24বিডি

24বিডি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from 24বিডি, Bangladesh � � �, Puran Bogra.

দৈনিক বাংলা প্রেস daynikbanglapress.com দেশ-বিদেশের জনপ্রিয়-বিশ্বস্ত অনলাইন নিউজ প্ল্যাটফর্ম।স্থানীয়, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, খেলা, বিনোদন, প্রযুক্তি, কৃষি, ইসলামিক ও উন্নয়ন বিষয়ক নির্ভুল, বস্তুনিষ্ঠ ও দ্রুত সংবাদ পেতে সঙ্গে থাকুন।

কনস্টেবলের মতোও মনে হয় না, সে-ই থানার ওসি: যুবদল নেতাকক্সবাজারের টেকনাফে অপহরণ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প...
08/08/2026

কনস্টেবলের মতোও মনে হয় না, সে-ই থানার ওসি: যুবদল নেতা

কক্সবাজারের টেকনাফে অপহরণ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম। তিনি টেকনাফ থানার ওসি সাইফুল ইসলামের কার্যক্রম নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

একপর্যায়ে ওসিকে নিয়ে আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘একটা কনস্টেবলের মতোও মনে হয় না, সে-ই থানার ওসি!’

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা ও পৌর বিএনপির কার্যালয় সংলগ্ন মাঠে পৌর বিএনপির আওতাধীন ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলে অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে উখিয়া-টেকনাফ (কক্সবাজার-৪) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর একান্ত সহকারী (পিএ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্মেলনে আব্দুল কাইয়ুম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও উখিয়া-টেকনাফের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বর্তমান প্রশাসন দিয়ে টেকনাফে অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে না। এ জন্য তিনি সৎ, সাহসী ও কার্যকর কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানান।

তিনি বলেন, টেকনাফে এমন একজন সৎ ও সাহসী কর্মকর্তা প্রয়োজন, যিনি কার্যকরভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে টেকনাফে শান্তি-শৃঙ্খলা পুরোপুরি ফিরবে কি না, তা নিয়েও মানুষের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।

যুবদলের এই নেতা বলেন, সরকার নতুন আইন করেছে। সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক কারবারি ও অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। টেকনাফকে মাদক ও অপহরণমুক্ত করতে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

অপহরণের ঘটনা ঘটার পরও অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। জাতীয় নির্বাচনের আগে টেকনাফে দায়িত্বে থাকা প্রশাসনের পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আব্দুল কাইয়ুম বলেন, অন্যথায় অপহরণ বন্ধ করা কঠিন হবে।

সম্মেলন ও কাউন্সিলের উদ্বোধন করেন টেকনাফ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক। প্রধান বক্তা ছিলেন পৌর বিএনপির সদস্য সচিব হাফেজ এনামুল হাসান। এ সময় যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ওসির প্রতিক্রিয়া

যুবদল নেতা আব্দুল কাইয়ুমের বক্তব্য প্রসঙ্গে টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, তার সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নেই। এ বিষয়ে আমার কোনো প্রতিক্রিয়াও নেই। তিনি কেন এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি তিনিই ভালো জানেন।

তিনি বলেন, আমি যতদিন টেকনাফে দায়িত্বে থাকব, ততদিন এখানকার মানুষের সেবায় কাজ করে যাব। আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করছি।

কাইয়ুমের সঙ্গে এ বিষয়ে তার কোনো ধরনের কথাও হয়নি বলে দাবি করেন সাইফুল ইসলাম।

যুবদল নেতার বক্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন, টেকনাফ-উখিয়ার প্রতিনিধি রুবাইয়াত হোসেন। তিনি বলেন, থানা পুলিশকে নিরুৎসাহিত করা হলে টেকনাফের বাস্তব পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে থানা পুলিশের কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পুলিশের জনবল বৃদ্ধি, নতুন পুলিশ চৌকি স্থাপন এবং সামগ্রিক পুলিশিং ব্যবস্থা উন্নত করার দাবি জানান তিনি।

এসব দাবির পক্ষে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান রুবাইয়াত হোসেন।

এদিকে টেকনাফ পৌর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম ফেসবুক মন্তব্যে লিখেছেন, অবৈধ তদবির, মামলা বাণিজ্য ও অবৈধ আবদারে যখন কাজ হয় না তখন ওসি খারাপ হয়ে যায়!

