Beautiful Bangladesh Travel Page

Beautiful Bangladesh Travel Page Join to see the beautiful country Bangladesh a God gifted country. We feel proud to be a Bangladeshi. Author : Tapon Mahamud Jony

03/01/2023
https://youtu.be/RmzDcncSq8Q
21/03/2021

https://youtu.be/RmzDcncSq8Q

একটি পার্কে উড়োউড়ি করছে অসংখ্য প্রজাপতি । এ যেন প্রজাপতি’র নিজস্ব আবাস। দু’পাশ দিয়ে পাহাড় আর পাহাড়ের উপরে সারি স.....

27/12/2020
27/12/2020
04/08/2020
রায় বাহাদুর এডভোকেট কেদারনাথ রায় চৌধুরী। হবিগঞ্জ জেলার তৃতীয় গ্রাজুয়েট,অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র,সিলেট বিভাগের প্র...
03/08/2020

রায় বাহাদুর এডভোকেট কেদারনাথ রায় চৌধুরী। হবিগঞ্জ জেলার তৃতীয় গ্রাজুয়েট,অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র,সিলেট বিভাগের প্রথম জেলা জজ,বামৈ পুরাতন হাসপাতালের প্রতিষ্টাতা,একজন সমাজ সেবক।

১৮৬৭ সালের ২ আগষ্ট কেদারনাথ চৌধুরী লাখাই থানার বামৈ গ্রামে এক উচ্চ শিক্ষিত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।

১৮৮৪ সালে সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা পাশ করেন।আসাম প্রদেশে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।

১৮৮৬ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে আই এ পাশ করেন।

১৮৮৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম স্রেণিতে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন।

কেদারনাথ চৌধুরী হলেন হবিগঞ্জ জেলার তৃতীয় গ্রাজুয়েট। লাখাই থানার বামৈ গ্রামের বিচারপতি তারাকিশোর চৌধুরী হলেন প্রথম গ্রাজুয়েট, মাধবপুর থানার ছাতিয়াইন গ্রামের এডভোকেট কামিনী কুমার ছন্দ হলেন দ্বিতীয় গ্রাজুয়েট।

১৮৯০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে এম এ পাশ করেন এবং আইনে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন।

১৮৯৩ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।

১৮৯৩ সালে সিলেট বারে আইন পেশায় যোগ দেন।

১৮৯৫ সালে প্রথমে মুন্সেফ হিসেবে বিচার বিভাগের চাকুরীতে যোগদান করেন।

১৯১০ সালে জেলা ও দায়রা জজ হন।

১৯১৫ সালে বৃটিশ সরকারের কাছ থেকে " রায় বাহাদুর" খেতাব পেয়েছেন।

কেদারনাথ চৌধুরী হলেন সিলেট বিভাগের প্রথম জেলা জজ।

১৯৩৩ সালে রায় বাহাদুর কেদার নাথ চৌধুরী বামৈ গ্রামে এই "ডিসপেনসারী" চালু করেন। এই ডিসপেনসারী থেকে সমগ্র লাখাই থানায় বিনামুল্য ঔষধ ও চিকিৎসা দেয়া হতো। বৃটিশ আমলে ভাটি এলাকার একমাত্র হাসপাতাল ছিল " কেদারনাথের ডিসপেনসারী"।

কোন ব্যক্তির কঠিন রোগ হলে তিনি নিজ খরচে কলকাতায় নিয়ে চিকিৎসা করাতেন।

বামৈ গ্রামের এক লোকের পায়ে ফোঁড়া হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়েছিলেন। লন্ডন থেকে ডাক্তার এনে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলেন।

১৯৩৫ সালে পরিবার নিয়ে ইংল্যান্ডে চলে যান। ইংল্যান্ডে বসবাস করেন। ইংল্যান্ড থেকে ঔষধ পাঠাতেন তাঁর ডিসপেন্সারীতে।

১৯৪৪ সালের ১২ জানুয়ারি রায় বাহাদুর এডভোকেট কেদার নাথ চৌধুরী ইংল্যান্ডে মৃত্যুবরন করেন।

বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদ পুরুষ হীরালাল সেন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ট বন্ধু।

ঢাকার নবাব খাজা সলিমুল্লাহ এবং ব্রাজিলের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা রিও ডি জেনেরিওর সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিলেন।

