29/04/2026
রাত জেগে ডিউটি, কারণ ইনফোসিস তার কাজ ঠিক বুঝে নেয়! তারপর যারা তথ্য প্রযুক্তি সংস্থায় যারা কাজ করে তারাই জানে এর জ্বালা। ভোরের দিকে একটু অল্প ঘুম তারপর বাবার সাথে দোকানে একটু হাতে নাতে লেগে দেওয়া, কারণ বাড়ির সামনে ভোটকেন্দ্র খদ্দের প্রায় লেগেই ছিলো।
দুপুরে খেয়ে দিয়ে নিজের আলমারিতে এপিক কার্ড খুঁজতে গিয়ে পেলাম না কিছুতেই, বাকি সব ডকুমেন্ট ঠিক আছে যদিও। ভাবলাম সময় নষ্ট করে কাজ নেই সময় করে খুঁজবো আপাতত পাসপোর্টটা নিয়েই যাই।
লম্বা লাইনে না দাঁড়িয়ে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলাম, ভোটটা আমি তাকেই দিলাম যে প্রতি বছর এসএসসি, পিএসসি, টেট, হেলথ সেন্টার গুলোতে নিয়োগ করবে। রাস্তা ঘাট নদীবাঁধ তৈরি করবে, নতুন করে শিল্প আনবে, চিকিৎসা শাস্ত্রে উন্নতি ঘটাবে। আমার বাবা গ্রামের একজন দক্ষ চাষী ও বটে ফসলের সঠিক মজুরি পাবে সেই সাথে সার ও কীটনাশকের দাম কমবে এসব ভেবে।
আমার গ্রামে এখনও অবধি কোনো ঝামেলা নেই তারপর যখন দেখলাম এ বছর নির্বাচন একটু অন্যরকম ভাবে চলছে। আপনার এলাকার খবর কি ? কমেন্টে জানান.... একটা লম্বা ঘুম দিই কারণ আজও নাইট শিফট আছে, ঘুম থেকে উঠে আপনাদের কমেন্টের উত্তর দেবো। 🤪
ছবি ঋণ: শুভাশিস সামন্ত