Road Miles

Road Miles Road Miles is for Motovloggs Tour & Travel & Biking On Roads & Adventure.

Kashi Vishwanath Mandir Kashi Dham and side Seen Details.
19/02/2026

Kashi Vishwanath Mandir Kashi Dham and side Seen Details.

Benaras famous lassi। বেনারসের বিখ্যাত লস্যি ।
18/02/2026

Benaras famous lassi। বেনারসের বিখ্যাত লস্যি ।

শ্রীচৈতন্য "সন্ন্যাসের" মতাদর্শী ছিলেন না.......!! গৌড়ীয় বৈষ্ণব-সম্প্রদায় ও সন্ন্যাস!!                    -ড.রাধাগোবি...
20/01/2026

শ্রীচৈতন্য "সন্ন্যাসের" মতাদর্শী ছিলেন না.......

!! গৌড়ীয় বৈষ্ণব-সম্প্রদায় ও সন্ন্যাস!!
-ড.রাধাগোবিন্দ নাথজী
……………………………………………………………………শ্রীমন্মহাপ্রভুর প্রবর্তিত গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে সন্ন্যাস এর রীতি প্রচলিত ছিল বলিয়া জানা যায়না I শ্রীমন্মহাপ্রভুর চরণাশ্রিত শ্রী রূপ-সনাতনাদি গৌড়ীয় বৈষ্ণব আচার্যগণের কেহই সন্ন্যাস গ্রহণ করেন নাই I গৃহ ত্যাগের পূর্বে তাহাদের মধ্যে যাঁহার যে নাম ছিল, গৃহ ত্যাগের পরেও তাহার সেই নামই ছিল এবং অদ্যাপিও সেই নামেই তিনি পরিচিত I যিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন সন্ন্যাস কালে কিন্তু তাহার আশ্রমোচিত নতুন নাম দেওয়া হয়, শ্রীমন মহাপ্রভুর চরণ- দর্শনার্থী শ্রী সনাতন গৃহ ত্যাগ করিয়া যখন বারাণসীতে গিয়ে উপনীত হইলেন , তখন মহাপ্রভুও সেই স্থানে ছিলেন I শ্রীপাদ সনাতন একবস্ত্রেই গিয়েছিলেন, স্নানান্তে আর্দ্র বসন পরিধান করিয়া আছেন দেখিয়া শ্রীল তপন মিশ্র তাহাকে একখানা নতুন বস্ত্র দিলেন ; সনাতন তাহা অঙ্গীকার করিলেন না I মিশ্রের ব্যবহৃত একখানা পুরাতন বস্ত্র চাহিয়া লইয়া তাহা চিরিয়া দুইখণ্ড করিলেন এবং একখন্ড কৌপীনের আকারে এবং অপরখন্ড বহির্বাসের আকারে ধারণ করিলেন I তপন মিশ্র ছিলেন গৃহস্থ I তাঁহার ব্যবহৃত বস্ত্র সন্ন্যাসীর বস্ত্রের ন্যায় রঞ্জিত ছিলনা I শ্রী সনাতন শ্রীকৃষ্ণমাত্রৈক- সর্বস্ব অকিঞ্চন বা নিষ্কিঞ্চনের বেশই ধারণ করিয়াছিলেন I গৌর চরণানুগত অন্যান্য বৈষ্ণবাচার্যগণও এইরূপ অকিঞ্চনই , কেহ সন্ন্যাসী ছিলেন না I
শ্রীমন্মহাপ্রভুও কাহাকেও সন্ন্যাস গ্রহণের উপদেশ দেন নাই I তপন মিশরের পুত্র রঘুনাথ ভট্র গোস্বামীকেও তিনি বিবাহ করতে নিষেধ করিয়াছিলেন এবং শ্রী বৃন্দাবনে যাইয়া শ্রীল রূপ- সনাতনের আশ্রয়ে থাকিতে আদেশ দিয়েছিলেন কিন্তু তাকে তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করিতে বলেন নাই I চৌষট্রি অঙ্গ সাধন ভক্তির উপদেশ প্রসঙ্গে প্রভু সন্ন্যাস এর উপদেশ দেন নাই, তিনি বরং বলিয়াছেন " জ্ঞান বৈরাগ্য ভক্তির কভু নহে অঙ্গI " - শ্রীচৈ, চ ২/২২/৮২ I শ্রীমন মহাপ্রভুর শিক্ষা এবং আদেশের অনুসরণ করিয়া বৈষ্ণবাচার্য গোস্বামিগণ ভক্তিরসামৃতসিন্ধু আদি ভজন পথপ্রদর্শক গ্রন্থাদি প্রকাশ করিয়াছেন I তাহাদের গ্রন্থেও কোনও স্থলেই সন্ন্যাস এর উপদেশ দৃষ্ট হয় না I প্রশ্ন হইতে পারে - শ্রী মহাপ্রভু সন্ন্যাস এর উপদেশ দেন নাই বটে কিন্তু প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সন্ন্যাস গ্রহণ নিষেধ করিয়াছেন কিনা?