লাখাই থানায় রায়বাহাদুর খেতাবপ্রাপ্ত হলেন তিনজন, এর মধ্যে কেদারনাথ চৌধুরী হলেন একজন। অন্যরা হলেন রায়বাহাদুর এডভোকেট সতীশ চন্দ্র দত্ত, রায়বাহাদুর এডভোকেট হেমচন্দ্র দত্ত।

বামৈ গ্রামে কেদারনাথ চৌধুরীর বাড়ীটি এখনো জজের বাড়ী নামে পরিচিত আছে।

তিনমুখ পিলার : অনেকেই জানেন না এইটি কি বা কোথায়। তিনমুখ পিলার হলো একটি সীমানা খুঁটি, যেখানে  বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার স...
02/06/2020

তিনমুখ পিলার : অনেকেই জানেন না এইটি কি বা কোথায়।
তিনমুখ পিলার হলো একটি সীমানা খুঁটি, যেখানে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার সীমানা মিলিত হয়েছে

তিনমুখ পিলারটি মূলত রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমার সীমানায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সীমানা পিলার যা তিন দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে। যদিও এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত, তবুও এখানে বান্দরবান জেলার রুমা হয়ে যাওয়াটাই তুলনামূলকভাবে সহজ।
তিনমুখ পিলারের জায়গাটি অনেকটা ইংরেজি W অক্ষরের মতো। W এর মাখখানের অংশে তিনমুখ পিলারের অবস্থান।

আর দুপাশে লাইস্রা হাফং ও মুখরা তুথাই হাফং নামক দুটি পাহাড়। তিনমুখ থেকে খাড়া নেমে গেলেই ভারত ও মিয়ানমার।

