29/06/2026
#বর্ষায়_মুকুটমণিপুরে
বর্ষায় সবুজের সমারোহে বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর ভ্রমণ।
তিন রাত ও দু দিন এর ট্যুর
যাওয়া: 09/07/26... রাতের চক্রধরপুর এক্সপ্রেস
ফেরা:11/07/26... বিকেলের রূপসী বাংলা করে
বর্ষার ঘন সবুজ সুতানের জঙ্গল দেখেছেন?
না না শীতের পাতা ঝরা সুতান নয়। এ যেন এক মোহময়ী সবুজের হাতছানি!
বর্ষায় সুতানের জঙ্গল ধরা দেয় এক অন্যরকম সৌন্দর্যে।
#মুকুটমণিপুরকে মনে হয় যেন অজানা কোনো গ্রাম। কংসাবতী ও কুমারী নদীর উত্তাল দৃশ্য সঙ্গে ড্যামের ওপর হাঁটার মজাই আলাদা।
সঙ্গে থাকছে #বিষ্ণুপুরের প্রাচীন ঐতিহ্যমন্ডিত #টেরাকোটা_মন্দির শহর ঘুরে দেখা। সঙ্গে অবশ্যই কিনতে পারেন বালুচরী ও স্বর্নচরী শাড়ি।
09/07/26...রাতের ckp exp ট্রেনে করে শুয়ে খুব ভোরবেলা পৌঁছে যাবো বাঁকুড়া ।
10/07...চা খেয়ে গাড়ি করে বেরিয়ে পড়বো #শুশুনিয়া_পাহাড়ের উদ্যেশ্যে। পথে ব্রেকফাস্ট।
পাহাড় এই বর্ষায় পিছল তাই পাহাড়ের পাদদেশে বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান দেখে ফিরবো হোটেলে।
মুকুটমণিপুরে থাকবো একরাত্রি। দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে ঘুরে দেখবো মুকুটমণিপুরকে। জল বেশী থাকায় বোটিং হয়তো বন্ধ থাকবে। কিন্তু সারাটা সন্ধ্যে কাটাবো ড্যামের ওপর।
বিকেলের চা স্ন্যাকস এখানেই হবে। সন্ধ্যেতে পায়ে পায়ে ফিরবো হোটেলের ঘরে।
11/07.... আজ চেক আউট করে সুতানের জঙ্গল দেখে ফিরবো বিষ্ণুপুরে।
আজ সারাদিনে দেখে নেবো নিন্মোক্ত বেশ কিছু প্রাচীন ঐতিহ্যমন্ডিত মন্দির।
বিষ্ণুপুরকে পুরনো দিনে "কৃষ্ণপুর" বলা হতো। এখানে মল্ল রাজাদের বানানো টেরাকোটার মন্দিরগুলোই মূল আকর্ষণ।
# # # *কৃষ্ণপুর/বিষ্ণুপুরের প্রধান মন্দিরের লিস্ট*
# # # # *1. রাসমঞ্চ*
- *বানিয়েছেন*: রাজা বীর হাম্বির, 1600 সাল
- *বিশেষত্ব*: সবচেয়ে পুরনো ইটের মন্দির। রাস উৎসবে এখানে সব বিগ্রহ আনা হয়। ছাতার মতো উঁচু পিরামিডাল টাওয়ার আছে।
# # # # *2. শ্যাম রায় মন্দির / পঞ্চরত্ন মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: রাজা রঘুনাথ সিংহ, 1643 সাল
- *বিশেষত্ব*: 5টা চূড়া আছে বলে পঞ্চরত্ন বলে। টেরাকোটায় কৃষ্ণলীলা, রামায়ণ-মহাভারতের দৃশ্য খোদাই করা।
# # # # *3. জোড়বাংলা মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: রাজা রঘুনাথ সিংহ দেব II, 1655 সাল
- *বিশেষত্ব*: দুটো বাংলো টাইপ চাল একসাথে জোড়া। কেশটো রায় মন্দির নামেও পরিচিত।
# # # # *4. মদনমোহন মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: রাজা দুর্জন সিংহ দেব, 1694 সাল
- *বিশেষত্ব*: একরত্ন স্টাইলের মন্দির। দেওয়ালে রামায়ণ-মহাভারতের দৃশ্য। এখনো পুজো হয়।
