04/10/2018
# #পর্ব -১
পুজোয় উত্তরবঙ্গ .....
টিকিটকেটে ফেলেছেন অথচ গন্তব্য ঠিক হয়নি যা রয়েছে আলোচনার স্তরে
আসুন আপনার উত্তরবঙ্গগামী পথচলতি পা দুটো কে টেনে নিয়ে যাই কোন এক অজানা পাইন বনের পথে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর প্রজাপতিদের সঙ্গী করে অথবা একটা লম্বা চড়াই-উৎরাই পথে বেশ খানিকটা trekking trekking ভাব নিয়ে পৌঁছে গেলেন এক পাহাড়ি নদীর সান্নিধ্যে ....কেমন হবে যদি lunch টা হাতে হাতে পৌঁছে যায় প্রত্যন্ত সেই জল জঙ্গল আর পাহাড়ের পটভূমিতে ||
কি ভাবছেন শুরু করা যাক
একটা বাজেট ট্যুর
রাতের থাকা গুলো সাজিয়ে দি কয়েকটা অচেনা বা কম জানা পাহাড়ি গ্রামের হোমস্টে এ যেখানে থাকা খাওয়া ছাড়াও ফ্রিতে পাবেন এই সব সহজ সরল পাহাড়ি মানুষগুলোর প্রাণবন্ত আথিথেয়তা ॥
নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এ নেমে ঠিক করে ফেলুন একটা গাড়ি (আশা করব আপনাদের গ্রুপ সাইজ ৬থেকে ৮ জন -গাড়ি ভাড়া টা মাথাপিছু ভাগ করে দিলে খরচ কমে ) ছোট থেকে বড় সব ধরনের গাড়ি আর হোমস্টের বুকিং এর জন্য যোগাযোগ
Subhajit Ghosh
[email protected]
7003507037
&
Sajal Ghosh
[email protected]
9748745677
প্রথম গন্তব্য হোক চা বাগান - কার্শিয়াং এর অদূরে ফুলবাড়ী , বিখ্যাত এবং সুপ্রাচীন ( Established in 1859) Makaibar Tea স্টেট এর মধ্যে | চারিদিক সবুজ আর সবুজ চা বাগানের গালিচায় মোড়া | নৈঃশব্দ্য আর নানা প্রজাতির পাখির কলতান কান পাতলেই | আপনাকে স্বাগত জানাবে উষ্ণ ঈষৎ লালচে সবুজ Makaibari Tea (Transparent cup এ দেয়া হয় রংটা চাক্ষুষ করার জন্য ) এর সুঘ্রাণ । চা বাগানের গা ঘেঁষে যে সবুজ জঙ্গল ছড়িয়ে পড়েছে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে পা ছড়িয়ে বসুন সেখানে দু দন্ড - এ এক সবুজ বিশ্রাম ও শান্তি ।।
পাতলা মুসুর ডাল ,আলুভাজা , quash এর মাখামাখা
তরকারি আর ডিমের ঝোল
ঠিক বাড়ির মতো আদরে যত্নে বানানো আর পরিপাটি পরিবেশন আর তার সঙ্গে ভাবনা শর্মার রোজনামচা আপনাকে মুগ্ধ করবে । একটু গড়িয়ে নিন আর বেলা থাকতে থাকতে বেরিয়ে পড়ুন সাত গুমটি ভিউ পয়েন্ট ।Pankha Bari road এ গাড়ি চলাচল কমে আসে বিকেলের দিকে তাই হেঁটেই চলুন মিনিট কুরি, তারপর ডানদিকে পায়ে চলা পথ পাকিয়ে ওপরে উঠেছে সাত গুমটি ভিউ পয়েন্টে। অভ্যাস না থাকায় একটু কষ্ট হবে , কিন্তু এ এক প্রাকৃতিক এক্সারসাইজ । আর পৌঁছে আপনি হবেন astounded ।এক অপূর্ব সূর্যাস্ত........
আপনাকে আর পাহাড়ের চুড়ো গুলোকে দিনের শেষ আলো ছুঁয়ে আছে আর নিচে গভীর গহীন ছায়া ছায়া উপত্যকা । অনেক দূরে নিচে সাদা ফিতের মত বালাসন নদী আর আলো জ্বলে ওঠা শিলিগুড়ি শহর । আর আপনার পিছনে আঁধার ঘনিয়ে আসা হাজার হাজার বছর পুরনো পাইন বন । আশা করি হাতের ক্যামেরা আর চোখের ক্যামেরা দুটোর ই বেশ ব্যবহার হলো - চলুন এবার ফেরা যাক ঘরে ফেরা নাম না জানা পাখিদের ডাক শুনতে শুনতে ।
ফিরতেই হাতে হাতে আরেক রাউন্ড Makaibari র চা
আর দেখুন কেমন আপনাদের জন্য বাংলোর হাতায় সাজিয়ে ফেলা হয়েছে ক্যাম্প ফায়ার এবং বারবিকিউ।(বারবিকিউ চিকেন এর দাম টা আলাদা করে দিতে হয় হোমসের মাথাপিছু rate এর বাইরে)।