500 Miles & Beyond

500 Miles & Beyond 500 Miles & Beyond, your one stop solution for weekend tours. We believes in providing the best in class leisure Tours to individual and group clients.

We dream… of India travelling…

To the fabulous plans we make…

We want them to take a break .. From boring life, demanding wife,

The Nagging Husbands, Mobiles and broadbands.. To the Mystic Mountains and their Tireless Fountains,

Deep Blue Seas and forest breeze,

Backwaters, Great Lakes and all that we fond…

We want them to travel 500 miles and beyond…

by

Team 500 miles and beyond


Where t

he road ends your journey begins. The sky is calling you, see your reflection in the clear stream of water.Welcome to 500 Miles & Beyond, your one stop solution for weekend tours. We are here to help you to sneak out few days from today’s busy monotonous life amidst of nature to seek peace and tranquility and get back to life again with full energy.Don't look at the wallpaper of your desktop any more, plan your weekend gate away with us


We deliver superior accommodations, lodgings, food and entertainment opportunities which fits your budget.Just pack your bags and we will take care of your every need.

Maa er biday Belar alok sojja rabindra setu te.
07/11/2020

Maa er biday Belar alok sojja rabindra setu te.

 #ঘুরি_মাতাল_আর_বিশ্বকর্মা
18/09/2019

#ঘুরি_মাতাল_আর_বিশ্বকর্মা

#ঘুড়ি_মাতাল_আর_বিশ্বকর্মা

ঘুম থেকে উঠে কেমন একটা অদ্ভুত অস্বস্তি হচ্ছিল । কারণ টা বুঝতে না পেরে, অস্বস্তি কাটানোর জন্যই , বিছানায় খানিক খন মুখ গুঁজে পড়ে ছিলাম । সেই আধ জাগা আধো ঘুমের তন্দ্রাছন্ন অবস্থাতেও অস্বস্তি টা আমার পিছু ছাড়ছিল না... ঘুম টা পুরোপুরি ভাঙতে ব্যাপারটা পরিষ্কার হোল... আজ বিশ্বকর্মা পূজো। কিন্তু আজীবন উত্তর কলকাতায় বড় হওয়া , একশ শতাংশ ভেতো বাঙ্গালী আমার কাছে এক একটা বাঙ্গালী উৎসবের এক একটি উপসর্গ আছে। খাঁটি উত্তুরে ছেলে হওয়ার সুবাদে যেকোনো উৎসবের দিন ই সকাল বেলায় বিছানা থেকেই আমি বেশ অনুভব করতে পারি। যেমন আমার কাছে বিশ্বকর্মা পূজো মানেই উজ্জ্বল শরৎ এর আকাশ ... খুব কাছে কোথাও মাইক এ কিশোর কুমার এর বাংলা আধুনিক গান বাজছে... আর আমার বিছানা থেকেই দেখতে পাচ্ছি উজ্জ্বল নীলাভ আকাশে শয়ে শয়ে ঘুড়ি ইরাকের আকাশে মার্কিন বোমারু বিমানের মতো লড়াই এ মেতেছে... উজ্জ্বল আকাশ ছাড়া বাকি আর কোন উপসর্গ ই আজ মেলে নি। মন টা খুব খারাপ হয়ে গেল... আকাশে একটাও ঘুড়ির দেখা নেই… ব্যাপার টা ঠিক বুঝতে পারছিলাম না... বাড়ি থেকে বেরিয়ে বড় রাস্তার কাছাকাছি আসতে অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হোল... এদিক ওদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে হিন্দি ছবির গান বাজছে... আমার কাছেও ব্যাপারটা খানিকটা পরিষ্কার হোল… আসলে ছোটবেলার ওই পরিবেশের উৎস ছিল পাড়ার বিভিন্ন বাড়ির ছাদে চড়ে বসা পাড়ার বেকার যুবকবৃন্দ আর আঞ্চলিক কিছু ছোট খাটো কারখানা। এরা প্রবল উৎসাহে গানবাজিয়ে ,ঘুড়ি উড়িয়ে একটা larger than life backdrop তৈরি করত । গোলোকায়িত পৃথিবীতে সেসব স্বেচ্ছাসেবক দের আর কোন স্থান নেই । এখন বাস স্ট্যান্ড আর রিক্স স্ট্যান্ড এর কর্মীরা তাদের শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছে... তবে তাদের মধ্যে সেই ছাদে ছাদে ঘুড়ি ওড়ানর ফাঁকে চোরা চাহুনিতে বার্তা বিনিময় এর সেই রোমান্টিকতা কোথায়...
সায়ন বলত “বিশ্বকর্মা পুজো এসে গেলেই বুঝবি দুর্গা পূজোর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল”। ও আর সৌম্য সৌম্যর জেঠুর হাত ধরে ফড়েপুকুর বা হেদুয়ার মাণ্জা কিনতে যেত, আমাদের পাড়ায় ঠিক এই সময় “ছেলে ভোলানো” ঘুড়ির দোকানটা কয়েক দিনের জন্য খুলত । লেবুতলা এলাকায় “India Kites” নামের একটা বিখ্যাত ঘুড়ির দোকান ছিল । সারা কোলকাতা থেকে লোক ওখানে ঘুড়ি কিনতে আসত।আজও ওখানকার লোকেদের কাছে ঐ এরিয়ার Important Landmark …. দোকান কবেই উঠে গেছে... যেমন সায়ন গেছে, Texas আর সৌম্য নাসিক । আমি শুধু স্মৃতির কোলকাতা আঁকড়ে পরে আছি । ছোট বেলায় আমরা রোজ ছাদে উঠে দেখতাম ... এণ্টেনায় কটা ঘুড়ি আটকাল । আজকাল ডিটিএইচ এর গায়ে কেন ঘুড়ি আট্কায় না!!!!সারা মাস উত্তর কোলকাতার আকাশ “পেটকাটি , চাঁদিয়াল , মোমবাতি বগগা” দের দখলে থাকত… আজকাল কজনই ঘুড়ি ওড়ায় !!!