09/04/2020

বাঙ্গালীর ব্রাজিল অভিযান-১
প্রিয় বন্ধুরা, যে যেখানেই আছিস আশা করছি সবাই নিরাপদে আছিস। হোম কোয়ারেন্টিনের এই অবসর সময়টায় ভাবলাম কাজের ফাঁকে মাঝে সাঝে একটি করে ভ্রমন ব্লগ লিখলে মন্দ হয়না।
২০১৬ জুলাই মাসের ২৮ তারিখ রওনা দিলাম আমার বর্তমান নীড় সিঙ্গাপুরের চাঙ্গী এয়ারপোর্ট থেকে ব্রাজিল রিও ডি জেনিওরো এর উদ্দ্যেশে। বোর্ডিং কার্ড গুলো হাতে পাবার পর তো আমার চোখ ছানাবাড়া, সকল এক্সাইটমেন্ট উধাও হয়ে গেল ৩৩ ঘন্টার জার্নি শিডিউল দেখে।
রুট ম্যাপঃ
📷📷📷 সিঙ্গাপুর কাতার সাও পাওলো, ব্রাজিল রিও ডি জেনিওরো (গন্থব্য)
📷
দিন-০১
রওয়ানা দিলাম ২৮ তারিখ আর ব্রাজিল পৌছালাম তখন ৩০ ই জুলাই। অলেম্পিক গেমস শুরু হতে বাকি তখনো ৫ দিন। আমাদেরকে অলেম্পিক কমিটি ৫-৭ দিন আগেই আমন্ত্রন জানিয়েছে গেমস ইভেন্ট প্রস্তুত করার জন্য।
তখন রিও তে উইন্টার চলছে, গুগল এ দেখে নিলাম উইন্টার এ কেমন তাপমাত্রা কেমন থাকে সেই অনুযায়ী একটি জ্যাকেট নিয়ে নিলাম সিঙ্গাপুরের মোস্তফা সেন্টার থেকে।
রিও এর জোবিম এয়ারপোর্টেই পরিচয় হল ৪ জন ছেলে মেয়ের সঙ্গে যারা আমার ফ্লাইটেই সাও পাওলো থেকে রিও তে এসেছে। যার একজন সিঙ্গাপুর থেকে এসেছে ভলান্টিয়ার হিসেবে যোগদানের জন্য (ছবিতে ডান থেকে তিন), আরকজন ডাক্তার যে আর্জেন্টিনার নাগরিক কিন্তু কর্মস্থল ব্রাজিল এ আর সবশেষের ফিনিস লেডি। এয়ারপোর্ট থেকে আনুষ্ঠানিকতা সেরে ট্যাক্সি যোগে সরাসরি চলে গেলাম অলেম্পক ভিলেজে যেখানে আমি সহ সারা দুনিয়ার খন্ডকালীন ইন্জিনিয়ার, নিউজ কাস্টার, আটিস্ট দের থাকার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। ঘড়ির কার্টায় ঠিক রাত ১০ টা বাজে তখন, এয়ারপোর্ট থেকে সঙ্গে আনা কেক আর জুস খেয়েই শুয়ে পরলাম। পরদিন সকাল ৭ টায় নাস্তা সেরে আমার ভেনুতে যেতে হবে।
📷
ছবি: বাম থেকে আমি, আর্জেন্টাইন ডাক্তার, সিঙ্গাপুরী ভলান্টিয়ার ও ফিনিস তরুণী
দিন-২:
সকাল ৭.১৫ তে ঘুম থেকে উঠে ম্যাপ দেখে ক্যাফেটেরিয়া খুজতে থাকলাম। আমার কম্পাউন্ড টি অনেক বড়, রাতে আসার পথে দেখলাম সারি সারি ৬ তলা বাড়ি। গোসল শেষে জামা কাপড় পড়ে নিচে নামলাম। গেটে অভ্যার্থনা করল এক ব্রাজিলিয়ান রমনী। ভাঙ্গা ইংরেজীতে আমাকে অবিভাধন জানাল আমাকে আর আমি তাকে অবাক করে দিয়ে বললাম পর্তূগীজ অবিভাদন (BOM DIA) শুভ সকাল, তারপর তাকে ক্যাফে এর কথা জিজ্ঞেস করতে হাত দিয়ে দেখিয়ে দিল কোন দিকে যাব।
ক্যাফে তে গিয়ে পরিচয় হল রাশিয়ান সুদর্শন তরুন গ্লেব ইরিন কাকতালীয় ভাবে সে আমার TOC এর টিম মেট। দুজন মিলে এক সঙ্গে নাস্তা সেরে একটা ফটো তুলে রাখলাম তোমাদের দেখানোর জন্য।
📷
ছবি: আমি ও গ্লেব ইরিন
নাস্তা সেরে আমি আর গ্লেব অলেম্পিক এর বাসে করে রওয়ানা দিলাম আমাদের ডিওডোরো স্টেডিয়াম এর উদ্দেশ্যে। প্রায় ৪০ মিনিট পাহাড়ী আকা বাকা রাস্তায় করে আমাদের কম্পাউন্ড এ পৌছালাম। পরিচয় হল গ্লেব ছাড়া আরও বাকি ২ জন মেম্বার এর সাথে যার একজন কানাডিয়ান উনার নাম পিটার, পড়ে আমরা নাম দিয়েছিলাম পিটার দি গ্রেট আর আরেকজন উনার নাম ও পিটার। উনি জার্মানীর বার্লীন থেকে, তাই তার নাম দিয়েছিলাম পিটার দি জার্মান যাতে করে আমাদের কনফিউশন তৈরী না হয় তাদের দুজন কে নিয়ে। চার জন মিলে আমাদের অপারেশনস সেন্টার এ সঙ্গে থাকা পতাকা গুলো উড়িয়ে দিলাম। বাংলাদেশ, জার্মানী, রাশিয়া এবং কানাডা।
📷
ছবি: বাম থেকে পিটার জার্মান, জনি, গ্লেব, পিটার দি গ্রেট
সাধারনত ক্যাবলিং কানেক্টিভিটি অলেম্পিক গেমস শুরু হওয়ার ২০-২২ মাস পূর্বেই ইন্সটল করা হয়ে থাকে। মুলত ভেন্যু এর সঙ্গে আমাদের (TOC) টেকনিক্যাল অপারেশনস সেন্টার এর কানেক্টিভিটি এস্টাব্লিসমেন্ট এবং (IBC) ইন্টারন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং সেন্টার এর কানেক্টিভিটি এই ৬-৭ দিন আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করব। আমার দায়িত্ব এই TOC রুমেই আগামী ২১ দিন মনিটিরং করা এই স্টেডিয়াম এর যে সকল ফিড বিলিয়ন মানুষের কাছে যাচ্ছে তার কোয়ালিটি যাচাই করা এবং RHB কে ফিড দেয়া।
তোরা যদি চাস তবে চলবে……………………………………………………………………………………………………..

Address

Singapore
200805

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beautiful Bangladesh Travel Page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category