বারাণসীতে শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামীর নিকটে অভিধেয়তত্ত্ব বর্ণন প্রসঙ্গে বৈষ্ণবাচার সম্বন্ধে মহাপ্রভু বলিয়াছেন- " অসৎ সঙ্গ ত্যাগ এই বৈষ্ণবাচার I স্ত্রী-সঙ্গী এক অসাধু , কৃষ্ণাভক্ত আর II এ সব ছাড়িয়া আর বর্ণাশ্রম ধর্ম I অকিঞ্চন হইয়া লও কৃষ্ণৈক-শরণ II " শ্রীচৈ,চ ২/২২/৪৫-৫০ I মহাপ্রভুর এই উপদেশে বৈষ্ণবের পক্ষে বর্ণাশ্রম ধর্ম ত্যাগের কথা পাওয়া যায় I বর্ণাশ্রম- ধর্ম বলিতে বর্ণধর্ম এবং আশ্রম ধর্ম বুঝায় I শাস্ত্রে চারিটি বিধান দৃষ্ট হয় - ব্রহ্মচর্য , গার্হস্থ্য, বাণপ্রস্থ ও সন্ন্যাস I
সন্ন্যাস হইতেছে চতুর্থ আশ্রম ধর্ম I শ্রীমদ্ভাভাগবতের একাদশ স্কন্দের অষ্টাদশ অধ্যায়েও সন্ন্যাসকে আশ্রম ধর্মের অন্তর্ভুক্ত করিয়া বর্ণনা করা হইয়াছে ঈ এই অধ্যায়ের টিকার প্রারম্ভে শ্রীপাদ বিশ্বনাথ চক্রবর্তী লিখিয়াছেন- " অষ্টাদশেহব্রবীদ্ধধর্মং বনস্থ-ন্যাসিনোঃ ক্রমাৎ I ভক্তস্যানাশ্রমিত্বঞ্চ ধর্মং সাধারণং তথা II অষ্টাদশ অধ্যায় ক্রমে বানপ্রস্থ এবং সন্ন্যাসের ধর্মের কথা বলা হইয়াছে I ভক্তের সাধারণ ধর্ম যে অনাশ্রমিত্ব, তাহাঁও বলা হইয়াছে I " উল্লিখিত বাক্যে শ্রীমন মহাপ্রভু বর্ণাশ্রম ধর্ম ত্যাগের কথা বলিয়াছেন , তাহাতেই চতুর্থ আশ্রমের সন্ন্যাস বর্জনের কথা জানা যায় ; শ্রীপাদ বিশ্বনাথ চক্রবর্তীর টীকাতেও "ভক্তস্যানাশ্রমিত্বঞ্চ" বাক্যে তাহাঁই বলা হইয়াছে I