বিশ্বকর্মা পূজোকে আমরা বলতাম মাতলামির semi ফাইনাল । দোল এর quarter final আর কালী পূজোর final এর মাঝে এই একটা শেষ knockout mach. এ পাড়ার world class মাতাল রা জান লড়িয়ে খেলত । আমার ছোট বেলা জুড়ে আছে এমন কিছু অলৌকিক মাতলামি ।এক বার একজন বিখ্যাত মাতাল বিশ্বকর্মা পুজর দিন জুতো কিনে আনল(জানিনা কেন ওইদিনটাই বেছেছিল)পরদিন জানা গেলো দোকান থেকে দু পায়ের দুই রকম জুতো দিয়েছে... রেগে মেগে আমরা দোকানে ঝামেলা করতে গিয়ে দেখি দোকানদার উলটে রেগে ফায়ার । উত্তেজিত হয়ে হাত ,পা ছুঁড়ে সে যা বল্ল তা উদ্ধার করে দাঁড়ায় এক পা এর জুতো টা সেট করে সবে তিনি আরেকটা পায়ে জুতো পরাতে যাবেন, এমন সময়ে আমাদের মাতাল প্রবর দোকানদারের জুতোর একপাটি গলিয়ে পয়সা না দিয়ে গটমট করে বেরিয়ে এসেছে , দোকানদার আটকাতে গেলে তাকে কোম্পানি কিনে ফেলার হুমকি দিয়েছে । দোকানদার কাল থেকে দু পায়ে দুরকম জুতো পরে ঘুরছেন । খুব ভাল মনে আছে একবার সদ্য প্রেমে আঘাত পাওয়া এক senior দাদা overdose হওয়ায় বড় রাস্তা জুড়ে শুয়ে পড়ে অবস্থান বিক্ষোভ দেখিয়ে ছিল। ভাগ্যিস বিশ্বকর্মা পূজোর দিন রাস্তায় বেশি গাড়ি চলে না , নাহলে কি যে হত বলা খুব মুশকিল । আমরা খবর পেয়ে আনতে ছুটলাম। দেখি রীতিমত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি । তাকে যত বোঝাই সে মেয়ের বাড়ির কর্তৃপক্ষের সাথে দেখা করার আবেদন জানাতে থাকে আর বলতে থাকে এটা তার পিতৃপুরুষের রাস্তা, কেউ তাকে সরাতে পারবে না। বেগতিক দেখে মেয়েটিকে খবর দেওয়া হোল। মেয়েটি এই ঘটনার পর থেকে তাঁকে দেখলে ফুটপাথ বদল করে নিত । সেই সব রাজসিক মাতালরা আজ কোথায় কে জানে!! হয়ত এই first half,second half,shifting duty,multiplex, Mall , মূত্র থেকে অনেক দূরে অন্য কোন নিসচিন্দিপুর খুঁজে নিয়ে নিশ্চিন্তে রাজ্য পাট সামলাচ্ছে ... যেমন আগাগোড়া কোলকাতার প্রেমে মাতাল সৌনক সামলাচ্ছে ওহায়োর পরীক্ষাগার । খুব প্রিয় ছিল সুনিল গাঙ্গুলির অনুবাদ করা Charles Baudelaire এর কয়েকটা লাইন যা চলে যাওয়ার আগে বারবার বলত... " সুরা, কবিতা অথবা উৎকর্ষ; যা তোমার পছন্দ।কিন্তু মাতাল হও….”
শোভাবাজার এর মাসিদের গাড়ির কারখানায় বড় করে নিয়ম মেনে পুজো হত, মেসোর সব বন্ধুরা এই দিন আসতেন , মাসিদের সাবেকী বাড়িতে উৎসবের পরিবেশ , দু দিকের দুটো বিশাল ছাদের একটায় মেসো আর একদিকে মাসতুতো দাদারা দলবল নিয়ে ঘুরি ওড়াত আমরা এ ছাদ ও ছাদ ছুটে বেড়াতাম। প্রতিযোগিতা চলত হাওড়া ব্রিজ অবধি ঘুরি বাড়বার... মেসোদের বাড়িতে এখন ফ্ল্যাট হচ্ছে ... গাড়ির কারখানা বন্ধ, গ্যারেজ ভাড়া দেওয়া হয়। বিকেল বেলা ফেরার সময় দেখি বড় রাস্তা ধরে দুপাশে দুপা অন্তর অন্তর প্যান্ডেলে একা বিশ্বকরমা বসে আছে , বক্সে তারস্বরে হিন্দি গান বাজছে , সঙ্গিসাথি রা উধাও , সারাদিনের মোচ্ছব এর পর কোথাও বেহুস হয়ে পড়ে আছে... মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল... ভারাক্রান্ত মনে বাসস্ট্যান্ড এ নেমে আলউকিক দৃশ্য, একজন মাতাল অন্ধকারে বড়রাস্তায় দাঁড়িয়ে একটা ঘুড়ি ওড়াবার চেষ্টা করছে ।কি অদম্য সাহস!!!বেচারার লাটাই ধরার কেউ নেই। ছোটবেলায় আমার লাটাই ধরতে একদম ভাল লাগত না, কিন্তু আজ খুব মনে হচ্ছিল ছোটবেলার মতো লাটাই হাতে ওর পেছনে দাঁড়াই । অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত করলাম... কে জানে যদি লাটাই ধরতে গিয়ে ছোট বেলার অনুভূতি টা ফিরে না আসে!! আমার মনের গভীরের ছোটবেলার সেই বিশাল ন্যাড়া ছাদ , আমি বড় দাদাদের পেছন পেছন লাটাই হাতে ছুটছি , নীচ থেকে সহৃদয় কাকিমারা পাড়ার ছেলেদের জন্য চা বানিয়ে পাঠাচ্ছে... এই স্মৃতি গুলো উসকাতে উসকাতে বারি ফিরে এলাম...।

