Biman Bangladesh Airlines Oman

Biman Bangladesh Airlines Oman Biman Bangladesh Oman is the local Biman official page run by the GSA: Bahwan Travel Agencies L.L.C. located in Makha Business Centre in Ruwi High Street.

you will get all kind of Updates regarding Biman flights operations. Sale of a new ticket, Date Change, and any other ticket-related support.

23/03/2024

আমরা বাংলাদেশি যাত্রীরা বিমানে সভ্য আচরণ করবো কবে ?

ইতালি থেকে ঢাকায় ফিরছি কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে।

কাতারে ২ ঘন্টার ট্রানজিট। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বাংলাদেশগামী যাত্রীরা পরের ফ্লাইটের যাত্রী। কেউ এসেছেন আমেরিকা, কেউ আফ্রিকা, কেউ ইউরোপ থেকে।

এরমধ্যে সৌদি আরব থেকে ওমরা করা যাত্রী ছিলো বেশি। পাশপাশি কাতার, সৌদি, কুয়েতসহ কয়েক দেশের প্রবাসী কর্মীরাও ছিলেন ফ্লাইটে।

বিমানে উঠলাম। গিয়ে দেখি আমার সিটে অন্য একজন বসা। পাশের কেবিন ক্রু ছিলেন তিনি আমার বোর্ডিং কার্ড দেখতে চাইলে, দেখলাম তাকে। কেবিন ক্রু সেই যাত্রীকে বললেন ওটা আপনার সিট নয়, আপনি আপনার সিটে গিয়ে বসুন।

আমার সিটে যিনি বসেছেন, তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আমি জানালার পাশেই বসি, অন্য সিটে বসি না। আপনি আমার সিটে বসে পড়েন।
রেমিটেন্স যোদ্ধার সিটেই আমি বসলাম। কেবিন ক্রু কে বললাম সমস্যা নেই। ভাবলাম থাক, আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধাই তো।
সিটে বসার কিছু সময় টের পেলাম রেমিটেন্স যোদ্ধা আমার দিকে হেলে আছেন। তার জ্যাকেটের একটা অংশ আমার সিটে, তার সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ আমার উপর এসে পড়ছে। কিছু না বলে চুপচাপ বসে থাকলাম। আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধা তো।

ফ্লাইট ছাড়ার ১৫ মিনিট পার, তবুও ফ্লাইট ছাড়ছে না। প্রথমে ভাবলাম টেকনিক্যাল কারণে হয়ত।

এরমধ্যে দেখলাম এয়ারলাইন্সের গ্রাউন্ড স্টাফ এসে ফ্লাইটে ঢুকছেন, বের হচ্ছেন। কিন্তু কেন ফ্লাইট দেরি হচ্ছে বুঝতে পারছি না। ওয়াশ রুমে যাবার জন্য উঠলাম। পিছনের দিকের ওয়াশ রুমে যেতেই দেখি সেখানেই হট্টগোল।

আমাদের ২জন আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধার সিট নিয়ে হট্টগোল।
একজন আরেকজনের সিটে বসে। কেউ কারও সিট ছাড়ছে না। এয়ারলাইনের সিকিউরিটি আসলেন, বললেন তারা শান্ত না হলে দুজনকে ফ্লাইট থেকে নামিয়ে দিবেন, তারপর তারা শান্ত হলেন। দুজনের পাসপোর্ট কেবিন ক্রুর জিম্মায় নেয়া হলো।

ফ্লাইট টেক অফের প্রস্তুতি চলছে।
আমার পিছনে আরেকটা জায়গায় গিয়ে কেবিন ক্রু দাড়িয়ে আছেন। একটি পরিবার ওমরা করে দেশে ফিরছেন। পরিবারের ২ জনের সিট একজায়গায় বাকি দুজনের অন্য জায়গা। সেই পরিবারের একজন নারী নিজের সিট ছেড়ে সামনে এসে সিট ধরে দাড়িয়ে আছেন। কেবিন ক্রু সিটে বসতে বলছেন বসছেনই না।

