HERITAGE TRAVEL CLUB

HERITAGE TRAVEL CLUB For those who love history and want to explore heritage, may join our club........

ঐতিহাসিক জনপদ বুঁদি  আরাবল্লী পাহাড় ঘেরা ঐতিহাসিক শহর বুঁদি। বুঁদির ন্যায় সুন্দর গিরিবত্ন এই ভূ-ভারতে আর আছে কিনা সন্দে...
16/07/2020

ঐতিহাসিক জনপদ বুঁদি
আরাবল্লী পাহাড় ঘেরা ঐতিহাসিক শহর বুঁদি। বুঁদির ন্যায় সুন্দর গিরিবত্ন এই ভূ-ভারতে আর আছে কিনা সন্দেহ। বুঁদির উত্তর-পশ্চিম অংশ জুড়ে খাঁজকাটা বিন্ধ্যাচল আর দক্ষিণে প্রহরী হয়ে রয়েছে তারাগড় দুর্গ। ১৫৫৩ সালে নির্মিত এই দুর্গটি বুঁদির প্রধান আকর্ষণ। দুর্গের অভ্যন্তরে একে একে দেখে নেওয়া যায় রঙ্গ বিলাস, দেওয়ান ই আম, চিত্রমহল প্রভৃতি। চিত্রমহলে রাজপুত ঘরানার অনেকগুলি নয়নাভিরাম রঙিন ফ্রেসকো চিত্র আর ম্যুরাল চিত্র রয়েছে। এগুলির মধ্যে রাধা কৃষ্ণের রাসলীলা ছবিটি অনবদ্য। চিত্রমহলের নিচে রতন সিংয়ের তৈরি রতন দৌলত অর্থাৎ অট্টালিকা। কর্নেল টড এই অট্টালিকাকে রাজস্থানের সবচেয়ে সুন্দর প্রাসাদ বলে অভিহিত করেছেন। দুর্গ থেকে নওয়ালসাগর লেক আর তার একটি দ্বীপে বরুণদেবের মন্দির দৃশ্যমান। লেকের পশ্চিম পাড়ে হস্তী দন্ত ও চন্দন কাঠে শো ভিত ফুলসাগর প্যালেসটি রাজস্থান স্থাপত্যের অনবদ্য নিদর্শন। এছাড়াও বুঁদি ভ্রমণে একে একে দেখে নিন বুঁদি রাজপরিবারের ছত্তিশ, রাজা ছত্রশালের স্মৃতিস্তম্ভ, রানীজি কি বাউড়ি প্রভৃতি

কিভাবে যাবেন
কোটা থেকে বুঁদির দূরত্ব ৩৮ কিমি। কোটা বাস স্ট্যান্ড থেকে আধা ঘন্টা অন্তর বাস ছাড়ছে বুঁদির উদ্দেশ্যে। নিজেদের উদ্যোগে গাড়ি ভাড়া করেও চলা যায়।

কোথায় থাকবেন
বুঁদিতে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে বুঁদি হাউস, ভাড়া ১০০০-১৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৮২৮২৮৪৩৪৮। হাভেলি তারাগড় প্যালেস, ভাড়া ৮০০-১৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৯৫০০৯৬৪৪৭। হোটেল দেব নিবাস, ভাড়া ৯০০-৪৫০০ টাকা, যোগাযোগ-৭০৭৩০০০৩৭৮। হোটেল দৌলত নিবাস, ভাড়া ৫০০-৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৭৭২৬৯৭৪১০৮। নওয়াল সাগর প্যালেস, ভাড়া ২০০০-৩০০০ টাকা, (প্রাতরাশ সহ), যোগাযোগ-৯৮২৯২৪৬৫৪১।

বিন্ধ্য পর্বতের আনন্দনগরী মান্ডু    বিন্ধ্য পর্বতের মাঝে প্রায় দুই হাজার ফুট উচ্চতায় পাথরের বুকে প্রেমের কবিতা বিশ্বের ব...
15/07/2020