এই প্রসঙ্গে শ্রীপাদ সনাতন গোস্বামীর একটি উক্তিও উল্লেখযোগ্য I মহাপ্রভুর পার্ষদ এবং অন্তরঙ্গ ভক্ত শ্রীপাদ জগদানন্দ পন্ডিত যখন বৃন্দাবনে গিয়েছিলেন , তখন একদিন তিনি শ্রীপাদ সনাতনকে আহারের জন্য নিমন্ত্রণ করিয়াছিলেন I মুকুন্দ সরস্বতী নামক কোন এক সন্ন্যাসী শ্রীপাদ সনাতনকে একখানা বহির্বাস দিয়েছিলেন , অবশ্য সনাতন ব্যবহার করতেন না , কিন্তু তিনি সেই বহির্বাস খানা মাথায় বাঁধিয়া জগদানন্দের নিমন্ত্রণ রক্ষা করিতে আসিলেন I তখন, " রাতুল বস্ত্র দেখি পন্ডিত প্রেমাবিষ্ট হইলা I মহাপ্রভুর প্রসাদ জানি তাঁহাকে পুছিলা II কাহা পাইলে এই তুমি রাতুল বসন ? মুকুন্দ সরস্বতী দিল কহে সনাতন I পন্ডিতের মনে দুঃখ উপজিল I ভাতের হাণ্ডি লইয়া তারে মারিতে আসিল II শ্রীচৈ,চ ৩/১৩/৫১-৫৩ I সনাতন লজ্জিত হইলেন I তাহা দেখিয়া জগদানন্দ পন্ডিত ভাতের হাড়ি "চুলোতে ধরিয়া " সনাতনকে বলিলেন - " তুমি মহাপ্রভুর হও পার্ষদ-প্রধান I তোমাসম মহাপ্রভুর প্রিয় নাহি আন II অন্য সন্ন্যাসীর বস্ত্র তুমি ধর শিরে I কোন ঐছে হয় ইহা পারে সহিবারে II তখন সনাতন বলিলেন - সাধু,পণ্ডিত মহাশয় I চৈতন্যের তোমাসহ প্রিয় কেহ নয় II ঐছে চৈতন্যনিষ্ঠা যোগ্য তোমাতে I তুমি না দেখাইলেই ইহা শিখিব কেমনে II যাহা দেখিবারে বস্ত্র মস্তকে বান্ধিলো I সেই অপূর্ব প্রেম প্রত্যক্ষ দেখিল II রক্ত বস্ত্র বৈষ্ণবের পরিতে না যুয়ায় I কোন পরদেশীকে দিব কি কাজ ইহায় II " -শ্রীচৈ,চ ৩/১৩/৫৫-৬০ I এ স্থলে শ্রীপাদ সনাতন বলিলেন " রক্তবস্ত্র বৈষ্ণবের পড়িতে না যুয়ায় I" মহাপ্রভু যে বর্ণের বহির্বাস ব্যবহার করেছেন , ইহা সেই বর্ণের বস্ত্র I কেননা ইহাকেই জগদানন্দ পন্ডিত মহাপ্রভুর প্রসাদ বলিয়া মনে করিয়াছিলেন I ইহা ছিল মুকুন্দ সরস্বতী নামক সন্ন্যাসীর বহির্বাস I সন্ন্যাসীরা যে বর্ণের বস্ত্র ব্যবহার করিতেন ইহাও ছিল সেই বর্ণের বস্ত্র I রক্ত অর্থ রঞ্জিত বা রং-করা I শ্রীপাদ সনাতনের উক্তি হইতে জানা গেল সন্ন্যাস গ্রহণ তো দূরে, সন্ন্যাসীরা যেরকম রঞ্জিত বস্ত্র পরিধান করেন তদ্রুপ বস্ত্র পরিধানও বৈষ্ণব এর পক্ষে কর্তব্য নহে I শ্রীপাদ সনাতনের উক্তি এবং আচরণ হইতে জানা গেল , যাহারা নিষ্কিঞ্চন বেশ ধারণ করেন , তাহাদের পক্ষেও রঞ্জিত বস্ত্রের ব্যবহার সঙ্গত নয় I উল্লেখিত আলোচনা হতে জানা গেল- শ্রীমন মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ নিষেধই করিয়াছিলেন , শ্রীপাদ সনাতনের অভিপ্রায়ও তদ্রুপই I শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের শ্রী চৈতন্যভাগবত ( অন্ত্য I তৃতীয় অধ্যায়) হইতে জানা যায় , শ্রী মহাপ্রভু নিজেকে উপলক্ষ্য করাইয়া শ্রীপাদ সার্বভৌম ভট্টাচার্যের মুখে সন্ন্যাসের ভক্তি ধর্ম বিরোধিতার কথা প্রকাশ করাইয়াছেন I