অনেক এয়ারলাইন বাংলাদেশ ফ্লাইট নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন। কারণ কেবিন ক্রুরা বাংলাদেশ রুটে ডিউটি করতে চান না।

আকাশ পথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আপনার বোর্ডিং কার্ডে যে সিট লেখা থাকবে, দয়া করে সেখানেই বসুন। কেবিন ক্ররা যে নির্দেশনা দেন, তা মনে চলুন। মনে রাখা দরকার, আন্তর্জাতিক একটি ফ্লাইটে আপনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।

05/01/2024
18/11/2023

এইভাবে দেশের বদনাম হয়. সতর্ক হোন|

03/08/2023
03/03/2023

"যারা নিয়মিত আকাশপথে ভ্রমণ করেন তারা লেখাটি অবশ্যই পড়বেন"

আপনি যদি আকাশপথে ভ্রমণ করেন, তবে বন্ধু বৎসল যাত্রী কিংবা আপনার পাশের সীটে বসা প্রতিবেশীর কাছ থেকে সাবধান থাকুন।

বয়স্ক ভদ্রমহিলা প্লেনের ভিতরে আমার পাশে বসেই আমাকে তাঁর ব্যাগটি ওভারহেড লাগেজ বগিতে রাখার জন্য সবিনয় অনুরোধ করেন। আমি বেশ খাটো হওয়ায় আইলের অন্য পাশে বসা ভদ্রলোক এসে উনার লাগেজটি ওভারহেড বগিতে রাখেন।

ভদ্রমহিলা খুব প্রাণবন্ত, অমায়িক, বন্ধুবৎসল। মিনিটেই আমাকে একেবারে আপন করে নিলেন। যেন আমাদের অনেক দিনের জানাশোনা। পুরো ফ্লাইটে নানা বিষয়ে আমাদের কথা হয়। উনি অসুস্থ। বিদেশে যাচ্ছেন সন্তানদের কাছে। সেখানে ওদের সাথে বেশ কয়েক মাস সময় কাটাবেন। চিকিৎসাও করাবেন।

গল্পের ফাঁকে একসময় পাইলটের ঘোষণা আসে - আমরা দুবাই এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করতে যাচ্ছি। এমন সময় ভদ্রমহিলা- আমাকে কন্যা হিসাবে সম্বোধন করে খুব কাতর হয়ে বলেন- উনার পেটের ব্যথা বাড়তে শুরু করছে। উনি ব্যথায় ছটফট করতে থাকেন। ব্যথায় উনার শরীর ঘামছে, উনি খুবই অস্থির। চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।

মাতৃবয়সী ভদ্রমহিলার জন্য মায়া হলো। আল্লাহ না করুন। কোনো বিপদ যেন না হয়। কোনো দূর্ঘটনা যেন না ঘটে। মহিলা যেন অনন্ত নিজ গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন। সন্তানেরা নিশ্চয়ই মায়ের অপেক্ষায় বসে আছে।

আমি স্টুয়ার্ড বোতাম টিপে বিমান কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথাটা জানাই ।

স্টুয়ার্ডস কিছু ব্যথানাশক ঔষধ মহিলাকে খেতে দিয়ে আমরা না নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য পরামর্শ দেন। পাইলট আমাদের সবাইকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন- প্রয়োজনে প্লেন ল্যাণ্ড করার সাথে সাথে জরুরি ইমার্জেন্সি ম্যাডিকেলের ব্যবস্থা করা হবে।
মহিলা আমার হাত খুব দৃঢ়ভাবে আকড়ে ধরে আছেন। অন্যান্য যাত্রীরা সবাই ধরে নিয়েছে আমি মহিলার কন্যা অথবা নিকটাত্মীয়া কেউ। আমি কি করবো বুঝতে পারছিনা।

আমরা একসময় বিমান বন্দরে অবতরণ করি । প্লেনে যে ভদ্রলোক মহিলার লাগেজটি ওভারহেড বগিতে রাখতে সাহায্য করেছিলেন তিনি তার লাগেজ নামিয়ে আমাকে ইশারায় বলেন -আমি যেন এই মহিলার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখি। এবং কেবিন ক্রুদের কাছে পরিষ্কার করে দেন যে আমরা একসঙ্গে ভ্রমণ করছি না। ভদ্রলোককে মনে হলো - দয়াময় কর্তৃক প্রেরীত আমার উদ্ধারকারী।