# # # # *5. মদন গোপাল মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: চূড়ামণি দেবী, 1665 সাল
- *বিশেষত্ব*: পঞ্চরত্ন স্টাইল, ল্যাটেরাইট পাথরে বানানো। বিষ্ণুপুরের একমাত্র পঞ্চরত্ন ল্যাটেরাইট মন্দির।
# # # # *6. মুরলী মোহন মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: চূড়ামণি দেবী, 1665 সাল
- *বিশেষত্ব*: একরত্ন স্টাইল। কৃষ্ণকে এখানে মুরলী মোহন রূপে পুজো করা হয়।
# # # # *7. লালজী মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: বীর সিংহ II, 1658 সাল
- *বিশেষত্ব*: রাধা-কৃষ্ণের মন্দির। স্টুকো কাজ আর টেরাকোটা কার্ভিং আছে।
# # # # *8. রাধা শ্যাম মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: চৈতন্য সিংহ, 1758 সাল
- *বিশেষত্ব*: একরত্ন স্টাইল। ফুল, জ্যামিতিক নকশা আর পুরাণের দৃশ্য আছে।
# # # # *9. রাধা গোবিন্দ মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: কৃষ্ণ সিংহ, 1729 সাল
- *বিশেষত্ব*: একরত্ন স্টাইল, ল্যাটেরাইট পাথরের।
# # # # *10. জোড় মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: রাজা গোপাল সিংহ দেব I, 1726 সাল
- *বিশেষত্ব*: তিনটে মন্দিরের কমপ্লেক্স। মাঝের মন্দিরে রামায়ণ আর কৃষ্ণলীলার খোদাই আছে।
# # # # *11. কালাচাঁদ মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: রাজা রঘুনাথ সিংহ, 1656 সাল
- *বিশেষত্ব*: একরত্ন স্টাইল, ল্যাটেরাইট পাথরে।
# # # # *12. নন্দলাল মন্দির*
- *সময়*: 17th শতাব্দী
- *বিশেষত্ব*: একটাই চূড়া, বাঁকা ছাদ।
# # # # *13. মৃন্ময়ী মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: রাজা জগৎ মল্ল, 997 সাল
- *বিশেষত্ব*: দুর্গা মন্দির। দুর্গা পুজো এখানে 15 দিন ধরে হয়। বিষ্ণুপুরের আর কোনো মন্দিরে পুজো শুরু হয় না যতক্ষণ না এখানে কামান দাগা হয়।
# # # # *14. রাধা মাধব মন্দির*
- *বানিয়েছেন*: চূড়ামণি দেবী, 1737 সাল
- *বিশেষত্ব*: ইটের মন্দির, বেস রিলিফ কার্ভিং আছে।
এই মন্দিরগুলো UNESCO-র Tentative World Heritage Site লিস্টে আছে। 2-3 ঘন্টায় কভার হয়ে যাবে।
মন্দির দেখা হলে আমরা লাঞ্চ সেরে নেবো। এরপর থাকবে বালুচরি শাড়ির কেনাকাটা (ঐচ্ছিক)
📌 #যাওয়া: 09/07/26... রাতের চক্রধরপুর এক্সপ্রেস
📌 #ফেরা:11/07/26... বিকেলের রূপসী বাংলা
📌প্যাকেজে থাকবে....
👉🏽 স্লিপার ক্লাস ট্রেনের ভাড়া
👉🏽 এক রাত হোটেলে থাকা
👉🏽 স্টেশন থেকে স্টেশন পিকাপ ড্রপ ও সাইটসিয়িং
👉🏽 ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ডিনার ও স্ন্যাকস
🚫 থাকবে না কোনো রকম এন্ট্রি দি
🚫 প্যাকেজ জল
🚫 ফেরার দিনের রাতের খাবার
🚫 প্যাকেজে বলা নেই এমন কোনো খরচ
👉🏽 এখনও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। ইচ্ছুক হলে যোগাযোগ করবেন।
7️⃣4️⃣3️⃣9️⃣1️⃣1️⃣9️⃣8️⃣6️⃣1️⃣ এই নম্বরে।