বিন্ধ্য পর্বতের আনন্দনগরী মান্ডু
বিন্ধ্য পর্বতের মাঝে প্রায় দুই হাজার ফুট উচ্চতায় পাথরের বুকে প্রেমের কবিতা বিশ্বের বৃহত্তম দুর্গনগরী মান্ডু। এই ঐতিহাসিক জনপদের আকাশে বাতাসে আজও ভেসে বেড়ায় রানি রূপমতী আর বাজ বাহাদুরের প্রেম কাহিনী। মান্ডুর প্রাচীন নাম ছিল শাদিয়াবাদ বা আনন্দ নগরী। সবুজ গালিচায় মোড়া মান্ডুর প্রকৃতি। ইন্দোর থেকে দিনে দিনে মান্ডু ভ্রমণ সমাপ্ত করে নেওয়া যায়। তবে একরাত মান্ডু অবস্থানে মাধুর্য বাড়ে। তিন ভাগে ভাগ হয়েছে মান্ডু দর্শন-রয়্যাল এনক্লেভ, রেওয়া কুন্ড ও ভিলেজ গ্রুপ। রয়্যাল এনক্লেভের মূল আকর্ষণ জাহাজ মহল প্রাসাদ। এর স্থাপত্য শিল্প অনবদ্য। একে একে দেখে নিন কাপুর তালাও, মঞ্জু তালাও, হিন্দোলা মহল, নাহার ঝারোখা, তাভেলি মহল, জল মহল, পুরাতত্ত্ব মিউজিয়াম। রেওয়া কুন্ড গ্রুপের সৌধগুলির মধ্যে সেরা আকর্ষণ রানি রুপমতী মহল। টিলার উপর অবস্থিত এই প্রাসাদ থেকে নীচে দেখা যাবে রেওয়া কুণ্ড জলাশয়। এর কাছেই রয়েছে বাজ বাহাদুর প্রাসাদ। সূর্যাস্ত আর চন্দ্রালোকে মাধুর্য বাড়ে রুপমতী মহলের। সেন্ট্রাল গ্রুপ বা ভিলেজ গ্রুপের সৌধগুলির মধ্যে প্রথমে দেখুন জামি মসজিদ। এই মসজিদের মাথায় রয়েছে অসংখ্য গম্বুজ। এর পাশেই হোসাঙ্গ শাহের সমাধি আর আশরফি মহল। মান্ডুর পশ্চিমে বিক্ষিপ্ত এক পাহাড়ে পারমার রাজাদের নীলকণ্ঠ প্রাসাদটিও দেখে নিতে পারেন উৎসাহীরা। এর কাছেই নীলকণ্ঠ মন্দির।

কিভাবে যাবেন
ইন্দোর থেকে মান্ডুর দুরত্ব ১০০ কিমি। বাস বা ভাড়া গাড়ি পাবেন এ পথে। বাস ভাড়া ৪০ টাকা আর ইন্দোর থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে মান্ডু গেলে খরচ পড়ে ৮০০-১,০০০ টাকা। হাওড়া থেকে সরাসরি ইন্দোর যায় ২২৯১২ শিপ্রা এক্সপ্রেস (ছাড়ে বিকাল ৫.৪৫ পৌঁছায় তৃতীয়দিন রাত ১.৩৫)। এছাড়া গোয়ালিয়র থেকে ইন্দোর যাচ্ছে ১১১২৬ ইন্দোর এক্সপ্রেস (ছাড়ে সন্ধ্যা ৭.৩০ পৌঁছায় পরদিন সকাল ৭.৫৫), ২১১২৬ ভিন্দ-ইন্দোর এক্সপ্রেস (ছাড়ে সন্ধ্যা ৭.৩০ পৌঁছায় পরদিন সকাল ৭.৫৫), ১২৯২০ মালওয়া এক্সপ্রেস (ছাড়ে রাত ১২.৩৫ পৌঁছায় দুপুর ১২.৫০)।

কোথায় থাকবেন
মান্ডুতে থাকার সেরা জায়গা মধ্যপ্রদেশ পর্যটনের হোটেল মালওয়া রিসর্ট, ভাড়া- ২১৯০-৩০৯০ টাকা, যোগাযোগ- ০৭২৯২-২৬৩২৩৫। হোটেল মালওয়া রিট্রিট, ভাড়া ১২৯০-২২৯০ টাকা, যোগাযোগ- ০৭২৯২-২৬৩২২১। এছাড়া হোটেল রুপমতী, ভাড়া ১৪০০-২,০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৭২৯২-২৬৩২৭০। নগর পঞ্চায়েত রেস্ট হাউস, ভাড়া- ৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৭২৯২-২৬৩২৩৪। হোটেল মহারাজ, ভাড়া ৪০০-৬৫০ টাকা, যোগাযোগ- ০৭২৯২-২৬৩২৩০।