এরপর, কেবিন ক্রুরা এসে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমরা একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত কিনা। আমি স্পষ্টভাবে তাদের বলি- জ্বিনা। আমাদের কেবলমাত্র বিমানের সীটে বসার পরপরই দেখা হয়েছে। আমরা বিমান থেকে বিদায় নিতে শুরু করি এবং আমি বিদায় জানানোর সাথে সাথে মহিলা তার হ্যান্ডব্যাগটা বহন করার জন্য আমাকে কাকুতি মিনতি করতে থাকেন। বলে- মাগো । তোমার মায়ের বসয়ী মহিলাকে এভাবে একা ফেলে যেয়োনা। তুমি আমার হ্যান্ডব্যাগটা টার্মিনাল পর্যন্ত বহন করো।

এবার কেন যেন আমি একটু ভয় পাচ্ছিলাম। সেই ভদ্রলোক আমার চোখের দিকে তাকালেন এবং জোর দিয়ে মাথা নেড়ে বললেন- আমি যেন কোনো ভাবেই মহিলার কোনো লাগেজই বহন না করি।

বয়স্ক মহিলাকে কেবিন ক্রুদের কাছে হুইলচেয়ারের জন্য অপেক্ষায় রেখে আমি বেশ অপরাধী ফিল করে বিমান থেকে প্রস্থান করি।

যখন আমরা আমাদের লাগেজ আসার জন্য অপেক্ষা করছি - ঠিক তখনি বেশ জোরে হৈচৈর শব্দ শুনতে পাই । ভদ্র মহিলা হুইলচেয়ার ছেড়ে কেবিন ক্রু থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন। সৌভাগ্যক্রমে বিমানবন্দরের পুলিশরা ছিলো উনার চেয়ে দ্রুত । তারা উনাকে ধরে হুইলচেয়ারে ফিরিয়ে আনে।

এই ভদ্রমহিলা এবার আমাকে ডাকতে শুরু করে....তুমি আমার সাথে এটা কিভাবে করতে পারো......তোমার লাগেজ আমার কাছে রেখে কেনো তুমি আমাকে ছেড়ে যাচ্ছো ।

আমি পুরোই থ হয়ে যাই। এবার আমি বুঝতে পারি- উনি তার হ্যাণ্ডব্যাগে এমন কিছু বহন করছেন- যার দায়ভার উনি আমার উপর দিতে চাচ্ছেন। যিনি কৌশলে আমাকে ফাঁসিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন।

পুলিশ উনার হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করে দেখে পুরো ব্যাগভর্তি অবৈধ ড্রাগ। আমার পুরো শরীর ভয়ে হিম হয়ে যায়। জীবনে এরকম ঘটনার মুখোমুখি আমি কোনোদিন হইনি। আরেকটু হলেই আমি নিজেই এই অবৈধ ড্রাগের ব্যাগটি বহন করতাম।

আমি বুঝতে পারছিনা- সিকিউরিটি স্ক্যান চ্যাকে ধরা না পড়ে, পুরো সিকিউরিটি সিস্টেম ফাঁকি দিয়ে মহিলা এই অবৈধ ড্রাগ নিয়ে কিভাবে প্লেনে প্রবেশ করে এতোদূর পর্যন্ত এলেেন।

সেই ভদ্রলোকও উনার লাগেজের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। উনি আমার মনের ভাব বুঝতে পেরে বলেন-লাগেজ স্ক্যানতো মেশিনে করে কিন্তুু মেশিনের পেছনেতো মানুষই থাকে। সিকিউরিটি সিস্টেম তিন ধাপ এগুলো ড্রাগ ডীলাররা ত্রিশ ধাপ এগোয়। তাছাড়া, সিকিউরিটি সিস্টেমের অনেক লোকই এসবের সাথে জড়িত থাকে। কর্তৃপক্ষের সাথে ডীলারদের লেনদেন যখন সঠিকভাবে হয়না- তখনই সাধারণত এরা ধরা পড়ে। আমার প্রথম থেকেই যেন মহিলাকে সন্দেহ হচ্ছিলো।

