11/06/2023
An Old Story Of The Markha Valley
দ্বিতীয় পর্ব
অনেক আলোচনার পর ঠিক হলো Chilling থেকেই আমাদের হাঁটা শুরু করবো। কিন্তু মিসেস ব্যানার্জির ইচ্ছে ছিল spituk হয়ে যাবার। মিষ্টার ব্যানার্জির প্রবল চাপে সেবার সেটা হয় নি। কারণ chilling এর পথ অনেক বেশি সহজ spituk এর তুলনায়।
অগষ্ট মাসের শেষ সপ্তাহে আমরা উড়োজাহাজে লেহ শহরে সকাল সকাল পৌঁছে গেলাম দিল্লি হয়ে। হোটেলে দুটি ঘরে বুকিং করা হয়েছে changspa রাস্তার পাশে। ফলে যে তার ঘরে ব্যাগপত্র রেখে, কিছুক্ষণ বিশ্রাম। তারপর চললাম হালকা Lunch করবো বলে লেহ বাজারের এক Restaurant এ যাওয়া হলো।
Changspa রাস্তায় অনেক Agency আছে, একজনের কাছ থেকে বেশ দরাদরি করে ( ওটা মিসেস ব্যানার্জির কাজ ), অবশেষে ১২০০/- (২০০৭ সালের কথা, এখন ২৬০০/- - ৩০০০/- টাকা নিতে পারে) টাকাতে রাজি করানো হলো, সেই গাড়ি আমাদের chilling পৌঁছে দেবে। ফেরার সময় শেয়ার গাড়ি করা হবে।
Day 2 - Leh - Chilling - Skiu - Sara
Length: 19km
Time: 9hr to 10hr ( আমাদের মতো Slow walkers দের জন্য)
Starting point: 3,200m ( Chilling)
পরের দিন সকাল ০৭ টায় লেহ থেকে গাড়ী রওনা দিলো chilling এর উদ্দেশ্যে। পথে Pathar Saheb Gurudwara তে একটু চা ও বিস্কুট খেয়ে আবার চললাম।
ঐ নয়টা নাগাদ আমরা chilling পৌঁছে গেলাম। আমরা জান্সকার নদীর উপর একটি trolley bridge এর মাধ্যমে পার হলাম। ( এখন নিশ্চয়ই bridge হয়ে গেছে) । এবার হাঁটা শুরু। দেড় ঘণ্টা হাঁটার পর Kaya বলে একটি ছোট্ট গ্ৰামে পৌছালাম। কিছুক্ষনের বিরতি। একটা ছোট চায়ের ম্যাগির অস্থায়ী দোকান, সেখানে খাওয়া দাওয়া করে আবার হাঁটা। গন্তব্য আমাদের Skiu গ্ৰাম । Skiu যাবার পথ সামান্য চড়াই উৎরাই, তেমন কষ্টকর নয়। তবে রৌদ্রের তেজ বেশ। প্রায় মারখা নদীর গা ঘেঁষে হাঁটতে হয়। চারিদিকে পাহাড়ের মাঝে একটা ছোট গ্ৰাম Skiu। এখানে কিছুক্ষনের বিরতি। একটা Plastic দিয়ে তৈরি দোকান ( অনেক টা Canopy Tent এর মতো) , তার মধ্যে বসে কিছু খাবার খেয়ে, নদী পেরিয়ে আবার চলা শুরু করলাম। গন্তব্য Sara ।
পাথুরে পথ, ভালো রৌদ্রের তেজ, কোনো গাছের ছায়া নেই। শুধু হেঁটে চলেছি তিনজন। Skiu থেকে Sara প্রায় 10 কিমি রাস্তা। Sara গ্ৰামে যাওয়ার আগে বেশ একটা চড়াই পার হয়ে একটি সমতল ভূমি পেলাম, সেখানে দাঁড়িয়ে দেখলাম খয়েরী রঙের উপত্যকাটি ইংরাজি V অক্ষরের মতো লাগছে। চারিদিকে খয়েরী রঙের পাহাড় আর মাঝে কিছু টা সবুজ গাছপালা। একটু জিরিয়ে জল খেয়ে, ছবি তুলে, আবার চলা। চড়াই শুধু নয়, রাস্তা মাঝে মাঝে বেশ সরু হয়েছে, পাশেই খাদ, অনেক নিচে দিয়ে মারখা নদী বয়ে চলেছে, কিছু গাছগাছালি আছে নদীর পাড়ে। অবশেষে চরাই উৎরাই পেরিয়ে যখন Sara village পৌছালাম তখন পাঁচটা বাজে।
এখানে হোমস্টে আছে আবার নিয়ম ও আছে। সেদিন যে হোমস্টের পালা পড়বে, সে সেদিন অতিথিদের আপ্যায়ন করবে। অতিথি আপ্যায়ন বেশ ভালো। ডাল ভাত, স্থানীয় সবজি দিয়ে তরকারি দিয়ে রাতের খাবার খাওয়া হলো। মাটিতে গদির উপর শোবার ব্যবস্থা। কমন ড্রাই টয়লেট। কাল আবার পথ হাঁটতে হবে ভেবে আমরা তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লাম।
নীচে মারখা উপত্যকার কিছু ছবি রইল।
ক্রমশঃ