অন্যদিকে ‘নিউজ অব টেকনাফ’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে মন্তব্য করা হয়েছে, টেকনাফে যেসব বিএনপি নেতা গলা ফাটিয়ে ইয়াবার বিরুদ্ধে কথা বলতেছে, মূলত তারাই এই ইয়াবা ব্যবসায়ীর আশ্রয়দাতা ও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের সেইভ জোনে রাখার হর্তাকর্তা।

তবে ফেসবুকে করা এসব মন্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানা যায়নি।

বক্তব্যের শেষদিকে উখিয়া-টেকনাফের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন আব্দুল কাইয়ুম। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ধরনের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন রোপণের উৎসবদিনাজপুরের খানসামার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন আমন চাষের প্রাণচাঞ্চল্য। টানা বৃষ্টি ও বন্যার...
08/08/2026

বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন রোপণের উৎসব

দিনাজপুরের খানসামার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন আমন চাষের প্রাণচাঞ্চল্য। টানা বৃষ্টি ও বন্যার ধকল কাটিয়ে নতুন স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছেন কৃষকেরা। কোথাও বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে, কোথাও আবার কাদামাখা জমিতে সারিবদ্ধভাবে চলছে চারা রোপণের কাজ।

ভোরের আলো ফুটতেই কাঁধে ধানের চারা আর মনে সোনালি ফসলের আশা নিয়ে মাঠে ছুটছেন তারা। কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রম, মাটির গন্ধ আর সবুজ চারার সমারোহে যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে উপজেলার কৃষিজমিগুলো। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, সবুজের বুকে কৃষকেরাই আঁকছেন আগামী দিনের সমৃদ্ধির ছবি।

উপজেলার আলোকঝাড়ী, ভাবকী, ভেড়ভেড়ী, গোয়ালডিহি, আঙ্গারপাড়া, খামারপাড়া ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, আমন রোপণের কাজে কৃষকদের ব্যস্ততার যেন শেষ নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবাদ সম্পন্ন করতে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাঠে কাজ করছেন। শ্রমিকেট সংকট থাকলেও থেমে নেই চাষাবাদ। কারণ কৃষকদের বিশ্বাস, সময়মতো চারা রোপণ করতে পারলে ফলনও হবে আশানুরূপ।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে খানসামা উপজেলায় ১৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১১ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট জমিতেও দ্রুতগতিতে রোপণের কাজ চলছে।

ছাতিয়ান গড় গ্রামের কৃষক জবেদ আলী বলেন, ‘এ বছর সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় আমন চাষে বেশ সুবিধা হয়েছে। সেচের খরচ কম লেগেছে, জমিতেও পর্যাপ্ত আর্দ্রতা রয়েছে। এখন চারা রোপণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছি। তবে সার ও শ্রমিকের বাড়তি খরচ নিয়ে কিছুটা চিন্তা আছে।’

গোয়ালডিহি ইউনিয়নের কৃষক ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘আমন ধানই আমাদের প্রধান ভরসা। তাই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে কাজ করছি। সময়মতো চারা রোপণ করতে পারলে ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। এবার ধানের ভালো উৎপাদন হলে কৃষকদের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি হবে।’

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩ হাজার ৫০০ কৃষককে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক কৃষককে ৫ কেজি ধানবীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি (পটাশ) সার বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের জমি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন।

খানসামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘চলতি মৌসুমে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর উপজেলায় প্রায় ৭১ হাজার ৬৯৭ মেট্রিক টন আমন ধান উৎপাদনের আশা করছি।’

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা: সাড়ে ৬ বছরে ১৫ হাজারের বেশি প্রাণহানি২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে দেশে ১৬ হা...
08/08/2026

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা: সাড়ে ৬ বছরে ১৫ হাজারের বেশি প্রাণহানি

২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে ছয় বছরে দেশে ১৬ হাজার ৬৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১২ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ১৪৩ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২০২৫ সালেই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

শনিবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে ১ হাজার ৩৮১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৪৬৩ জন নিহত হন। ২০২১ সালে দুর্ঘটনা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৭৮টি এবং নিহত হন ২ হাজার ২১৪ জন। ২০২২ সালে ২ হাজার ৯৭টি দুর্ঘটনায় ৩ হাজার ৯১ জন, ২০২৩ সালে ২ হাজার ৫৩২টি দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৪৮৭ জন, ২০২৪ সালে ২ হাজার ৭৬১টি দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬০৯ জন এবং ২০২৫ সালে ৩ হাজার ২৯টি দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬৭১ জন নিহত হন। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৩১১টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১ হাজার ১৭৭ জনের।