এরপর, ভদ্রলোক নিজ থেকেই সিকিউরিটি পুলিশদের বলেন- আমার সাথে মহিলার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের বিমানের ভিতরেই দেখা হয়েছে।

পুলিশ আমার পাসপোর্ট নিয়ে মহিলার সাথে একটা ছো্ট্ট অফিস ঘরে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়।
আমাদেরকে চতুর্দিক থেকে পুলিশ ঘেরাও করে রেখেছে। এবার আমি ঘামতে শুরু করি।
পুলিশ নানা কথা জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। মহিলার সাথে কোথায় দেখা হয়েছে, কিভাবে দেখা হয়েছে। আমি কোথায় কোথায় গিয়েছিলাম। মহিলার সাথে আমার সম্পর্ক কি? আমি আদৌ মিথ্যা বলছি কিনা ? নানা রকম মেশিনে আমার আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হয়।
আমার কোনো আঙ্গুলের ছাপ মহিলার হ্যান্ডব্যাগে আছে কিনা ইত্যাদিও পরীক্ষা করে দেখা হয়।
আমি আমার আপনজনকে ফোন করার জন্য অনুরোধ করলে- আমার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়।

এবার মহিলাকে বলেন- আমার পুরো নাম বলার জন্য।
মহিলা আমার পুরো নাম বলতে পারেনা। সৌভাগ্য যে, মহিলাকে আমি আমার পুরো নাম বলিনি।

প্রায় চল্লিশ মিনিট জেরার পর- বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ অন্য কারোর লাগেজ বহন না করা, স্পর্শ না করার পরামর্শ দিয়ে আমার জীবন বৃত্তান্ত সব তাদের ডাটা সিস্টেমে লিপিবদ্ধ করে আমাকে মুক্তি দেন। এই চল্লিশ মিনিটকে মনে হলো- আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়াল, শীতল চল্লিশটি বছর।

সেদিন থেকে আপনার কাছে কতটা লাগেজ আছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আপনার লাগেজ। আপনার সমস্যা। যার লাগেজ সেই সামলাবে। আমি আপনাকে আপনার লাগেজ রাখার জন্য বড়জোড় একটি ট্রলি এনে দিতে পারি। এর বেশি কিছুনা। আমার নীতি হলো- যদি আপনি ওভারহেড বগিতে আপনার হ্যাণ্ডব্যাগ না রাখতে পারেন, এবং আমিই নিকটতম ব্যক্তি হই। তবে দয়া করে কেবিন ক্রু আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এই পরিস্থিতিতে আমি অসহায়ের সহায় হবো না। অসহায়কে অবশ্যই সাহায্য করবো ভালো কথা । কিন্তু নিজেকে যেন পরে অসহায় হতে না হয়।

পুরো লেখাটি এয়ারপোর্ট সেফটি এণ্ড সিকিউরিটি থেকে অনুবাদ করা। সত্য কিংবা মিথ্যা কিনা জানিনা। তবে, এটুকু জানি, সাবধানের মার নেই। সবার আগে নিজেকে সেভ করি। কথায় বলে- Better safe than sorry.
©Rithila Najnin