প্রাচীন ভারতের গর্ব অজন্তা গুহাচিত্রভারতের পর্যটন মানচিত্রে তাজমহলের পরেই স্থান অজন্তার। আগ্রার তাজের খ্যাতি তার মর্মরে ...
12/07/2020

প্রাচীন ভারতের গর্ব অজন্তা গুহাচিত্র
ভারতের পর্যটন মানচিত্রে তাজমহলের পরেই স্থান অজন্তার। আগ্রার তাজের খ্যাতি তার মর্মরে গড়া প্রেমের সৌধের জন্য আর অজন্তা পর্যটকপ্রিয় তার নয়নলোভন বহুবর্ণের ফ্রেসকো চিত্রের জন্য। খ্রিষ্টপূর্ব ২০০ থেকে খ্রিষ্টোত্তর ৬৫০ অর্থাৎ প্রায় ৮৫০ বছর ধরে সহ্যাদ্রি পর্বতে বাকাতক রাজাদের কালে গড়ে উঠেছে এই বিস্ময়কর গুহা মন্দির। ২০০ বৌদ্ধ ভিক্ষু, শিল্পী, ভাস্কর ও শ্রমিকের শ্রমে ইন্দ্রিয়াদ্রি পাহাড়ের ঢালে ফুলের মালা হয়ে দুরারোহে আগ্নেয়গিরিময় পাহাড় কেটে তৈরি হয়েছে এই মহান ভাস্কর্য। রূপ তার অর্ধচন্দ্রাকার অশ্বক্ষুরের মত। দীর্ঘ সহস্র বছর লোকচক্ষুর অগোচরে থেকে ১৮১৯ সালে ক্যাপ্টেন পয়েন্ট থেকে জন স্মিথের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ শিকারি অজন্তা আবিস্কার করেন। অভাবনীয় নির্মাণশৈলী বিস্ময়ের উদ্রেগ ঘটায়। দিনের প্রতিক্ষণে সূর্যালোক বিচ্ছুরিত হচ্ছে প্রতিটি গুহার সামে। তবুও যেন সকালের দিকে সূর্যালোকে অজন্তা অধিক আলোকিত হয়। নিচুদিয়ে বয়ে চলেছে সুন্দরী ছিপছিপে পাহাড়ি নদী বাঘোড়া। কিন্তু দুঃখের বিষয় বরাবর অনবাঁধনতায় রঙয়ের আস্তরণ লাগিয়ে আরও যেন ত্বরান্বিত করা হয়েছে অজন্তার ধ্বংস। কালে কালে নষ্ট হচ্ছে অজন্তার নানান ফেসকো। মোট ২৯ টি গুহা রয়েছে অজন্তায়। তবে ধারাবাহিকতা নেই গুহানির্মাণে। এরমধ্যে পাঁচটি হীনযান আর বাকি ২৪ টি মহাযান গ্রুপের গুহা। হীনযানগ্রুপে বুদ্ধের কোন মূর্তি নেই। আবার নির্মাণশৈলী অনুযায়ী সকল গুহাকে দুইভাগে ভাগ করা যায় চৈত্যধর্মী আর বিহারধর্মী। ৯,১০,১৯,২৬,২৯, এই পাঁচটি চৈত্যধর্মী আর বাকি ২৪ টি বিহারধর্মী। দেওয়ালচিত্র ও ভাস্কর্যের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে অজন্তার প্রতিটা গুহাতে। জাতকের গল্প অর্থাৎ বুদ্ধের জীবনের অতীত জীবনের সঙ্গে নানান আখ্যানে তৎকালীন সমাঝজীবন তুলে ধরা হয়েছে ছবি এঁকে আর পাহাড় কুঁদে। ১,২,১০,১৬,১৭ নম্বর গুহাতে ছবির প্রাচুর্য চোখে পড়ে। আর ভাস্কর্যের জন্য ১,৪,১১,১৭,১৯,২৬ গুহাগুলি দেখে নেওয়া উচিৎ।