প্রভুর মায়ায় মুগ্ধ হইয়া সার্বভৌম প্রভুকে বলিয়াছেন -" বড়ই কৃষ্ণের কৃপা হইয়াছে তোমারে I সবে একখানি করিয়াছ অব্যভারে II পরাম সুবুদ্ধি তুমি হইয়া আপনে I তবে তুমি সন্ন্যাস করিলা কি কারণে II বুঝ দেখি বিচারিয়া কি আছে সন্ন্যাসে I প্রথমে বদ্ধ হয়ে অহংকার পাশে II দন্ড ধরি মহাজ্ঞানী হয় আপনারে I কাহারেও বোল হস্ত জোড় নাহি করে II যার পদধুলি লইতে বেদের বিহিত I হেন জন নমস্করে,তবু নহে ভীত II সন্ন্যাসী ধর্ম বা বলিব সেহও নহে I বুঝ এই ভাগবত যেন মত কহে II প্রণমেদ্দণ্ডবদ্ভূমাবাশ্বচাণ্ডালগোখরম I ঈশ্বরো জীবকলয়া প্রবিষ্টো ভগবানিতি II ব্রাহ্মণাদি কুকুর চণ্ডাল অন্ত করি I দণ্ডবৎ করিবেক বহু মান্য করি II এই সে বৈষ্ণব ধর্ম সভারে প্রণতি I সেই ধর্মধ্বজী , যার ইথে নাহি রতি II শিখাসূত্র ঘুচাইয়া সবে এই লাভ I নমস্কার করে আসি মহামহাভাগ II "
শ্রীমন মহাপ্রভু বলিয়াছেন তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা I অমানিনা মানদেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরি II কিন্তু চতুর্থ আশ্রম সন্ন্যাস এই উপদেশ পালনের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় এবং " নাহং বর্ণী না চ নরপতিঃ ("অশ্বমেধং গবালম্ভং সন্ন্যাসং পলপৈতৃকম। দেবরেণ সুতোৎপত্তিং কলৌ পঞ্চ বিবর্জয়েৎ।। " শ্রীচৈ,চ ১/১৭ এ ধৃত পুরান বচন ! " নাহং বিপ্রো ন চ নরপতির্নাপি বৈশ্যো ন শূদ্রো, নাহং বর্ণী ন চ গৃহপতির্নো বনস্থো যতির্বা ।কিন্তু প্রোদ্যন্নিখিলপরমানন্দপূর্ণামৃতাব্ধে-,র্গোপীভর্ত্তুঃ পদকমলয়োর্দাস-দাসানুদাসঃ ॥" পদ্যাবলীতে উক্ত শ্রীচৈতন্য মুখোদ্গীর্ণ II) " ইত্যাদি প্রভু কথিত সাধকের পরিচায়ক পূর্বোদ্ধৃত শ্লোকেরও বিরোধী হইয়া দাঁড়ায় I
প্রশ্ন হইতে পারে - " রামানুজ সম্প্রদায় এবং মধ্বাচার্য সম্প্রদায়ও তো বৈষ্ণব সম্প্রদায় I সন্ন্যাস যদি বৈষ্ণব ধর্মের প্রতিকূলই হইবে , তাহা হইলে এই দুই সম্প্রদায়ে সন্ন্যাসের রীতি দেখা যায় কেন?
উত্তরে বক্তব্য এই I উল্লিখিত সম্প্রদায়দ্বয় বৈষ্ণব হইলেও তাহাদের লক্ষ্য এবং সাধন গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের লক্ষ্য এবং সাধন হইতে ভিন্ন I তাহাদের লক্ষ্য হইতেছে মুক্তি কিন্তু গৌড়ীয় সম্প্রদায়ের লক্ষ্য - ব্রজে শ্রীকৃষ্ণের প্রেমসেবা; গৌড়ীয় সম্প্রদায় মুক্তি কামনা করেন না, মুক্তি কামনা হইতেছে এই সম্প্রদায়ের ভজন বিরোধী I সন্ন্যাস হইতেছে বর্ণাশ্রম ধর্মের অন্তর্ভুক্ত, নিষ্কামভাবে বর্ণাশ্রম ধর্মের অনুষ্ঠানে মুক্তিলাভ হইতে পারে, এজন্য তদ্রূপ সাধন - সুতরাং সন্ন্যাসও - উল্লিখিত সম্প্রদায়দ্বয়ের সাধনের এবং লক্ষ্যের বিরোধী নহে I কিন্তু তাহা গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের সাধনের বিরোধী , এজন্যই শ্রীমন মহাপ্রভু বর্ণাশ্রম ধর্ম ত্যাগের উপদেশ দিয়াছেন এবং ভক্তিরসামৃতসিন্ধুও বলিয়াছেন- " অন্যাভিলাসিতাশূন্যং জ্ঞান- কর্মাদ্যনাবৃতম I আনুকূল্যেন কৃষ্ণানুশীলনং ভক্তিরুত্তমা II " এই শ্লোকে "জ্ঞান- কর্মাদ্যনাবৃতম" শব্দেই বর্ণাশ্রম ধর্ম এবং তদন্তঃপাতী সন্ন্যাস এর সংস্রব-ত্যাগের উপদেশ রহিয়াছে I আবার প্রশ্ন হইতে পারে - শ্রীপাদ মাধবেন্দ্র পুরী এবং তাহার শিষ্য শ্রীপাদ ঈশ্বরপুরী ( লৌকিকী লীলায় মহাপ্রভুর দীক্ষাগুরু) শ্রীপাদ পরমানন্দপুরী প্রভৃতি তো ব্রজভাবের উপাসকই ছিলেন, মুক্তিকামী ছিলেন না I তাহারা সন্ন্যাস গ্রহণ করিলেন কেন?