Happy 50th Victory Day of Bangladesh
16/12/2021

Happy 50th Victory Day of Bangladesh

22/11/2021

#বিদেশ_থেকে_ফিরতে_হলে জানতে হবে!
বিমান বন্দরে এক মহিলা যাত্রীর মর্মান্তিক ঘটনা! প্রায় দুবছর আগে ঘটে। বিরহী মা দীর্ঘ চেষ্টায় প্রবাসী পুত্রকে দেখতে যান মালয়েশিয়া। ফেরার দিন ছেলে মা’কে কুয়ালালাম পুর এয়ারপোর্টে চেক ইন করে কাজে ফিরে যায়। ফ্লাইট ঠিক মতোই ছেড়েছে ও ঢাকায় নেমেছে। কিন্তু মায়ের খোঁজ নেই। বাসায়ও ফেরেনি। বহু কসরতে জানতে পারল, অবৈধ স্বর্ণ বহনের জন্য মা কাস্টমসে ধরা পড়েছে। মামলায় দ্রুত বিচারে ছয় মাসের জেল হয়েছে।
ইমিগ্রেশন শেষ করে সেদিন ভেতরে যেতেই একজন বাঙ্গালীর সাথে তাঁর দেখা। কালো একটা ব্যাগ দিয়ে খুব মিনতি করে বলেছে ‘আন্টি, আপনার লাগেজ কম। এখানে আমার মেয়ের জন্য চকলেট, ঢাকায় কষ্ট করে পৌঁছে দেবেন।’ বললো, এয়ারপোর্টে তাঁর লোক থাকবে। সরল বিশ্বাসে অন্যের উপকার করতে গিয়ে ভদ্র মহিলার এমন বেহাল অবস্থা! এমন বহু ঘটনা বিমানবন্দরে চাকরি করতে গিয়ে নিজেও দেখেছি।
আমাদের দেশে স্বর্ণের মূল মালিক ধরা পড়ে না। এমন বাহকরা মামলা খায়। তবে, ব্যাগেজ রুলস জানলে তাঁর এ অবস্থা হতো না। তিনি অপরিচিত বা অল্প পরিচিতের কথায় ঝুঁকি নিতে না। স্বর্ণগুলো ঘোষণা দিয়ে শুল্ককর পরিশোধ করেও পরে নিতে পারতেন। অন্তত, ছয় মাস জেল খাটতে হতো না।
এ ধরণের ঘটনা যাতে আর কারো জীবনে না ঘটে। বিমানবন্দর ও বর্ডারের যাত্রীগণ ব্যাগেজ রুলস ও প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো জেনে নিন…. ( বিদ্যমান যাত্রী ব্যাগেজ রুলস-২০১৬ এর আলোকে।)
✅গ্রীন চ্যানেল:
আপনার ব্যাগেজ শুল্কমুক্ত হলে গ্রীন চ্যানেল দিয়ে বের হয়ে যাবেন। এ ক্ষেত্র তফশীল-১ এর ফরমে (ফ্লাইট নামার আগে বিমানে দেয়া হয়) ঘোষণা দিতে হবে। ৫% ব্যাগ গ্রীন চ্যানেলে স্ক্যান ও পরীক্ষা হবে। কাস্টমস অফিসার চাইলে যে কারো ব্যাগ স্ক্যান বা খুলে পরীক্ষা করতে পারে। সাবধান!
🚫 রেড চ্যানেল: আপনার শুল্ককরযুক্ত পণ্য থাকলে রেড চ্যানেলে শুল্ককর পরিশোধ কররেন।
▪️বিদেশ থেকে শুল্কমুক্তভাবে—
👉 কি আনা যাবে? ✅
👉🏿 আর কি কি আনা যাবে না।🚫
📖 এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড যাত্রী (অপর্যটক) ব্যাগেজ (আমদানি) বিধিমালা, ২০১৬ প্রণয়ন করেছে। নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়ায় এ বিধিমালাটি এখনো কর্যকর রয়েছে।
নিচে এ বিধিমালা অনুয়ায়ী বিদেশ হতে আগত ও বিদেশগামী যাত্রীর সচরাচর জিজ্ঞাসিত (শুল্কযুক্ত ও শুল্কমুক্ত) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দেয়া হলো:
▪️১. টেলিভিশন :
২৯" পর্যন্ত শুল্কমুক্ত হিসেবে আনা যাবে।
৩০"-৩৬" হলে ১০,০০০ টাকা,
৩৭"-৪২" হলে ২০,০০০ টাকা,
৪৩"-৪৬" হলে ৩০,০০০ টাকা,
৪৭"-৫২" হলে ৫০,০০০ টাকা,
৫৩" -৬৫" হলে ৭০,০০০ টাকা এবং
৬৬" এর বেশি হলে ৯০,০০০ টাকা
শুল্ক পরিশোধ করতে হবে।
▪️২. সিগারেট :