কিভাবে যাবেন
জলগাঁও থেকে অজন্তা গুহার দূরত্ব ৫৯ কিমি। জলগাঁও থেকে সরাসরি বাস রয়েছে অজন্তার। তাছাড়া জলগাঁও থেকে ঔরঙ্গাবাদগামী যেকোন বাসে চড়ে অজন্তা মোড়ে নেমে সেখান থেকে অটো চড়ে গুহার মুখে চলে যাওয়া যায়। হাওড়া থেকে সরাসরি জলগাঁও যায় ১২৮৬০ গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস (ছাড়ে দুপুর ১.৫০ পৌঁছায় পরদিন দুপুর ১.৩৮)। ১২৩২১ মুম্বাই মেল (ছাড়ে রাত ১০ টা পৌঁছায় তৃতীয়দিন ভোর ৩.২৪)। ১২২২২ দুরন্ত এক্সপ্রেস (ছাড়ে সকাল ৮.২০ পৌঁছায় পরদিন ভোর ৩.৫০)।

কোথায় থাকবেন
অজন্তায় রাত্রিবাসের সেরা জায়গা মহারাষ্ট্র পর্যটনের অজন্তা টি জংশন, এখানে ভাড়া ২০৫০ টাকা, যোগাযোগ-০২৪৩৮২৪৪২৮৯। গুহার ৫ কিমি আগে বাসপথের ফর্দাপুরে রয়েছে অজন্তা হলিডে রিসর্ট, ভাড়া ১২০০-২০০০ টাকা, যোগাযোগ-০২৪৩৮২৪৪২৩০। অজন্তা গুহার প্রবেশপথে মহারাস্ত্র পর্যটনের অজন্তা হোটেলটির সুনাম রয়েছে আহারের জন্য, যোগাযোগ- ০২৪৩৮২৪৪২২৬।

বৌদ্ধতীর্থ সারনাথ  বুদ্ধগয়ার পর বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে স্থান মাহাত্মে যে পুণ্যভূমিকে বিচার করা হয় সেটি হলো সারনাথ। লুম্বি...
03/07/2020

বৌদ্ধতীর্থ সারনাথ
বুদ্ধগয়ার পর বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে স্থান মাহাত্মে যে পুণ্যভূমিকে বিচার করা হয় সেটি হলো সারনাথ। লুম্বিনীতে জন্ম বুদ্ধগয়ায় বোধিলাভের পর সিদ্ধার্থ গৌতম এই সারনাথেই ধর্মচক্র প্রবর্তন এর মাধ্যমে বৌদ্ধধর্মের উন্মেষ ঘটান। খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ থেকে খ্রিষ্টপরবর্তী দ্বাদশ শতক পর্যন্ত সারনাথ ছিল উত্তর ভারতের শিক্ষার অন্যতম পীঠস্থান। চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন এবং হিউয়েন সাং এর বর্ণনা থেকে সারনাথের অনেক অজানা অতীত জানতে পারা যায়। একাধিক বৌদ্ধ বিহার ও গুম্ফা এবং প্রায় দেড় হাজার বৌদ্ধ ভিক্ষুর বাস ছিল সেকালের সারনাথ। পায়ে পায়ে ঘুরে ২ ঘণ্টার মধ্যে সারনাথের দ্রষ্টব্যগুলি ঘুরে নেওয়া যায়। ধামেক স্তূপটি এখানকার প্রধান আকর্ষণ। ১৫১ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট এই স্তূপের নীচে মহামানব বুদ্ধের অস্থি রক্ষিত আছে বলে মনে করা হয়। এছাড়াও রয়েছে ধর্মরাজিক স্তূপ, সম্রাট অশোক নির্মিত স্তম্ভ, চীনা বুদ্ধ মন্দির, মূলগন্ধকুটি বিহার, ডিয়ার পার্ক, সারনাথ মিউজিয়াম, দিগম্বর জৈন মন্দির, থাই বৌদ্ধ মন্দির, জাপানী বৌদ্ধ মন্দির, চৌখন্ডী স্তূপ, তিব্বতীয় বৌদ্ধ মন্দির প্রভৃতি।