চিত্র ঋণ : সন্দীপ মল্লিক । Sandeep Malik

শ্রী শ্রী বিশ্বকর্মা পূজা মন্ত্র

নম: শর্মা করিৎকর্মা
হাস্য মুখ দেবেন বর্মা
বোতল সহ মটন কোর্মা
অপশনাল দধিকর্মা ।।

মাঞ্জা ঘুড়ি ওড়া উড়ি
কম্পিউটার মোটর গাড়ী
নাট বোল্টু সাঁড়াশি সন্না
চালক পালক বিশ্বকর্মা ।।

আদুল গাত্র ধুতি মাত্র
হস্তী পিঠে হাতুড়ি হস্ত !
বাবরী চুলো চোখে সুর্মা
সতেরো নয়'এ বিশ্বকর্মা ।(অন্তর্জালে প্রাপ্ত)

পুনশ্চ : লেখা টা বেশ ক বছর আগে লেখা ।

 #কলিঙ্গ_বিজয়
01/09/2019

#কলিঙ্গ_বিজয়

#কলিঙ্গ_বিজয়

" কুয়াডে যাউছ?! কাহাকু জানেইকি সেথিকি যাউছ? কিয়ে তুমকু পঠেইচি? গাঁও লোক কু কাহিদেবি, না শুনিবা যদি লোক আসিবে , মুন্ডা কটিদেবে!! "
বক্তা - সুক্রু মাঝি , জনৈক মালিপাদার গ্রামের বাসিন্দা একটু আগেই যে গ্রাম টাকে পাহাড়ের ওপর সমতল জায়গায় ফেলে এসেছি|

কথা শুনে বুঝলাম এবার তো বিপদ | দিব্যি দিনকতক উড়িশ্যার এই প্রত্যন্ত পাহাড়ী জঙ্গুলে এলাকায় এক পাহাড় বেয়ে টুকটুক করে নেমে আরেক পাহাড় চূড়ায় যাচ্ছিলাম, মাঝখান থেকে এ কি জ্বালা! মনে মনে অবিশ্যি খুশি ই হোলাম | এই দুপুর রোদ এ দু বার করে পাহাড় ভাঙবার কোনোই অভিপ্রায় ছিলোনা আমার, কিন্তু স্যার এর দাবি যেতেই হবে পাথর দেখতে| (এই খানে বলে রাখি, পেশায় আমি ভূতত্ত্ববিদ, অর্থাৎ কিনা জলে-জঙ্গলে পাহাড়ে পর্বতে মাটির তলায় মাটির নিচে রাস্তার ধারে বাড়ীর পিছনে পাথর খুঁজে যেতে হবে আর পেলেই তার উপরে শুয়ে পড়ে পড়াশুনা আরম্ভ করে দিতে হবে, গ্রামের লোকজন দেখে হাসে, ভাবে যে শহুরে বাবুরা সব সাধ করে জঙ্গলে এসে পাথরের ওপর গড়াগড়ি খায় কেন?!) যাকগে, এসব বলতে নেই, এটাই আমার কাজ অর্থাৎ স্যারের ভাষায় -'This is your bread and butter' -হক্ কথা, অতএব গত এক মাস ধরে উড়িশ্যার এই মালভূমি অঞ্চলে আলুমিনিয়ামের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছি| এখানে সব পাহাড়ী জঙ্গল, কোথাও ঘন জঙ্গল পাহাড়ের মাথায় , কোথাও বা ফাঁকা মাঠ, যেমন হাওয়া তেমনি হঠাৎ বৃষ্টি|

