28/10/2022
The Ancient History of Garh-Panchokot Hill
গড় মানে দুর্গ
পঞ্চ মানে পাঁচ
আর কোট মানে গোষ্ঠী
এই ভাবেই গড়পঞ্চকোট, পরে নাম হয় পাঞ্চেত।
দুর্গটি বানানো হয় সিংহ দেও রাজত্বে।
ধ্বংস হতে হতে নিশ্চিহ্ন হতে বসা এক সময় বিশাল স্থাপনার সামনে একটি সাইন বোর্ড বসিয়ে রেখেছে প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর।
স্থাপনাটির বর্তমান যে হাল তাতে করে সম্মুখ ভাগটি দেখেই জরাজীর্ণ সাধারণ ধ্বংসাবশেষ ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না।
তবে এর ভিতরে ধ্বংসস্তূপের খাঁজে খাঁজে ইতিহাসের কত টুকু ব্রদ্যমান রয়েছে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
চলে গেছে সময় তবু রয়ে গেছে ধূসর স্মৃতি ক্ষয়ে যাওয়া ইট সুরকি আর ধ্বংসস্তূপি এখন ঐতিহাসিক মূল্য বিবেচনায় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এর অমূল্য সম্পদ।
গতিত আছে ৮০ খ্রিস্টাব্দে জগৎ সিংদেও সপরিবার নিয়ে ভ্রমণে বেরোয়, পথে তিনি তার সৈনদের নিয়ে ঝলদাতে রাত কাটান।
সেখানেই তার অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী এক পুত্র সন্তান এর জন্ম দেন।
সন্তানকে মৃত বলে তাকে তারা সেখানেই ছেড়ে দেন।
স্থানীয় অধিবাসীরা দেখেন বাচ্চাটি অদ্ভুতভাবে তখনও জীবিত।
বাড়ীতে এনে মানুষ করেন পরে তিনি দামোদর শেখর নামে পরিচিত।
কিংবদন্তি তিনি এই দুর্গের প্রতিস্থাপক।
রাজপুত রাজা শাক্ত হলেও দুর্গের ভিতরে বৈষ্ণব ধর্মের প্রভাব দেখা যায় , বিষ্ণুপুরির টেরাকোটা মন্দির সত্রির একটি পঞ্চরত্ন মন্দির দেখাযায়, মন্দিরটি কৃষ্ণের।
আরো একটি কালি ও রামের ছিল।
যির্ণ প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া মন্দিরটি বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণে বেবস্থা করা হয়েছে।
আদিকল্যানেশ্বরী মন্দিরটি এখানেই ছিল পরে সেটি মাইথনে স্থানান্তরিত করা হয়।
1750 খ্রিস্টাব্দে মহারাজ শত্রুঘ্ন শেখরের মৃত্যুর পর সিংহাসন নিয়ে একাধিক নিশ্রংশ রক্তক্ষয়ের ফলে রাজধানী পরিবর্তন হয়।
কাশীপুরে রাজ পরিবারের সদস্যরা এই গড়পঞ্চকোট রাজ বাড়ির উত্তরাধিকারী।