কিভাবে যাবেন
বারানসী থেকে সারনাথের দূরত্ব ১২ কিমি। বারানসী ষ্টেশনের বাইরে থেকে অহরহ অটো, টেম্পো, বাস রয়েছে। গাড়ি বা ট্যাক্সি ভাড়া করেও যাওয়া যায়। সময় লাগে আধাঘন্টার মত। বারানসী থেকে সকাল ৬.৫০ ও বেলা ১১.১০-এ দুটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনও রয়েছে।

কোথায় থাকবেন
সারনাথে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে উত্তরপ্রদেশ পর্যটনের রাহি ট্যুরিস্ট বাংলো, ভাড়া ১৬০০-২২০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৫৪২-২৫৯৫৯৬৫। হোটেল বুদ্ধ ইন্টারন্যাশানাল, ভাড়া ১০০০-১২০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৮৩৮৬৩২৬৮৫। সিদ্ধার্থ গেস্ট হাউস, ভাড়া ৬০০-৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৭৯৩৪২১৭৪৩। হোটেল শিবম প্যালেস, ভাড়া ৮০০-১০০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৫৯৮৪৫৫৯৯৯।

সারনাথ ডিয়ার পার্ক
গোপবালা সুজাতার হাতে পায়েস গ্রহণের পর বুদ্ধের উপর ভীষণ রুষ্ট হন তাঁর সেই সময়ের পাঁচ সাথী- বপ্প, ভদ্রিয়, মহানাম, অশ্বজিত আর কৌন্ডিণ্য। বুদ্ধকে পরিত্যাগ করে তারে ঋষিপত্তনে (বর্তমান সারনাথ) চলে আসেন ধর্ম চর্চার জন্য। এরপর কেটে গেছে বহু বছর। ইতিমধ্যেই বোধিলাভ করেছেন বুদ্ধ। তিনিও তাঁর সেই পাঁচ সাথীর খোঁজে এই সারনাথেই এসে উপস্থিত হন। তারা তখন ঋষিপত্তনের মৃগদাবে (সারনাথ ডিয়ার পার্ক) পরস্পর ধর্মালোচনায় ব্যস্ত। বুদ্ধকে দূর থেকে এগিয়ে আসতে দেখে চিনতে পারেন তারা কিন্তু তারা ঠিক করা নেয় এবার আর বুদ্ধাকে কোনরূপ আপ্যায়ন বা সম্মান প্রদর্শন করবে না তারা। কিন্তু বুদ্ধের নবলদ্ধ বানী শুনে এতটাই মুগ্ধ হন যে তৎক্ষণাৎ বুদ্ধের পায়ে লুটিয়ে পড়েন তারা এবং অচিরেই তাঁর শিষ্যত্ব বরণ করে তারা। বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে এই ঘটনা ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন’ নামে পরিচিত। আর ওই পাঁচ শিষ্য পরিচিত হন ‘পঞ্চবর্গীয় ভিক্ষু’ নামে। অতীতের সেই মৃগদাবটি আজও রয়েছে। নাম হয়েছে ডিয়ার পার্ক।

সপ্ত প্যাগোডার শহর মহাবলীপুরম চেন্নাই থেকে ৫৮ কিমি দূরে সপ্ত প্যাগোডার শহর মহাবলীপুরম, নামান্তর ঘটে আজ হয়েছে মামল্লপুরম।...
03/07/2020