উত্তর I শ্রীপাদ মাধবেন্দ্রাদির " পুরী " উপাধি হইতেই জানা যায় , তাহারা শ্রীপাদ শঙ্করের দশনামী সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত "পুরী" সম্প্রদায়ে সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়াছিলেন I ইহাতে বোঝা যায় , পূর্বে তাহারা শংকর সম্প্রদায়ে ছিলেন, পরে ভক্তি মার্গে প্রবেশ করিয়াছেন কিন্তু ভক্তি মার্গে প্রবেশ করিয়াও "পরাত্ম-নিষ্ঠামাত্র বেশধারণ I মুকুন্দ সেবায় হয় সংসার তারণ II " শ্রীচৈ,চ ২/৩/৬ I ইহা ভাবিয়া অথবা " মর্যাদা রক্ষণ হয় সাধুর ভূষণ " এই নীতির অনুসরণে পূর্বাচার্যদের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য অথবা এতাদৃশ অন্য কোনোও কারণে তাহারা পূর্ব সন্ন্যাস আশ্রমের নাম- আদি পরিত্যাগ করেন নাই I " ভক্তি মার্গে প্রবেশ করার পরে যে তাহারা ভক্তি বিরোধী মায়াবাদী সম্প্রদায়ে সন্ন্যাস গ্রহণ করিতে গিয়াছেন"- এইরূপ অনুমান সংগত হয়না I এইরূপে দেখা যায় ভক্তি মার্গে সাধনের অনুকূল মনে করিয়া তাহারা সন্ন্যাস গ্রহণ করেন নাই , ভক্তি মার্গে প্রবেশ করার পরেও সন্ন্যাস গ্রহণ করেন নাই I
আবার প্রশ্ন হইতে পারে মহাপ্রভুর অত্যন্ত অন্তরঙ্গ পার্ষদ শ্রী পুরুষোত্তম আচার্যও সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়া " স্বরূপ দামোদর" নামে পরিচিত হইয়াছিলেন I তিনি পূর্ব হইতেই ভক্তিমার্গাবলম্বী এবং নবদ্বীপে অবস্থানকালেও প্রভুর অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন I ভক্তিমার্গাবলম্বী হইয়া তিনি কেন সন্ন্যাস গ্রহণ করিলেন ?

উত্তর I ভক্তি সাধনের আনুকূল্য বিধায়ক মনে করিয়া তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন নাই , তিনি ছিলেন গৌরগত- প্রাণ I তিনি যখন শুনিলেন, প্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়াছেন, তখন ভাবিলেন -" আমার প্রাণকোটিপ্রিয় প্রভু সন্ন্যাসাশ্রমের দুঃখ ভোগ করিবেন আর আমি গৃহসুখ ভোগ করিব ! ইহা কিছুতেই হইতে পারে না আমিও সংসার সুখে জলাঞ্জলি দিব , সন্ন্যাস গ্রহণ করিব I " - এইরূপ ভাবিয়া প্রভুর সন্ন্যাসাশ্রমোচিত কঠোরতর চিন্তায় অধীর হইয়া, উন্মত্তের ন্যায় ছুটিয়া গিয়া কাশিতে সন্ন্যাস গ্রহণ করিলেন, তাহাও পুরোপুরি সন্ন্যাস নহে , তিনি যোগপট্র নেন নাই, দণ্ড-কমণ্ডলুও গ্রহণ করেন নাই I এইরূপে তিনি কেবল সংসার সুখের পথ রুদ্ধ করিলেন মাত্র কিন্তু সন্ন্যাসোচিত আচরণ করেন নাই I বেদান্ত ( মায়াবাদ ভাষ্য সমন্বিত) পড়িয়া অপরকে পড়ার জন্য তাহার সন্ন্যাস এর গুরু তাহাকে আদেশ করিয়াছিলেন, তিনি সেসব কিছুই করেন নাই; শুনিয়াছিলেন প্রভু নীলাচল হইতে দক্ষিণ দেশ ভ্রমণে গিয়াছেন I কখন প্রভু নীলাচলে ফিরিয়া আসিবেন - এই অপেক্ষাতেই তিনি কাশিতে বসিয়া দিন যাপন করিতেছিলেন I যখনই শুনিলেন প্রভু নীলাচলে ফিরিয়া আসিয়াছেন তখনই তিনি ছুটিয়া আসিয়া প্রভুর চরণে উপনীত হইলেন আর প্রভু কে ছাড়িয়া যায়েন নাই , কখনও যোগপট্র বা দণ্ডকমণ্ডলু ও গ্রহণ করেন নাই I তাহার প্রাণ অপেক্ষাও প্রিয় প্রভুর সন্ন্যাসাশ্রমোচিত কঠোরতর অংশ গ্রহণের জন্য তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়াছেন I বিশেষতঃ শ্রীপাদ স্বরুপদামোদর ছিলেন শুদ্ধ ভক্ত, মহাপ্রভুর নিত্যপার্ষদ I সিদ্ধভক্তদের সকল আচরণও অনুসরণীয় নহে , ভক্তের যে আচরণ ভক্তিশাস্ত্র অনুমোদিত তাহাই সাধকের পক্ষে অনুসরণীয় I

আরো প্রশ্ন হইতে পারে I শ্রীমন্মহাপ্রভু তো অবতীর্ণ হইয়াছেন -" আপনি আচরি ভক্তি জীবেরে" শিক্ষাদান করার জন্য I তাহার আচরণের অনুবর্তন করাই হইবে সাধের জীবের কর্তব্য I প্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়াছেন, সাধকজীব তাঁহার অনুকরণে সন্ন্যাস গ্রহণ করিলে কি দোষ হতে পারে ?