১ কার্টন (২০০ শলাকা) পর্যন্ত সিগারেট শুল্কমুক্ত হিসেবে আনতে পারবেন। এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। আটককৃত সিগারেট বিধি মোতাবেক বিক্রয়/ধ্বংসযোগ্য, তাই ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
▪️৩. মদ ও মদ জাতীয় পানীয় :
বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী নাগরিকদের জন্য মদ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। বিদেশী পাসপোর্টধারী নাগরিক হলে ২ বোতল বা সর্বোচ্চ ১ লিটার পর্যন্ত আনতে পারবেন। এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ (Detention memo) বুঝে নিবেন। আটককৃত মদ বিধি মোতাবেক বিক্রয়/ধ্বংসযোগ্য, তাই ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
▪️৪. ল্যাপটপ :
১ টি শুল্কমুক্ত হিসেবে আনতে পারবেন। ২ টি পর্যন্ত শুল্ক-করাদি (প্রায় ১৬%) পরিশোধ সাপেক্ষে আনতে পারবেন। এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। আটককৃত ল্যাপটপ পরবর্তীতে Adjudication প্রক্রিয়ায় আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ছাড়পত্র উপস্থাপন, শুল্ক-করাদি এবং অর্থদন্ড পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন।
▪️৫. স্বর্ণবার :
১ গ্রাম আনলেও শুল্ক-করাদি (প্রতি ১১.৬৭ গ্রাম এর জন্য ২০০০ টাকা) পরিশোধ করতে হবে। এভাবে ঘোষণা প্রদানপূর্বক ২৩৪ গ্রাম পর্যন্ত আনতে পারবেন। এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। ঘোষণা না দিয়ে গ্রীন চ্যানেল অতিক্রমকালে স্বর্ণবার বহনকারী ধরা পরলে তা চোরাচালান হিসেবে গণ্য হবে। বর্ণিত অপরাধের দায়ে শুল্ক করাদি আরোপসহ অতিরিক্ত হিসেবে পন্যমূলের দ্বিগুন জরিমানা আরোপ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে মামলার দীর্ঘসূত্রীতায় পণ্যটি পেতে অনেক সময় লাগতে পারে। অথচ ঘোষণা প্রদানপূর্বক নির্ধারিত শুল্ককরাদি পরিশোধ করে খুব সহজেই আপনার বহনকৃত স্বর্ণবারটি নিয়ে যেতে পারেন।
স্বর্ণবার আটক হলে সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন।
▪️৬. স্বর্ণালংকার :
শুল্ক কর পরিশোধ ব্যতিরেকে একজন যাত্রী ১০০ গ্রাম পর্যন্ত (এক প্রকারের অলংকার ১২ টির অধিক হবে না) শুল্কমুক্ত স্বর্ণালংকার আনতে পারবেন। এর বেশি আনলে অতিরিক্ত প্রতি গ্রাম এর জন্য প্রায় ২০০০ টাকা শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। বাণিজ্যিক পরিমান বলে মনে হলে কাস্টমস তা আটক করবে। সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ(detention memo) বুঝে নিবেন। আটককৃত স্বর্ণালংকার পরবর্তীতে Adjudication প্রক্রিয়ায় শুল্ক-করাদি এবং অর্থদন্ড পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন। আর চোরাচালান বলে মনে হলে কাস্টমস সরাসরি ফৌজদারি মামলা করবে।
▪️৭. মোবাইল ফোন :