ভারী যানবাহনের ধাক্কায় বেশি দুর্ঘটনা

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ বা ৬ হাজার ৩১৪টি ঘটেছে মোটরসাইকেলে ভারী যানবাহনের ধাক্কায়। মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫ হাজার ৪৯৭টি (৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ), মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ হাজার ৫৪৮টি (২২ দশমিক ৮ শতাংশ) এবং অন্যান্য কারণে ৭০৬টি (৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ) দুর্ঘটনা ঘটেছে।

দুর্ঘটনার জন্য দায়ী যানবাহনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী পণ্যবাহী যানবাহন। ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি ও লরিসহ পণ্যবাহী যানবাহন ৬ হাজার ৪৮১টি বা ৪০ দশমিক ৩৪ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল চালক এককভাবে দায়ী ৫ হাজার ৮৩১টি (৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ) দুর্ঘটনার জন্য। এ ছাড়া বাসের চালক ২ হাজার ১৬৪টি (১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ), থ্রি-হুইলার ৭৩২টি (৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ), প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপ ৪৩৮টি (২ দশমিক ৭২ শতাংশ), পথচারী ২৯৬টি (১ দশমিক ৮৪ শতাংশ) এবং বাইসাইকেল ও রিকশা ১২৩টি (শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ) দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

আঞ্চলিক সড়কে বেশি দুর্ঘটনা

সড়কের ধরন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। এ ধরনের সড়কে ৬ হাজার ৬৮৯টি বা ৪১ দশমিক ৬৩ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় মহাসড়কে ৪ হাজার ৭৭৩টি (২৯ দশমিক ৭১ শতাংশ), শহরের সড়কে ২ হাজার ৬৪৬টি (১৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ) এবং গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৫৭টি (১২ দশমিক ১৮ শতাংশ) দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আক্রান্তদের বড় অংশ তরুণ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে নিবন্ধিত মোট মোটরযানের ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল। এর একটি বড় অংশ কিশোর ও যুবকেরা ব্যবহার করেন। মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে বেপরোয়া গতিতে চালানোর প্রবণতা বাড়ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। প্রতিবেদনে মোটরসাইকেলকে চার চাকার যানবাহনের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নত ও সহজলভ্য গণপরিবহনের ঘাটতি এবং অসহনীয় যানজটের কারণে মানুষ মোটরসাইকেল ব্যবহারে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন বলে বলা হয়েছে।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে মানসম্পন্ন হেলমেট ব্যবহার না করাকেও চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানসম্পন্ন হেলমেট দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৮ শতাংশ কমাতে পারে।

বেপরোয়া চালানো ও দুর্বল আইন প্রয়োগকে দায়ী

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা, রাজনীতিতে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর সংস্কৃতি, ট্রাফিক আইনের দুর্বল প্রয়োগ, সচেতনতামূলক কর্মসূচির ঘাটতি, ত্রুটিপূর্ণ ও দুর্বল সড়ক অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও নজরদারির অভাব, সহজ-সাশ্রয়ী গণপরিবহনের ঘাটতি এবং অসহনীয় যানজটকে চিহ্নিত করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মোটরসাইকেল উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিজ্ঞাপনের ভাষা ও উপস্থাপনে গতির প্রতি তরুণদের আকৃষ্ট করার প্রবণতা রয়েছে। এতে কিশোর-যুবকদের মধ্যে অতিরিক্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা বাড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আট দফা সুপারিশ

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমাতে আট দফা সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে রয়েছে মোটরসাইকেলে নিরাপত্তা ও নজরদারি প্রযুক্তির ব্যবহার, মানসম্পন্ন হেলমেট বাধ্যতামূলক করা, ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা।

এ ছাড়া বিটিআরসির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপত্তামূলক প্রচারণা চালানো, মোটরসাইকেলের বিজ্ঞাপনের ভাষা ও উপস্থাপনে পরিবর্তন আনা, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ এবং সহজ-সাশ্রয়ী ও যাত্রীবান্ধব গণপরিবহন চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সেবার মানসিকতা না থাকলে চিকিৎসার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়: ডাক্তারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন,...
08/08/2026