যাই হোক, উল্টো দিকের পাহাড়ের মাথায় সুক্র যেরকম হাতপা ছুড়তে আরম্ভ করেছে তাতে একরকম বাধ্য হয়েই নামতে আরম্ভ করলাম, আমরা, আমি তো খুশি , সেই সকাল আট টা থেকে পাহাড় বাইছি, এখন বাজে দুপুর দুটো, আর ভাল্লাগেনা বাপু! আমার উড়িয়া পার্টনার অভিলাস ও বলল,"আও চালি পারিবিনি, বহত ভুখো লাগুচি! আসো বসি খাইবা"| সবে মাত্র বৃষ্টি থেমেছে| ঘড়িতে দেখলাম আড়াইটে বাজছে| সেই সকাল আট টা থেকে পাহাড়ের এমাথা থেকে সেমাথা করে বেড়াচ্ছি| ওর কথায় এতক্ষনে খিদেটাও চাগার দিয়ে উঠেছে| সকালে স্রেফ চিড়ে জলে ভিজিয়ে খেয়ে বেড়িয়ে গেছিলাম| অতএব বসা যাক| ততক্ষণে অভিলাস আর সিলু থেবড়ে বসে পড়েছে হাতুড়ি কম্পাস ব্যাগ ছড়িয়ে রেখে| পত্রপাঠ বেড়িয়ে এসেছে টিফিন বক্স| আমিও আর দেরী না করে শুরু করে দিলাম| ঢাকনা খুলতে যেটা বেরোলো সেটা চট করে মুখে দিতে বুঝলাম হতভাগা রাঁধুনী টা একটি ফোঁটাও নুন দেয়নি| আর এটা কী বানিয়েছে?! না ভাত না পোলাও না খিচুড়ি - আইডিয়াল জগাখিচুড়ী | তেল কম দিতে বলায় বোকাটা তেল তো বটেই নুন ও দেয়নি|
ওদের ও মুখ দেখে বুঝলাম এই শুকনো ভাত ওদেরও গলা দিয়ে নামছেনা| দেখে করুণা হলো| একটা ' হাইক্লাস' হাসি দিয়ে বললাম চিন্তা করিসনি, বলেই ব্যাগ থেকে বের করলাম কুরকুরের প্যাকেট আর একটু কাঁচা পেয়াজ| ব্যাস! সামনে বৃষ্টি ভেজা পাহাড় আর পেছনে ঘন বন - মাঝখানে পাহাড়ের ধরে পা ঝুলিয়ে শুরু হলো আমাদের 'জিভে প্রেম'।

এই তালে উল্টোদিকের পাহাড় থেকে লাফাতে লাফাতে নেমে এসেছে সুক্রু| রোগা ক্ষয়াটে ধরনের চেহারা, আর এই দুপুর রোদেই হাঁড়িয়া টেনে এসেছে| প্রবল আস্ফালন আর চরম কটু দুর্গন্ধ মিশ্রিত দুর্বোধ্য গ্রাম্য উড়িয়া ভাষায় (অভিলাস দোভাষীর কাজ করছিল)জানা গেলো তার আপত্তির কারণ। বছর কয়েক আগে অন্য কোন এক কোম্পানি এখানে কাজ করতে গিয়ে গ্রামের লোকেদের সাথে বেশ ঝামেলা বাধিয়েছিল- সেই জন্যই আপত্তি| গ্রামের আরো দুই রমণী পাহাড়ের জঙ্গলে শুকনো কাঠ তুলতে এসেছিল, তারাও সুক্রুর কথায় সায় দিচ্ছিল| আমরাও টিফিন খেতে খেতে তাদের বক্তব্য শুনলাম| হতভাগা সুক্রু কে আমাদের খাবার থেকে একটু ভাগ দিয়েছিলাম, চেটেপুটে খেলো, যাওয়ার আগে আবার শাসিয়ে গেল | আমরাও কেটে পড়ার তাল করলাম| ওই ভদ্রমহিলা দুজন তখনো মাথার বোঝা নামিয়ে বসে গল্প গুজব করছিল । ঘরোয়া সমস্যা । জানতে পারলাম যে ওনার বড় ছেলেও সেবারে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে বিনা দোষেই জেল খেটে এসেছিল। সেই থেকেই তাদের ভয় | যাকগে আমরাও কেটে পড়ার তাল করলাম| পাহাড় থেকে নামার সময় আমি একটু হড়কে যাচ্ছিলাম, তাই দেখে মহিলা দুজনের কি হাসি, একটু চটলাম, পরক্ষণেই ভাবলাম এদের আর কী, আমরা তো চলেই যাব, ফিরে যাব নিজেদের ঝকমকে শহরে, এনারা রোজ তিন বেলা করে পাহাড় চূড়ায় উঠবে আর নামবে, শুকনো কাঠ তুলতে তা সে রোদ ঝড় বৃষ্টি যাই ই হোক না কেন|

