা পাহাড়ে উচ্চ উচ্চতায় চকলেট বেশি কেন প্রয়োজন ?

মনে করে বলুন দেখি এই খান্ডা জলপ্রপাত(khanda waterfall) কোথায় রয়েছে ?
30/07/2026

মনে করে বলুন দেখি এই খান্ডা জলপ্রপাত(khanda waterfall) কোথায় রয়েছে ?

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangalir Safar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bangalir Safar:

Shortcuts

Share