একজন যাত্রী নিজের ব্যবহৃতসহ সর্বমোট ২ টি মোবাইল ফোন শুল্কমুক্ত হিসেবে আনতে পারবেন। শুল্ক-করাদি পরিশোধ সাপেক্ষে (প্রায় ৫৫.৬০%) ৩-৮টি পর্যন্ত মোবাইল আনতে পারবেন এর বেশি আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। আটক হলে সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। আটককৃত মোবাইল ফোন Adjudication প্রক্রিয়ায় BTRC দপ্তরের ছাড়পত্র উপস্থাপন, শুল্ক-করাদি এবং অর্থদন্ড পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন।
▪️৮. নতুন শাড়ী_অন্যান্য কাপড়_কসমেটিক্স : ব্যাক্তিগত বিবেচনায় যুক্তিসংগত পরিমাণ শুল্কমুক্ত হিসেবে আনতে পারবেন। আরও কয়েকটি শুল্ক-করাদি (প্রায় ১২৮/১৫০%) পরিশোধ সাপেক্ষে আনতে পারবেন। এর বেশি আনলে বাণিজ্যিক বিবেচনায় কাস্টমস তা আটক করবে। আটক হলে সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ (Detention memo) বুঝে নিবেন। আটককৃত পণ্য পরবর্তীতে Adjudication প্রক্রিয়ায় শুল্ক-করাদি এবং অর্থদন্ড পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন।
▪️৯. ঔষধ :
জরুরী বিবেচনায় প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে যুক্তিসংগত পরিমাণ আনতে পারবেন। বাণিজ্যিক পরিমান বলে মনে হলে কাস্টমস তা আটক করবে। সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। আটককৃত ঔষধ পরবর্তীতে Adjudication প্রক্রিয়ায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ছাড়পত্র উপস্থাপন, শুল্ক-করাদি এবং অর্থদন্ড পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন।
▪️১০. বৈদেশিক মুদ্রা :
বিদেশে যাওয়ার সময় পাসপোর্টে এনডোরস [বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত ক্ষেত্র ব্যাতিত] ব্যাতিত কোন বৈদেশিক মুদ্রা সাথে নিতে পারবেন না। তবে বাংলাদেশী মুদ্রায় ১০,০০০ টাকা পাসপোর্টে এনডোরস ছাড়াই সাথে নিতে পারবেন। এনডোরস ব্যাতিত এর বেশী বৈদেশিক মুদ্রা সাথে নিলে কাস্টমস আটক করবে। আটক হলে সফটওয়্যার প্রিন্টেট আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। আর মুদ্রা পাচার/মানি লন্ডারিং বলে মনে হলে কাস্টমস সরাসরি ফৌজদারি মামলা করবে। বিদেশ থেকে ফেরার সময় ইচ্ছেমত বৈদেশিক মুদ্রা আনতে পারবেন। তবে ১০,০০০ ডলার/সমমান এর বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আনলে অবশ্যই কাস্টমস এর নিকট FMJ ফরম-এ ঘোষণা প্রদান করতে হবে।
▪️১১. সাময়িক আটক :
শুল্ক-করাদি পরিশোধ সাপেক্ষে খালাসযোগ্য পণ্যের ক্ষেত্রে তাৎক্ষনিক শুল্ক-করাদি পরিশোধ করার মত টাকা সাথে না থাকলেও ভয়ের কিছু নেই। সেক্ষেত্রে কাস্টমস তা সাময়িকভাবে আটক করবে। আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। সাময়িকভাবে আটককৃত পণ্য ২১ দিনের মধ্যে যথাযথ শুল্ক-করাদি পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন।
▪️১২. কার্গো বুকিং পণ্য ঘোষণা :
বিদেশ থেকে আসার আগে কার্গোতে ব্যাক্তিগত মালামাল বুকিং দিয়ে আসলে বাংলাদেশে নেমেই/৭ দিনের মধ্যে এয়ারপোর্ট কাস্টমস এর নিকট এয়ারওয়ে বিল এবং পাসপোর্টসহ উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত "এ-ফরম" পূরণ করে মালামাল এর ঘোষণা প্রদান করবেন। অনুমোদিত "এ-ফরম" এর কপি নিয়ে মালামাল আসার পর শুল্ক-করাদি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পরিশোধ সাপেক্ষে এয়ারফ্রেইট ইউনিট থেকে মালামাল নিতে পারেন।