ফিরে আসতে আসতে ভাবছিলাম এইত্ত ফিরলেই মায়ের ফোন আসবে-' ঠিক করে খাচ্ছিস তো? শরীর ঠিক আছে তো? ফিল্ড এ কোনো সমস্যা হয়নি তো? ইত্যাদি ইত্যাদি'

নামতে শুরু করার আগে আরেকবার পিছন ফিরে চাইলাম, মেঘ কেটে এসেছে, বেলাও পড়ে এসেছে...
মহিলা দুজন কাঠ কুড়িয়ে বসে বসে গল্প করছেন- ছেলে আজ দেশি মুরগী এনেছে, রাতে জব্বর রান্না হবে ।

©অনির্বাণ সরকার Anirban Maximus Sarkar

15/08/2019

্য_বিধায়ক_জয়_হে

ইরা দেবয়স-62-65নিখোঁজ হওয়ার তারিখ:17/7/19সময়: বিকেল 5-5:30পরনে ছিলো -হলুদ শাড়ি,কালো ব্লাউস।।নিখোঁজ স্থান মাস্টার দা সূর্...
18/07/2019

ইরা দে
বয়স-62-65
নিখোঁজ হওয়ার তারিখ:17/7/19
সময়: বিকেল 5-5:30
পরনে ছিলো -হলুদ শাড়ি,কালো ব্লাউস।।
নিখোঁজ স্থান মাস্টার দা সূর্য সেন মেট্রো স্টেশন।।

খোঁজ পেলে দয়া করে নিম্নলিখিত নম্বর এ যোগাযোগ করুন।।

7596890440

এই পোস্টটি কোনো পেজের like বাড়ানোর জন্য না দয়া করে share করুন।।

 #আদিনাগের_খোঁজে_আদি_পর্ব
17/06/2019

#আদিনাগের_খোঁজে_আদি_পর্ব

#আদিনাগের_খোঁজে_আদি_পর্ব

তখন বিকেল তিনটে হবে কিলোমিটার খানেক জুড়ে বিশাল আকারের উঁচু নিচু পাথর টপকে একটা উঁচু মত জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি । নিচে সগর্জনে জাহ্নবী বয়ে চলেছে । সদ্য হিমবাহ ভেঙে মাটি পাথর মেশানো সফেন ঘোলা গাত্রবর্ণ তার । পথে কত ছোট ছোট উপনদী এসে মিশেছে । পাহাড়ি পথের সব নদীকেই এখানকার লোকেরা গঙ্গা বলে সম্বোধন করে । নিলগঙ্গা , আকাশগঙ্গা ইত্যাদি ইত্যাদি । ওপাড়ের উপত্যকায় মাউন্ট শিবলিঙ্গ দেখা যাচ্ছে । সূর্যের প্রখর তেজ শিখরের বরফে ঠিকরে পড়ে চোখ ঝলসে যাচ্ছে । সত্যিই আকার তার শিবলিঙ্গের ই মত । ডানদিকে খাদের ধার ঘেঁষে পাথর দিয়ে একটা উঁচু মত বেদি তৈরি করা তার ওপর একটি শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠিত । পাশে লাল খরিমাটি দিয়ে পাথরে লেখা "বরফানি বাবা "। দেখেই বোঝা যায় নিত্য পুজো হয় না । ন মাসে ছ মাসে কোনো অভিযাত্রী হয়ত সাধ্য মত অর্চনা করেন পথের দেবতাকে । আমি অনেকটা এগিয়ে এসে পড়েছিলাম । সামনে খাদ বেয়ে নিচে নেমে যাওয়ার একটা শুরিপথ । ষাট সত্তর ফুট নামার পর একটা বিস্তীর্ন প্রান্তর । তারপর আবার একটা খাড়াই । হিসেব মত গোমুখ পৌঁছাতে আর খুব বেশি হলে ৩ - ৪ কিলোমিটার ।