সপ্ত প্যাগোডার শহর মহাবলীপুরম
চেন্নাই থেকে ৫৮ কিমি দূরে সপ্ত প্যাগোডার শহর মহাবলীপুরম, নামান্তর ঘটে আজ হয়েছে মামল্লপুরম। গোটা শহর জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে পল্লব রাজাদের মন্দিরগুচ্ছ। পাহাড় কেটে নির্মিত ১০ টি গুহা মন্দির, ৯ টি মনোলিথিক একশিলা রথ মহাবলীপুরমের প্রধান আকর্ষণ হলেও এখানকার সমুদ্র সৈকতের আকর্ষণ অস্বীকার করার নয়। ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মহাবলীপুরম। তাই দেশি পর্যটকদের সাথে সাথে বিদেশীদেরও আনাগোনা লক্ষ্য করা যায় এখানে। মহাবলী পৌঁছে পায়ে পায়ে বা গাড়ি ভাড়া করে একে একে দেখে নিতে পারেন পল্লবরাজ দ্বিতীয় নরসিংহ বর্মণ নির্মিত শোর টেম্পল, বৌদ্ধবিহারের আদলে নির্মিত পঞ্চপান্ডব রথ, বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাস রিলিফ অর্জুনের তপস্যা, টাইগার কেভ, লাইট হাউস, শ্রীকৃষ্ণ বাটার বল প্রভৃতি। শোর টেম্পলের কাছেই মহাবলীপুরমের মনোরম সাগরবেলা। নীল সমুদ্রের ফেনিল তরঙ্গ আছড়ে পড়ছে শোর টেম্পলের গায়ে। দূরে দেখতে পাবেন জেলেদের রঙিন পালতোলা নৌকা। দিনে দিনে দেখে নেওয়া গেলেও নির্জন নিরালা মহাবলীতে একটা দিন থাকলে আরও মধুর হয়ে ওঠে ভ্রমণ অভিজ্ঞতা। মহাবলীপুরম বেড়িয়ে চলে যাওয়া যায় পন্ডিচেরির দিকে।

কিভাবে যাবেন
চেন্নাই সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে মহাবলীপুরমের বাস ছাড়ছে অহরহ। সময় নেয় ২ ঘণ্টার মত। ১৮৮এ, ১৮৮বি, ১৮৮সি, ১৮৮ডি রুটের বাস সার্ভিস বেশ ভালো। তবে এ পথে নিজস্ব গাড়ি বা অটো ভাড়া করে আসতে পারেন। আবার কাঞ্চিপুরম ভ্রমণ শেষ করেও মহাবলীপুরম চলা যায়।

কোথায় থাকবেন
মহাবলীপুরমে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে তামিলনাডু পর্যটনের হোটেল তামিলনাডু, ভাড়া ২৫০০-৪৫০০ টাকা (প্রাতরাশ সহ), যোগাযোগ- ০৪৪-২৭৪৪২৩৬১, ৯১৭৬৯৯৫৮৬০। মামল্ল বিচ রিসর্ট, ভাড়া ৪৫৪৫-৫৬৩০ টাকা, যোগাযোগ- ০৯৪৪২৬৪৬৮৭৫। হোটেল সী ব্রিজ, ভাড়া ৩০০০-৩৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪৪-২৭৪৪৩০৩৫। হোটেল মামল্ল হেরিটেজ, ভাড়া ২৬০০-৩০০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৮৪০২৬০৬৭২। রামকৃষ্ণ লজ, ভাড়া ১৫৫০-১৮৫০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪৪-২৭৪৪২৩৩১। হোটেল সূর্য রিসর্ট, ভাড়া ২২০০-২৭০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪৪-২৭৪৪২২৯২।

মহাবলীপুরম ড্যান্স ফেস্টিভ্যাল
তামিলনাডু পর্যটনের উদ্যোগে মহাবলীপুরমে প্রত্যেক বছর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত মহাবলীপুরম ড্যান্স ফেস্টিভ্যাল। ভারতনট্টম, কত্থক, ওড়িশি, কথাকলি, মোহিনীঅট্টম, কুচিপুড়ি নৃত্যশিল্পীরা তাদের নৃত্য কুশলতা ফুটিয়ে তলেন। পল্লব মন্দিরগুচ্ছের পাথুরে প্রেক্ষাপটে সান্ধ্যকালীন এই নৃত্যশৈলী এক অপূর্ব পরিবেশ রচনা করে। প্রায় কুড়ি দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেশ বিদেশের বহু নৃত্য রসিক উপস্থিত হন মহাবলীপুরমে।

Address

35/1 BAGHAJATIN Road, BARANAGAR
Kolkata
700036

Opening Hours

Monday 11am - 6pm
Tuesday 11am - 6pm
Wednesday 11am - 6pm
Thursday 11am - 6pm
Friday 11am - 6pm
Saturday 11am - 6pm

Telephone

9007612015

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HERITAGE TRAVEL CLUB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to HERITAGE TRAVEL CLUB:

Share

Category