উত্তরে বক্তব্য এই I শ্রীমন মহাপ্রভু হইতেছেন স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ I তাহার উপদেশের অনুসরণই সাধক জীবের কর্তব্য; তাহার যে আচরণ তাহার উপদেশের সহিত সঙ্গতিযুক্ত সেই আচরণের অনুসরণই করা যায় ; কিন্তু অন্য আচরণের অনুকরণ বা অনুসরণ করিলে যে বিশেষ অমঙ্গল হয়, "ঈশ্বরাণাম বচঃ সত্যম " ইত্যাদি শ্রীভা। ১০/৩৩/৩১ - শ্লোকে শ্রী শুকদেব গোস্বামী তাহাঁ বলিয়া গিয়েছেন I মহাপ্রভু কখনো যে সন্ন্যাস গ্রহণের উপদেশ দেন নাই , বরং সন্ন্যাস গ্রহণ যে তিনি নিষেধ করিয়াছেন তাহা পূর্বেই বলা হইয়াছে I সুতরাং তাহর নিজের সন্ন্যাস গ্রহণরূপ আচরণ তাহার উপদেশের সহিত সঙ্গতি যুক্ত নহে বলিয়া তাহা সাধকজীবের অনুকরণীয় বা অনুসরণীয় হইতে পারেন না I তবে মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করিলেন কেন?
ভজনের আদর্শ স্থাপনের জন্য তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন নাই, তাহার সন্ন্যাস গ্রহণের হেতু হইতেছে এই I গত দ্বাপর যুগে স্বয়ং ভগবান যখন ব্রহ্মান্ডে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন তখন তিনি ব্যাসদেবের নিকটে বলিয়াছেন যে- কোন বিশেষ কলিতে তিনি নিজেই সন্ন্যাস আশ্রম গ্রহণ করিয়া পাপহত লোকদিগকেও ( অর্থাৎ নির্বিচারে ) হরিভক্তি গ্রহণ করাইয়া থাকেন I

" অহমেব ক্বচিদ ব্রহ্মণ্ সন্ন্যাসাশ্রমমাশ্রিত: I হরিভক্তি গ্রাহয়ামি কলৌ পাপহতান্ নরান্ "- শ্রীচৈ,চ ধৃত পুরাণ-বচন II মহাভারতেও অনুরূপ উক্তি পাওয়া যায় - " সুবর্ণবর্ণো হেমাঙ্গ বরাঙ্গশ্চন্দনাঙ্গদী I সন্ন্যাসকৃত শমঃ শান্তো নিষ্ঠা-শান্তি-পরায়ণঃ II বিষ্ণু-সহস্রনাম II এই সমস্ত শাস্ত্র বাক্য হইতে জানা যায়, বিশেষ কলিতে ( অর্থাৎ যে শ্রীকৃষ্ণ অবতীর্ণ হয়েন, তাহার অবিবাহিত পরবর্তী কলিতে ) গৌর -কৃষ্ণরূপে যখন তিনি ব্রহ্মাণ্ডে অবতীর্ণ হয়েন, তখন তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়া থাকেন I ইহা তাহার লীলা I কোন প্রয়োজন বুদ্ধিতে লীলার অনুষ্ঠান হয় না I স্বীয় প্রয়োজন-বুদ্ধিতে লীলার অনুষ্ঠান না হইলেও আনুষঙ্গিক ভাবে যে ফলের উৎপত্তি হইতে দেখা যায় I সন্ন্যাস লীলা সম্বন্ধে প্রভু তাহা নিজ মুখেই ব্যক্ত করিয়া গিয়াছেন -
" যত অধ্যাপক আর তার শিষ্যগণ I ধর্মী কর্মী তপোনিষ্ঠ নিন্দুক দুর্জন II এইসব মোর নিন্দা অপরাধ হইতে I আমি না লওয়াইলে ভক্তি না পারে লইতে II নিস্তারিতে আইলাম আমি হইল বিপরীত I এসব দুর্জনের কইছে হইবেক হিত II " -শ্রীচৈ,চ ১/১৭/২৫-৫৫ I
এইসব জীবের অবশ্য করিব উদ্ধার II অতএব অবশ্য আমি সন্ন্যাস করিব I সন্ন্যাসীর বুদ্ধে মোরে প্রণত হইব II প্রণতিte হবে ইহার অপরাধ ক্ষয় I নির্মল হৃদয়ে ভক্তি করিব উদয় II " -শ্রীচৈ,চ ১/১৭/২৫৭-৫৯ I এই সমস্ত উক্তি হইতে বোঝা যায় ভজনের আদর্শ স্থাপনের জন্য তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন নাই I