সকাল আটটায় বেরিয়েছি চিরবাসা থেকে আমরা । আমরা বলতে আমি , অরিত্রিক , অংশু , বিজয় , দেবজ্যোতি আর পৌলমী । সদলবলে গোমুখ হয়ে জাহ্নবী কল হিমবাহ পেরিয়ে তপোবন হয়ে নন্দন বন , তারপর পারলে বাসুকী তাল অবধি যাওয়ার ইচ্ছা । নাগরাজ বাসুকীর বাসস্থান , যাকে পুরাণে আদিনাগ বা শেষ নাগ বলে অভিহিত করা হয়েছে । সমুদ্র মন্থনের সময় মন্দার পর্বত বেষ্টন করি রজ্জু হিসেবে ব্যবহৃত এই সর্পরাজের সম্বন্ধে বিষ্ণু পুরাণে বলা আছে চার যুগের শেষে যখন প্রলয়ে মহা সমুদ্রে সবকিছুই তলিয়ে যাবে তখন শুধু থাকবেন নাগরাজ বাসুকী । তাই তাকে পুরাণে আদি , শেষ বা অনন্ত নাগ বলে সম্বোধন করা হয়ে থাকে । কোনো আষাঢ়ে গপ্পের আড্ডায় একবার শুনেছিলাম বাসুকিতালে (মতান্তরে অমরনাথের কাছে শেষনাগ লেকে ) অভিযাত্রী দের কেউ কেউ নাকি তার ছায়া দেখেছেন বলে জনশ্রুতি । যদিও ওটুকু ফ্যান্টাসির ছোয়াই যথেষ্ট আমার উৎসাহ ৩ গুন বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ।
দেবভূমি হিমালয় । ঘন্টার পর ঘন্টা একা হাঁটতে হাঁটতে শুধু নিজের নিঃস্বাস আর প্রশ্বাস দূরে গোমুখের শিবের জটার পাকের মধ্যে গঙ্গার গর্জন ছাড়া আর কোনো শব্দ শোনা যায় না । যথেষ্ট কঠিন পথ সন্দেহ নেই , কিন্তু পূর্ন উদ্যমে ঘুঁটি সাজিয়েছে অরিত্রিক । খুবই টাইট সিডিউল । সেই মত দিল্লি থেকে দেরাদুন হয়ে প্রথম দিনেই গঙ্গোত্রী পৌঁছাতে সন্ধ্যে ৭ টা বেজে গেলো । উত্তরাখণ্ডের পাহাড় উত্তরবঙ্গের মত নয় । ওখানে সহজে এলিভেশন পাওয়া যায় না । সেই সকাল ৯ টায় দেরাদুন থেকে শুরু করে ৫ টা নাগাদ উত্তর কাশি অবধি আমাদের কোনো শীতবস্ত্রের প্রয়োজন হয় নি । গঙ্গার নীল জলরাশি পাশে করে সারাদিন গাড়ি চলছে । পথে কোথাও কোথাও অদ্ভুত সুন্দর সুন্দর এক ধরণের গাছ । গাঢ় বেগুনি রঙের ফুলে ফুলে ভরে রয়েছে । বেগুনি আগুন লেগেছে যেন পাহাড়ের গায়ে ।

উত্তর কাশি তে কিছু কাজ ছিলো । সিডিউল অনুযায়ী চলার জন্য একরকম জোর করেই আমরা গঙ্গোত্রী চলে আসতে চেয়েছিলাম ।একটু দেরি হয়ে যাওয়ায়, পথেই ঝপ করে অন্ধকার নেমে এলো । আরো ঘন্টা দেড়েক চলার পর গঙ্গোত্রীর সামনে এসে আমাদের গাড়ি যখন থামলো তখন ঘন অন্ধকার । তুষারপাত শুরু হয়েছে । আমাদের সমস্ত শীত বস্ত্র রুকস্যাক এ । ঠক ঠক করে কাঁপতে কাঁপতে সামনের একটা হোটেলের ছাউনিতে আশ্রয় নিলাম । তাড়াতাড়ি রুকস্যাক থেকে একটা পুলভার বের করে পরে নিলাম । হাত অসাড় হয়ে গেছে । দূরে গঙ্গা মন্দির থেকে আরতির শব্দ আসছে । আমি আর অরিত্রিক বেরিয়ে পড়লাম আশ্রয়ের খোঁজে । ব্রিজ পেরিয়ে নদীর ওপারে কিছু ভালো ধর্মশালা আছে জানতাম । কিন্তু রাতের অন্ধকারে বেশিদূর হাঁটা যাচ্ছিল না । অচেনা জায়গায় এইজন্য আলো থাকতে থাকতে গিয়ে পৌঁছানোই ভালো । খুঁজে পেতে একটা চলনসই মাথা গোজার আশ্রয় পাওয়া গেলো । কাঁপতে কাঁপতে কোনো রকমে বামাল সমেত ঢুকে পড়লাম আমরা ছজন । দুটো ঘর । একটাতে আমি , দেবজ্যোতি , পৌলমী । অপরটিতে অরি , অংশু আর বিজয় ।

হোটেলের দেওয়া গরম জলে একটু ফ্রেস হয়ে নিয়ে বেরিয়ে পড়া গেল । আমি অভ্যাস বসত একটা হাফ প্যান্ট পড়েছি । বেশ ঠান্ডা লাগছে কিন্তু বেশ একটা বীর বীর ভাব আসছে মনে । গঙ্গোত্রী মন্দিরের কাছের একটা দোকানে বসে গল্প করছি । উত্তর কাশি দেবভূমির প্রবেশ দ্বার । তার পর পুরো চার ধামের কোথাও পেঁয়াজ রসুন পর্যন্ত পাওয়া যায় না । বেশ জমিয়ে টিকিয়া চাট খেতে খেতে আগামী পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে । অনেকটা ওপরে একদিনে চলে আসা হয়েছে । কালকের দিনটা acclimatize করার জন্য বিশ্রাম । তবে বিকেলের দিকে একবার ওপাড়ের উপত্যকায় গৌরিকুন্ড হয়ে কেদার তালের দিকে একটা worm up trek করে আসবো ভাবছি । সন্ধ্যের মধ্যে আমাদের গাইড পোর্টার এসে যাবে উত্তর কাশি থেকে ।