সেবার মানসিকতা না থাকলে চিকিৎসার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়: ডাক্তারদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সেবার মানসিকতা না থাকলে চিকিৎসার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ডাক্তারদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন পেশাদারিত্বে ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। জ্বালানি খাত অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। জ্বালানি সমস্যা সমাধানে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যনীতির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’ রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। মানুষের মধ্যে রোগের কারণ, প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সম্পর্কে শুরু থেকেই সচেতনতা তৈরি করা গেলে অনেক রোগের প্রকোপ কমানো সম্ভব বলেও তিনি মনে করেন।

এ প্রসঙ্গে মার্কিন উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ী টমাস এডিসনের একটি বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের চিকিৎসকের কাজ শুধু ওষুধ দেওয়া নয়; বরং রোগীর শরীরের যত্ন, খাদ্যাভ্যাস এবং রোগের কারণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে তাকে সচেতন করে তোলাও চিকিৎসাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে এমন একটি ধারণা এডিসনের বক্তব্যে পাওয়া যায়।

তারেক রহমান বলেন, এই চিন্তার সঙ্গে বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি মিল রয়েছে। রোগ প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে সরকার আরও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব স্বাস্থ্যকর্মী সাধারণ মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়ে সচেতন করবেন। তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর জাতীয় সংগীত শেষে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। চিকিৎসক সমাবেশ শুরুর আগে তারা শান্তির দুটি পায়রা উড়িয়ে দেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হরেক রকম ছদ্মবেশে আসামি ধরল পুলিশ।নড়াইলের কালিয়ায় অভিনব কৌশলে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মুল হোতা আরোজ আলী...
06/08/2026

হরেক রকম ছদ্মবেশে আসামি ধরল পুলিশ।

নড়াইলের কালিয়ায় অভিনব কৌশলে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মুল হোতা আরোজ আলী শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে পুলিশের সদস্যরা কৃষক, ভ্যানচালক, হকার ও মুদিদোকানির ছদ্মবেশ নেন।

বুধবার দিনভর গ্রামের সাধারণ মানুষের মতোই চলাফেরা করেছেন তারা। কেউ কৃষক, কেউ ভ্যানচালক, কেউ হকার, আবার কেউ মুদিদোকানি। কিন্তু রাত নামতেই শুরু হয় পরিকল্পিত অভিযান।

রাত আটটার দিকে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল ছদ্মবেশে জোকারচর গ্রামে অবস্থান নেয়। পরে অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মুল হোতা আরোজ আলী শেখকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আরোজ আলী শেখ কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের জোকারচর গ্রামের হেমায়েত শেখের ছেলে।

পুলিশ জানায়, আরোজ আলীর বিরুদ্ধে কালিয়া থানায় ৫টি, নড়াইল সদর থানায় ২টি, খুলনার দিঘলিয়া থানায় ১টি এবং গোপালগঞ্জ সদর থানায় ১টিসহ ডাকাতি, সন্ত্রাস, অস্ত্র ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তার গতিবিধির ওপর নজরদারি চালানোর পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তারকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

"আজ দিল্লিতে শেখ হাসিনার ভাষণ শুনলাম। দুই বছর দেশ থেকে দূরে থেকেও তাঁর কণ্ঠে ভাঙন ছিল না; ছিল দেশে ফেরার দৃঢ় সংকল্প। বত্...
05/08/2026

"আজ দিল্লিতে শেখ হাসিনার ভাষণ শুনলাম। দুই বছর দেশ থেকে দূরে থেকেও তাঁর কণ্ঠে ভাঙন ছিল না; ছিল দেশে ফেরার দৃঢ় সংকল্প। বত্রিশ বছর ধরে নির্বাসিত একজন মানুষ হিসেবে নিজের দেশে ফেরার এই আকুলতা আমি বুঝি। তাঁর দৃঢ়তা আমাকে স্পর্শ করেছে".....তসলিমা নাসরিন

#শেখহাসিনা #তসলিমানাসরিন #দিল্লি #বাংলাদেশ #রাজনীতি #ভাষণ #নির্বাসন

ভারতে ফের আন্দোলন, অনশনে ছাত্রনেতা, সমর্থন ককরোচদেরনিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ভারতের ঝাড়খণ্ডে বিক্ষোভ আরো তীব্র হয়ে...
03/08/2026