আবার প্রশ্ন হইতে পারে শ্রীমন নিত্যানন্দ প্রভু সন্ন্যাস গ্রহণ করিলেন কেন ? এই প্রশ্নের উত্তরে বক্তব্য এই শ্রীমন নিত্যানন্দ হইতেছেন ঈশ্বর-তত্ব , ব্রজলীলার বলদেব I ঈশ্বরের সকল আচরণ যে অনুসরণীয় নহে তাহা পূর্বেই বলা হইয়াছে I শ্রী নিত্যানন্দের সন্ন্যাসও হইতেছে তাহার লীলা I আবার , নবদ্বীপে আসার পরে তিনি নিজ হাতেই তাহার দন্ড-কমণ্ডলু ভাঙ্গিয়া ফেলিয়া দিয়েছিলেন এবং মহাপ্রভু সেই ভাঙ্গা দন্ড-কমণ্ডলু গঙ্গায় বিসর্জন দিয়াছিলেন I সন্ন্যাস এর পরে শ্রীমন নিত্যানন্দাদির সঙ্গে মহাপ্রভু যখন নীলাচলে যাইতেছিলেন তখন পথিমধ্যে একস্থানে শ্রী নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর দন্ড ভাঙ্গিয়াও ৩ খন্ড করিয়া নদীতে ভাসাইয়া দিয়েছিলেন I তাহারা কেহই আর সন্ন্যাসাশ্রমের দণ্ড ব্যবহার করেন নাই I স্বরূপদামোদর তো দণ্ড গ্রহণই করেন নাই I এইরূপে দেখা যায় লীলানুরোধে শ্রীমন মহাপ্রভু বা তাহার পার্ষদ শ্রী নিত্যানন্দ , শ্রী স্বরূপ দামোদর সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়া থাকিলেও তাহাদের কেহই দন্ড ব্যবহার করিতেন না I শ্রীমন মহাপ্রভুর চরণাশ্রিত বৈষ্ণবাচার্য গোস্বামীগণের আনুগত্যে যাঁহারা ভজন করিয়া গিয়াছেন , পূর্বোল্লেখিত কারণবশত তাহাঁদের কেহই সন্ন্যাস গ্রহণ করেন নাই Iবস্তুতঃ গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে সন্ন্যাসের রীতি নাই, ইহা বরং শ্রীমন্মহাপ্রভুর নিষিদ্ধ (চৈতন্যদেব বলেছেন, " সন্ন্যাস লইনু যবে ছন্ন হইল মন, কি কাজ সন্ন্যাসে, মোর প্রেম প্রয়োজন।। চৈ,চ, মধ্য) I
শ্রীধাম বৃন্দাবনাদিতে যেসকল নিষ্কিঞ্চন বৈষ্ণব দৃষ্ট হয়েন তাঁহারা যে বেশ ধারণ করেন তাহা সন্ন্যাসীর বেশ নহে ; তাহা হইতেছে শ্রীপাদ সনাতনাদির অনুসরণে নিষ্কিঞ্চনের বেশ I সন্ন্যাসীর ন্যায় রঞ্জিত বস্ত্রও তাঁহারা ব্যবহার করেন না I

[★বিস্তারিত ঃ "শ্রী শ্রী গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শন (১ম খণ্ড) - ড.রাধাগোবিন্দ নাথ।]

🙏সারমর্মঃ🙏...................................................................................
[ ★ "এ সব ছাড়িয়া আর বর্ণাশ্রম ধর্ম I অকিঞ্চন হইয়া লও কৃষ্ণৈক-শরণ II " শ্রীচৈ,চ ২/২২/৪৫-৫০ I
মহাপ্রভুর এই উপদেশে বৈষ্ণবের পক্ষে বর্ণাশ্রম ধর্ম ত্যাগের কথা পাওয়া যায় I বর্ণাশ্রম- ধর্ম বলিতে বর্ণধর্ম এবং আশ্রম ধর্ম বুঝায় I শাস্ত্রে চারিটি বিধান দৃষ্ট হয় - ব্রহ্মচর্য , গার্হস্থ্য, বাণপ্রস্থ ও সন্ন্যাস। সন্ন্যাস হইতেছে চতুর্থ আশ্রম ধর্ম I

★প্রভুর মায়ায় মুগ্ধ হইয়া সার্বভৌম প্রভুকে বলিয়াছেন-

" বুঝ দেখি বিচারিয়া কি আছে সন্ন্যাসে I প্রথমে বদ্ধ হয়ে অহংকার পাশে II দন্ড ধরি মহাজ্ঞানী হয় আপনারে I কাহারেও বোল হস্ত জোড় নাহি করে II যার পদধুলি লইতে বেদের বিহিত I হেন জন নমস্করে,তবু নহে ভীত II সন্ন্যাসী ধর্ম বা বলিব সেহও নহে I বুঝ এই ভাগবত যেন মত কহে।। "

★ "রক্ত বস্ত্র বৈষ্ণবের পরিতে না যুয়ায় I কোন পরদেশীকে দিব কি কাজ ইহায় II " -শ্রীচৈ,চ ৩/১৩/৫৫-৬০ I

শ্রীপাদ সনাতনের উক্তি হইতে জানা গেল সন্ন্যাস গ্রহণ তো দূরে, সন্ন্যাসীরা যেরকম রঞ্জিত বস্ত্র পরিধান করেন তদ্রুপ বস্ত্র পরিধানও বৈষ্ণব এর পক্ষে কর্তব্য নহে!