এসব কথা হচ্ছে এমন সময় সাহেবি উচ্চারণে পাশে কে বলে উঠলো -"Oh My God , too heroic " । একজন জার্মান সাহেব , আমার হাফ প্যান্ট দেখে ঘাবড়ে গেছে । আলাপ করে জানতে পারলাম তার হিন্দু নাম অশোকা । আর খানিক খন আলোচনা করে সেদিনের মত যার যার ঘরে ঢুকে পড়লাম । আসন্ন অভিযানের দুর্গমতার কথা ভেবে মনে মনে একসাথে শিহরিত ও আশঙ্কিত হচ্ছিলাম । সিডিউল অনুযায়ী পুরোটা পারবো কিনা , তুষারপাত এরকমই চলবে কিনা , পথের অবস্থা কেমন থাকবে এসব নানা আশঙ্কা মনে আসছিলো বারবার ।

আজ যাত্রার শুরুর পর দ্বিতীয় দিন । পথের নিয়ম মেনেই বেহিসাব হয়েছে । আজ সকাল ১২ টার মধ্যে গোমুখ পৌঁছে তপবনের উদ্দেশ্যে গঙ্গোত্রী হিমবাহে চড়তে শুরু করার কথা । কিন্তু এখনো গোমুখ ই পৌঁছাতে পারিনি । এপথে ভুজবাসা ছাড়া আর কোথাও থাকার অনুমতি মেলেনা । কিন্তু এতটা এসে আবার ভুজবাসা ফিরে যাওয়ার কোনো মানেই হয় না । সাথে তাঁবু থাকলেও এসব অঞ্চল অত্যন্ত ধ্বস প্রবণ । ২০১৩ র প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর আরো প্রবণতা বেড়েছে । অনবরত বড় বড় পাথর গড়িয়ে পড়ে পাহাড় থেকে । তাই যত অন্ধকারই হোক আজ রাতেই হিমবাহ পেরোতে হবে । আমাদের গাইড সুনীল আর দুজন পোর্টার নিচে নেমে গেছে । পেছন ফিরে একবার দেখলাম । দূর থেকে অংশু আর বিজয় কে দেখা যাচ্ছে । অরিত্রিক কাছাকাছি ই ছিলো । জিজ্ঞেস করলাম - "কি মনে হয় ? আজ হবে ? " । ওর চোয়াল শক্ত হয়ে গেছে । বিড়বিড় করে বললো - " আজ গ্লেসিয়ার টপকাতেই হবে , নাহলে সব গন্ডগোল হয়ে যাবে " । আর একটু দূর থেকে দেবজ্যোতি আর পৌলমী কে দেখা গেলো । পোর্টার দের সাথে গল্প করতে করতে আস্তে আস্তে আসছে । আমাদের সবারই বেশ কষ্ট হচ্ছে । তার ওপর রাত্রি বেলা হাড় হিম করা ঠান্ডা । প্রচন্ড হাওয়ায় তাঁবু খাটানো পর্যন্ত মুশকিল হচ্ছে । সারা রাত বরফ পড়ছে । কোনোরকমে স্লিপিং ব্যাগে ঢুকে আধ ঘন্টা ঠক ঠক করে কাঁপার পর একটু ধাতস্ত হচ্ছি । তখন খাওয়া দাওয়া সব মাথায় উঠছে । প্রকৃতির ডাকে পর্যন্ত সাড়া দিতে ইচ্ছা করছে না । এক তাঁবু থেকে অন্য তাঁবু যাওয়া পর্যন্ত যাচ্ছে না । হাইজিন টাইজিন সব ভুলেছি । তাঁবুর মধ্যে খেয়ে ওখানেই নোংরার মধ্যে শুয়ে পড়ছি । জল বলতে জাহ্নবীর কাদা গোলা ঘোলা জল । সারা রাত তাঁবুর ওপর বরফ পড়ার আওয়াজ । হয়তো কোন প্রাণী ও ঘুরে গেছে আশ পাশ দিয়ে । কিন্তু উঠে দেখার আর ক্ষমতা ছিলো না।এমতাবস্থায় রোজ ই স্বভাবতই একটু লেট হচ্ছে । এখন তার মাশুল না গুনতে হয় !! যা আছে কপালে । আস্তে আস্তে শুরিপথ বেয়ে নিচে নামতে শুরু করলাম । সুরেশ্বরী গঙ্গা , যার পদ পার্শ্বে বাস করলে খলু বৈকুন্ঠ লাভ হয় তিনিই ঠিক করবেন । আপাতত হাঁটতে থাকি ।
( চলবে )
চিত্র ঋণ : Debajyoti Ash

06/06/2019

বায়ুর ভিতর থেকে গ্রহণ করেছি আয়ু;
জানি, একদিন বায়ুতেই যাবো মিশে ।
তখন আমাকে যদি খোঁজ, যদি খোঁজ,
শুভ্র অভ্রবিন্দুবৎ তখন আমাকে পাবে
কম্পমান পদ্মের পাতায়, ঘাস-শীষে ।
মধুর ভিতর থেকে গ্রহণ করেছি আয়ু;
মৃত্যু হয়ে একদিন মিশে যাবো বিষে ।
----নির্মলেন্দু গুণ
চিত্র ঋণ - শুভ্রা সাহা ।

17/05/2019
I don't think I need to add any new detail about this particular joint to Mughlai food lovers of the country ,  Along wi...
16/02/2019

I don't think I need to add any new detail about this particular joint to Mughlai food lovers of the country , Along with Nizam's , Royal , Aliya , Aminiya the can be rightfully considered ar the forefathers of all Mughlai Restaurants. I can just add one or two points ...