▪️১৩. নির্দিষ্ট শুল্কের পণ্য:
যাত্রীর সাথে বহনকৃত কিছু পণ্যের শুল্কের পরিমানঃ
1. হোম থিয়েটার/মিউসিক সেন্টার ৪ এর অধিক সর্বোচ্চ ৮ টি -৮০০০/- টাকা
2. রেফ্রিজারেটর -৫০০০/- টাকা
3. এয়ার কন্ডিশন- ৭০০০-২০০০০/- টাকা
4. ডিশ এন্টিনা -৭০০০/- টাকা
5. Professional কাজে ব্যবহত HD, DV, BETA Cam- -১৫০০০/- টাকা
6. ঝাড়বাতি -৩০০/- টাকা (প্রতি পয়েন্ট)
7. ওয়াশিং মেশিন-৩০০০/- টাকা
▪️১৪. একটি করে ফ্রি পণ্য:
শুল্ককরাদি পরিশোধ ব্যতিরেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ১ টি করে যে সকল পণ্য আনা যাবে-
1. ক্যাসেট প্লেয়ার/টুইন ওয়ান
2. ডিস্কম্যান/ওয়াকম্যান (অডিও)
3. বহনযোগ্য অডিও সিডি প্লেয়ার
4. ডেস্কটপ/ল্যাপটপ
5. কম্পিউটার প্রিন্টার
6. কম্পিউটার স্ক্যানার
7. ফ্যাক্স মেশিন
8. ভিডিও ক্যামেরা (Professional কাজে ব্যবহৃত)
9. স্টীল/ডিজিটাল ক্যামেরা
10. টেলিফোন সেট
11. মাইক্রোওয়েভ ওভেন
12. রাইস/প্রেসার কুকার
13. টোস্টার/জুসার/কফি মেকার ও অনুরূপ
14. টাইপরাইটার
15. গৃহস্থলি সেলাই মেশিন
16. ফ্যান
17. খেলাধুলা সামগ্রী (ব্যক্তিগত)
18. ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ২০০ গ্রাম রৌপ্য অলংকার
19. ২০০ শলাকা সিগারেট
20. ২৯” পর্যন্ত টেলিভিশন
21. ভিসিআর/ভিসিপি
22. হোম থিয়েটার/মিউসিক সেন্টার ৪ এর অধিক পর্যন্ত
23. এলসিডি কম্পিউটার মনিটর ১৯” পর্যন্ত
24. ২ টি মোবাইল (ব্যবহৃতসহ)
25. কার্পেট ১৫ বর্গমিটার পর্যন্ত
▪️১৫. মৃত ব্যক্তির ব্যাগেজ:
বাংলাদেশী কোন নাগরিক বিদেশে মৃত্যুবরণ করলে মৃত ব্যক্তির ব্যাগেজ সকল শুল্ক কর পরিশোধ ব্যতিরেকে খালাস করা যাবে।
▪️ ১৬. হুইলচেয়ার:
অসুস্থ পঙ্গু বৃদ্ধ যাত্রীর হুইল চেয়ার ও ব্যবহার্য্য চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সকল শুল্ক কর পরিশোধ ব্যতিরেকে খালাস করা যাবে।
🚫 সাবধানঃ
সুতরাং অপরিচিত ব্যাক্তি এবং ব্যাগেজ-কে বিশ্বাস করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই না জেনে অন্য কারো দেওয়া মালামাল বহন করবেন না!
👉 জীবন ও সম্মান আগে:
এ ভদ্রমহিলার মতো এভাবে বিদেশে অপরিচিত বা হাল্কা পরিচিত কারো জিনিস বহন করবেন না। ছয় মাস জেল স্বর্ণের মূল মালিক খাটেনি। তাঁর সন্তানও মায়ের অভাবে দিশেহারা হয়নি।

কপিড ফ্রমঃ বেলাল চৌধুরী।
কমিশনার অব কাষ্টমস

Address

Makha Business Center, Ruwi High Street
Muscat
100

Opening Hours

Monday 08:00 - 19:00
Tuesday 08:00 - 19:00
Wednesday 08:00 - 19:00
Thursday 08:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 13:00
14:30 - 19:00
Sunday 08:00 - 19:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Biman Bangladesh Airlines Oman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Biman Bangladesh Airlines Oman:

Share