ভারতে ফের আন্দোলন, অনশনে ছাত্রনেতা, সমর্থন ককরোচদের

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ভারতের ঝাড়খণ্ডে বিক্ষোভ আরো তীব্র হয়েছে। ১৪তম জেপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও রাজ্যের নিয়োগ ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

এই দাবিতে রাঁচির জয়পাল সিংমুণ্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্ট কালের অনশন শুরু করেছেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। এই আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তার পরেই আরো জোরদার হয়েছে বিক্ষোভ।

প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং প্রশাসনিক গাফিলতির মতো যেসব ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, তার জের ধরেই এই বিক্ষোভের সূত্রপাত। শিক্ষার্থীদের মতে, এসব ঘটনা বারবার তাদের কেরিয়ারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময় দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো জানান, গত মাসে ১৪ তম জেপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরই এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। বার্তা সংবাদ এএনআইকে তিনি বলেন, 'ঠিক এক মাস আগে, ১৪ তম প্রিলিমিনারি টেস্টের (পিটি) ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়েই এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। আমরা ৫ জুলাই এই আন্দোলন শুরু করেছিলাম, ৭ জুলাই রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছিলাম ও ৮ জুলাই কুশপুত্তলিকা পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। এরপর ২০ জুলাই আমরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে প্রমাণ জমা দেই, যার ফলে সরকারি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।’

দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো অভিযোগ করেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ সত্ত্বেও সরকার ও ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিএসসি) শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বিষয়টি যথাযথভাবে সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে।

সাংবাদিকদের দেবেন্দ্র জানান, মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কাছে পেশ করা দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার অনশন চালিয়ে যাবেন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

বেনজীরের কাছে অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসংযুক্ত আরব আমিরাতে শর্তসাপেক্ষ জামিন পাওয়া পুলিশের সাবে...
03/08/2026

বেনজীরের কাছে অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংযুক্ত আরব আমিরাতে শর্তসাপেক্ষ জামিন পাওয়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের কাছে অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ কারণে আদালতের মাধ্যমে তার জামিন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেনজীরের কাছে অন্য কোনো দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে বলে আমাদের সন্দেহ রয়েছে।

বেনজীর আহমেদের জামিন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সরকার রোববার বিকেলে জানতে পেরেছে। আমিরাতের আদালত তাকে দেশত্যাগ না করার শর্তে জামিন দিয়েছেন।

তিনি জানান, বিষয়টি জানার পর সরকারের নিয়োজিত ল ফার্মকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের সচিব আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেছেন। কোন কোন শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছে, তার সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের নিয়োজিত ল ফার্মকে বেনজীর আহমেদের প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে আদালতের মাধ্যমে দ্রুত তার জামিন বাতিল করা যায়।

সরকার দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও কেন জামিন দেওয়া হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য না জেনে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তবে সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করে বিষয়টি পর্যালোচনা এবং জামিন বাতিলের আবেদন করতে ল ফার্মকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে মাদ্রাসাছাত্রী উম্মে হানীচিকিৎসার অভাবে দিন দিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন দিনাজপুরের হ...
03/08/2026

চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে মাদ্রাসাছাত্রী উম্মে হানী

চিকিৎসার অভাবে দিন দিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার চতুর্থ শ্রেণিপড়ুয়া মাদ্রাসাছাত্রী উম্মে হানী। মা-বাবার আদরের বড় মেয়ে সে। ১১ বছরের এই শিশু এপ্লাস্টিক এনিমা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে লড়ছে। প্রতি মাসে তাকে রক্ত দিতে হয়। রক্ত না দিলে অচল হয়ে পড়ে সে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছেন না তার বাবা-মা।

অপারেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ১৬ -১৮ লাখ টাকা। সম্বল বলতে কিছুই নেই তাদের। ছোট্ট একটি সবজির দোকান রয়েছে তার বাবার কিন্তু দেড় বছরে মেয়ের চিকিৎসার খরচ চালাইতে গিয়ে সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে। সম্পদ বলতে দেড় শতক জায়গায় টিনের একটি বাড়ি ছাড়া কিছুই নেই তাদের। তাই এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না হওয়ায় ছেলের চিকিৎসায় বিত্তবানদের কাছে আকুল আবেদন। এদিকে উম্মে

হানীর চিকিৎসা হলে সে আগের জীবনে ফিরে আসবে এবং বড় হয়ে দেশের জন্য তার দাড়াই একজন ভালো কিছু হতেও পারে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান।

কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, এই বয়সের অনেক ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায় ব্যস্ত অথচ উম্মে হানী শুয়ে বসে দিন কাটাচ্ছে। এক সময়ের চঞ্চলা এই মেয়ে শিশুটি এখন শুধুই নিশ্চুপ। সমবয়সি সবাই এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করলেও উম্মে হানী তার রোগের কাছে অসহায়। শুয়ে থাকতে এবং একটু চলাফেরা করতেই হাঁপিয়ে ওঠে সে, বন্ধ হয়ে আসে শ্বাস-প্রশ্বাস।

ডাক্তার দ্রুত অপারেশন করার কথা বললেও টাকার অভাবে পারছেন না তারা।

উম্মে হানীর বাবা-মা বলেন, হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। পড়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর জানা যায়, মেয়েটির এপ্লাস্টিক এনিমা (রক্ত শূন্যতা) রোগ দেখা দিয়েছে। প্রায় দেড় বছর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বগুড়া, দিনাজপুর ও পাবতীপুরে ডাক্তার দেখালে সবাই তাকে ঢাকাতে অপারেশন করতে বলে। কিন্তু অপারেশন করতে প্রায় ১৬-১৮ লাখ টাকার প্রয়োজন।

বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা। সবার সহযোগিতাই পারে ছোট্ট শিশু মেয়েকে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে। উম্মে হানীর সাহায্য পাঠাতে তার বাবার (নগদ) নং-০১৭৮০৯১৮০৪৯।

রোহিঙ্গাদের জন্য আড়াই কোটি ডলার সহায়তা ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ারবাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা...
03/08/2026

রোহিঙ্গাদের জন্য আড়াই কোটি ডলার সহায়তা ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার (AUD 25.25 million) অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬-২০২৮ মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় এ অর্থায়ন প্রদান করা হবে, যা বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ শরণার্থী জনগোষ্ঠী এবং তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, শুল্ক ও বহুসংস্কৃতি বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিলের উপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এই অনুদানের ঘোষণা দেয়।

বৈশ্বিক মানবিক সহায়তা খাতে অর্থায়নের অনিশ্চয়তা ও ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যেই এ সহায়তা এসেছে। ফলে রোহিঙ্গা সংকটে ইউএনএইচসিআর ও এর অংশীদার সংস্থাগুলো ক্যাম্পে সুরক্ষা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা অব্যাহত রাখতে পারবে।

অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল বলেন, অস্ট্রেলিয়া আমাদের অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটগুলোতে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে, যা অঞ্চলকে আরও নিরাপদ, স্থিতিশীল ও সহনশীল করে তুলছে। মিয়ানমার ও বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের মানবিক চাহিদা পূরণে সহায়তা অব্যাহত রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরতে চান, তবে তাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমারে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকেয়িসোনি বলেন, প্রায় নয় বছর পর নতুন নতুন বৈশ্বিক মানবিক সংকট সামনে আসায় রোহিঙ্গা সংকট আন্তর্জাতিক মনোযোগ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিক সহায়তা প্রমাণ করে যে বিশ্ব এখনও রোহিঙ্গাদের পাশে রয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বলেন, রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দিতে অস্ট্রেলিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইউএনএইচসিআরকে দেওয়া এই সর্বশেষ অর্থায়ন নারী, কন্যাশিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য অত্যাবশ্যক সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।

২০১৭ সালে মিয়ানমারে ব্যাপক সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছে, যাদের অধিকাংশই কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী ক্যাম্পে অবস্থান করছে। তাদের বেশিরভাগই দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে প্রায় সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।

ইউএনএইচসিআরের তথ্যমতে, দীর্ঘদিনের অর্থায়ন সংকট রোহিঙ্গাদের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অনেকেই উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনক সমুদ্রপথে যাত্রা করতে বাধ্য হচ্ছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা নিখোঁজ হয়েছেন বা প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে, ২০২৪ সাল থেকে নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের অনেকেই এখনও পর্যাপ্ত আশ্রয়, পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি এবং অন্যান্য মৌলিক সেবার সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তার পাশাপাশি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণও জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংহতি ও সহায়তা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই অর্থায়ন সেই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Address

Bangladesh � � �
Puran Bogra
1201

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 24বিডি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to 24বিডি:

Shortcuts

Share