#পুরোনো_কলকাতার_খাওয়াদাওয়া_সাবির_হোটেল

28/12/2018

আরেকটি ছবি পাওয়া গেল । সেই স্বর্গীয় প্রাতরাশ এর ।

মিত্র ক্যাফে র নাম শুনলে যদিও প্রথমেই মনে আসে কবিরাজি , ব্রেন চপ , ডায়মন্ড ফ্রাই ইত্যাদির কথা , কিন্তু খুব কম লোকেই জানে...
13/12/2018

মিত্র ক্যাফে র নাম শুনলে যদিও প্রথমেই মনে আসে কবিরাজি , ব্রেন চপ , ডায়মন্ড ফ্রাই ইত্যাদির কথা , কিন্তু খুব কম লোকেই জানেন যে আদি মিত্র ক্যাফে দোকান টিতে প্রতিদিন সকালে পাওয়া যায় দারুন প্রাতরাশ । শুভ্র চীনা মাটির প্লেটে স্বর্ণালী মাখন টোস্ট , পাশে অল্প করে কুচনো পেঁয়াজ লঙ্কা আর সাথে এক সদ্য স্নাত সূর্যের মত ( এই জন্য বোধ হয় একে sunny side up বলে ) একটি বড়সড় হাঁসের ডিমের পোচ । আর শেষ পাতে আরেকটি বিলুপ্তপ্রায় পদ পুডিং ।

মিত্র ক্যাফে র নাম শুনলে যদিও প্রথমেই মনে আসে কবিরাজি , ব্রেন চপ , ডায়মন্ড ফ্রাই ইত্যাদির কথা , কিন্তু খুব কম লোকেই জানেন যে আদি মিত্র ক্যাফে দোকান টিতে প্রতিদিন সকালে পাওয়া যায় দারুন প্রাতরাশ । শুভ্র চীনা মাটির প্লেটে স্বর্ণালী মাখন টোস্ট , পাশে অল্প করে কুচনো পেঁয়াজ লঙ্কা আর সাথে এক সদ্য স্নাত সূর্যের মত ( এই জন্য বোধ হয় একে sunny side up বলে ) একটি বড়সড় হাঁসের ডিমের পোচ । চাইলে বড়সড় একটা ওমলেট বা ফ্রেঞ্চ টোস্ট আর শেষ পাতে আরেকটি বিলুপ্তপ্রায় পদ পুডিং ।

সেটা বছর পাঁচেক আগের কথা , সে সময় আমার নেশা ছিল কোলকাতার বিভিন্ন দোকানে ব্রেকফাস্ট করে বেড়ানো । মিত্র ক্যাফে সে সময় আমার অন্যতম পছন্দের ঠেক ছিলো । কালের নিয়মে কিছু বদল হয়েছে । হাঁসের ডিমের জায়গা নিয়েছে দেশি মুরগি । কিন্তু আমেজটা বেশ একই আছে । শীতের সকালের উত্তর কোলকাতা , টোস্ট পোচ পুডিং , আর শেষে ওদের স্পেশাল ঘন দুধের এলাচ আদা দেওয়া কড়া চা । দিনটা ভালো হয়ে গেল ।

Morning breakfast at Mitra Cafe,Sovabajar . Also there pudding is a must try .

দক্ষিনেশ্বর কালীমন্দির থেকে প্রায় ঢিল ছোড়া দূরত্বে , প্রাচীন জনপদ আরিয়াদহ। দশ মিনিট হাঁটা পথে নির্জন লঞ্চ ঘাটের পাশেই এই...
28/11/2018

দক্ষিনেশ্বর কালীমন্দির থেকে প্রায় ঢিল ছোড়া দূরত্বে , প্রাচীন জনপদ আরিয়াদহ। দশ মিনিট হাঁটা পথে নির্জন লঞ্চ ঘাটের পাশেই এই প্রায় দ্বিশতাব্দী প্রাচীন মন্দির শ্রেণী । মুক্তকেশী মন্দির , মা অভয়ার মন্দির ও ঘাট , বান রাজা দের তৈরি সুপ্রাচীন শিব মন্দির ও অতি প্রাচীন একটি শ্মশান । দক্ষিনেশ্বরের ছোট ঠাকুর রামকৃষ্ণের মাতা চন্দ্রামনি দেবীকেও দাহ করা হয় আরিয়াদহ র এই শতাব্দী প্রাচীন ঘাটেই ।
#কলকাতার_আশেপাশে_মুক্তকেশী_কালীমন্দির

Address

Head Office : 94 South Sinthee Road Kolkata :/City Office :B-142 Raja S. C Mullick Road, Jadavpur. Kolkata/700032
Kolkata
700030

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 500 Miles & Beyond posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to 500 Miles & Beyond:

Share