★"অশ্বমেধং গবালম্ভং সন্ন্যাসং পলপৈতৃকম। দেবরেণ সুতোৎপত্তিং কলৌ পঞ্চ বিবর্জয়েৎ।। " শ্রীচৈ,চ ১/১৭ এ ধৃত পুরান বচন !

★" নাহং বিপ্রো ন চ নরপতির্নাপি বৈশ্যো ন শূদ্রো, নাহং বর্ণী ন চ গৃহপতির্নো বনস্থো যতির্বা ।কিন্তু প্রোদ্যন্নিখিলপরমানন্দপূর্ণামৃতাব্ধে-,র্গোপীভর্ত্তুঃ পদকমলয়োর্দাস-দাসানুদাসঃ ॥" পদ্যাবলীতে উক্ত শ্রীচৈতন্য মুখোদ্গীর্ণ শ্লোক!

অর্থাৎ, আমি বর্ণ এবং আশ্রম এই চারিটির কোনটী নেই । "যতি বা" শব্দে "সন্ন্যাসী " নই! আমি এর অতীত—‘গোপীভর্ত্তুঃ পদকমলয়োর্দাস-দাসানুদাসঃ’!

★"শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য-বাক্য দৃঢ় সত্য মানি ৷
কলিকালে সন্ন্যাসে ‘সংসার’ নাহি জিনি ॥ ২৮ ॥ "- প্রকাশানন্দ সরস্বতী উদ্ধার লীলায়।

★শ্রীমদ্ভাগবতের একাদশ স্কন্ধের অষ্টাদশ অধ্যায়ের টীকায় শ্রীপাদ বিশ্বনাথ চক্রবর্তী লিখিয়াছেন- "অষ্টাদশেহব্রবীদ্ধধর্মং বনস্থ-ন্যাসিনোঃ ক্রমাৎ I ভক্তস্যানাশ্রমিত্বঞ্চ ধর্মং সাধারণং তথা" II

অষ্টাদশ অধ্যায় ক্রমে বানপ্রস্থ এবং সন্ন্যাসের ধর্মের কথা বলা হইয়াছে I কিন্ত ভক্তের সাধারণ ধর্ম যে অনাশ্রমিত্ব, তাহাঁও বলা হইয়াছে ঈ

★মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব সুস্পষ্ট করেই বলেছেন-

"সন্ন্যাস লইনু যবে ছন্ন হইল মন।
কি কাজ সন্ন্যাসে, মোর প্রেম প্রয়োজন।। -চৈ,চ, মধ্য। ]

★★বিস্তারিত ঃ "শ্রী শ্রী গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শন (১ম খণ্ড) - ড.রাধাগোবিন্দ নাথ।)


দণ্ডবৎ, জয় গৌরভক্তবৃন্দ।

12/01/2026
All about Digha 1st January 2026
10/01/2026

All about Digha 1st January 2026

Weather For January 2026
03/01/2026

Weather For January 2026

23/12/2025

Video Bite


★ যখন কাক অসুস্থ বোধ করে... তখন পিঁপড়ার সন্ধান করে।★ কাক অসুস্থ বোধ করলে পিঁপড়ার বাসার কাছে গিয়ে বসে, ডানা মেলে দেয়,...
23/12/2025

★ যখন কাক অসুস্থ বোধ করে... তখন পিঁপড়ার সন্ধান করে।

★ কাক অসুস্থ বোধ করলে পিঁপড়ার বাসার কাছে গিয়ে বসে, ডানা মেলে দেয়, নিশ্চল হয়ে থাকে এবং পিঁপড়াদেরকে তার উপর আক্রমণ করতে দেয়।

★ কাক এটা করে কারণ পিঁপড়ারা কাকের শরীরে ফর্মিক অ্যাসিড ছড়িয়ে দেয়, যা একটি প্রাকৃতিক পরজীবী-নাশক হিসেবে কাজ করে।

★ এই অ্যাসিড কাককে ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া এবং পরজীবী থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে, যাতে ওষুধ ছাড়াই এটি সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।
★ এই আচরণকে "অ্যান্টিং" (Anting) বলা হয় এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির মধ্যে এটি দেখা গেছে। এটি প্রাণীদের স্ব-চিকিৎসার একটি অবিশ্বাস্য উদাহরণ।
★ প্রকৃতি তার নীরব জ্ঞানের মাধ্যমে আমাদেরকে অবাক করে দেওয়া কখনই বন্ধ করে না!


#জানা_অজানা_তথ্য


Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Road Miles posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Road Miles:

Share