Bohemian Faisal

Directions Website Contact the business

Bohemian Faisal ঘুরে বেড়াই পথে প্রান্তরে।
Travel | History | Stories
(3)

ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে ৬০০ বছর আগে নির্মিত ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ মসজিদটি ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মৃতি বহ...
18/09/2026

ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে ৬০০ বছর আগে নির্মিত ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ মসজিদটি ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মৃতি বহন করছে।

হারিয়ে যাওয়া এক সোনালি অতীত: রূপসদী জমিদার বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে আছে রুপসদী তীর্থবাসী স্মৃতি মঠ/মন্দির। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ...
18/09/2026

হারিয়ে যাওয়া এক সোনালি অতীত: রূপসদী জমিদার বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে আছে রুপসদী তীর্থবাসী স্মৃতি মঠ/মন্দির।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামে অবস্থিত।
প্রায় পাঁচ একর জায়গার উপর জমিদার তীর্থবাসী চন্দ্র রায় ১৯১৫ সালে ভারত থেকে নকশা ও রাজমিস্ত্রী এনে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করেন। তার পুত্র জমিদার মহিষ চন্দ্র রায় তার দাদার নামে এখানে একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাবার স্মৃতিস্বরূপ একটি মাঠ নির্মাণ করেন।

এই জমিদার বাড়ির আঙ্গিনায় আগে বিভিন্ন মেলা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান হতো।

17/09/2026

সখীচরন রায়ের বাড়ি
লোকেশন:কাশিয়ানি,গোপালগঞ্জ।

পুরান ঢাকার কৈলাশ ঘোষ লেনে অবস্থিত বনেদি এই বাড়িটি।ভিতরে কয়েকটি পরিবার বাস করে।ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।23.710...
17/09/2026

পুরান ঢাকার কৈলাশ ঘোষ লেনে অবস্থিত বনেদি এই বাড়িটি।ভিতরে কয়েকটি পরিবার বাস করে।ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।

23.7104330, 90.4098420

যে জমিদার বাড়ির সাথে ইস্ট বেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের সম্পর্ক।ঐতিহাসিক ধানকোড়া জমিদার বাড়ি।ধানকোড়া গ্রাম,সাটুরিয়া,মানিকগঞ্জ।মান...
16/09/2026

যে জমিদার বাড়ির সাথে ইস্ট বেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের সম্পর্ক।ঐতিহাসিক ধানকোড়া জমিদার বাড়ি।
ধানকোড়া গ্রাম,সাটুরিয়া,মানিকগঞ্জ।

মানিকগঞ্জ শহরে চলে এলাম,মানিকগঞ্জ শহরে এসে হালকা নাস্তা করে শহরের বাসস্ট্যান্ডে আসলাম।বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে উঠে বারোবাড়িয়া বাজারে নামলাম।বারোবাড়িয়া বাজারের একটু আগে বারোবাড়িয়া ব্রীজ সেই ব্রীজের পাশ দিয়ে একটি কাঁচা রাস্তা চলে গিয়েছে ধানকোড়া জমিদার বাড়ির দিকে।রাস্তা ভালো না হওয়ায় কোন যানবাহন সেদিকে যেতে চাচ্ছিলো না আর যারা যেতে যাচ্ছে তারাঅতিরিক্ত ভাড়া চাচ্ছিলো তাই ম্যাপের সাহায্য নিয়ে হাটা শুরু করলাম। আধঘন্টা হাটার পর গন্তব্যে এসে পৌছালাম।জমিদার বাড়ির গেটে আসার পর একজনের সাথে আমার পরিচয় হয় যিনি এই জমিদার বাড়িটি ঘুরে ঘুরে আমাকে দেখাতে থাকলেন।

বিশাল সিংহ তোরণ দিয়ে আমরা ভিতরে প্রবেশ করলাম,প্রবেশ মুখেই দু পাশে দুটি নওবতখানা রয়েছে। অনেকের এখন প্রশ্ন হতে পারে নওবতখানা কি ?
তখনকার সময় জমিদারগণ ছিলেন সংগীত প্রিয় তারা যন্ত্রসঙ্গীতের জন্য থাকত আলাদা কক্ষ যা পরিচিত ছিল ‘নহবতখানা’, ‘নওবতখানা’ বা ‘নক্করখানা’ নামে। নহবতখানা বা নক্করখানা বলতে ‘ঢাক বা ডঙ্কা ভবন’ বা ‘বাদ্যঘর’ বা ‘যন্ত্রসঙ্গীত ভবন’ বোঝাত।

নহবতখানায় ব্যবহৃত বাদ্যযন্ত্রগুলি ছিল ‘নাক্কারা’ বা ‘ডঙ্কা’, ‘কুয়ার্গা’ বা ‘দামামা’, ‘দুহুল’ বা দুমুখো ঢোল। ‘কর্না’ যা দেখতে সানাইয়ের মতো হলেও এটি সানাইয়ের থেকে বড় আকৃতির একটি বাদ্যযন্ত্র যা সোনা, চাঁদি, পিতল-সহ আরও নানা ধাতু দিয়ে নির্মিত হত। ‘সুরনা’ দেখতে এবং আকারে সানাইয়ের মতো হলেও এর আওয়াজ সানাইয়ের থেকে কিছুটা পৃথক।

এরা আসলে কতটা দারুণ ছিলো এবং এদের আভিজ্যত্য তো অনেক ছিলো।তবে এসব নহবতখানা গুলো ব্যবহার করা হত বিভিন্ন ঢাক এবং বাদ্য বাজানোর জন্য, এই জমিদার বাড়ি থেকে কোন ফরমান জারি হলে এখান থেকে ঢাক বা ঢোলের মাধ্যমে এই দুতলা নহবতখানা থেকে তা বাজানো হত যাতে দূর থেকে তা শোনা যায়।

জমিদার বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলাম,জরাজীর্ণ এল আকৃতির একটি ভবন টিকে আছে সেই ভবনের কোথাও পলেস্তারা খসে পরেছে আবার কোথাও পরগাছা জন্মেছে কোথাও আবার ময়লার স্তুপ।এসব বাড়ি যতই দেখি ততই আসলে আক্ষেপ জাগে।আক্ষেপের সুরটা আহারে …… দীর্ঘশ্বাসে গিয়ে শেষ হয়। এই জমিদার বংশধররা ভারতের দিল্লি থেকে বর্তমান বাংলাদেশের সাটুরিয়া উপজেলায় এসে বসতি স্থাপন করেন এবং জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেন। জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জমিদার নরসিংহ রায় চৌধুরী।

জমিদার বাড়ির সিংহ দরজা সোজা চলে গিয়েছে জমিদার বাড়ির ভিতর দিয়ে মন্দির পর্যন্ত,মন্দিরটি স্বাধীনতার সময় ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিলো।এই মন্দিরেই পূজা অর্পনা করতো এই জমিদার বাড়ির জমিদারগণ।মন্দিরের পূর্ব পাশে সান বাধানো বিশাল পুকুর সেই পুকুর পারে একসময় আড্ডা বসতো এই জমিদার বাড়ির লোকদের আজ সেখানে হাহাকার।
নরসিংহ রায় চৌধুরী তারপর জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির আগ পর্যন্ত একেএকে জমিদার বংশধররা এই জমিদারীর দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। জমিদার নরসিংহ রায় চৌধুরীর ছেলে ছিলেন গিরিশগোবিন্দ রায় চৌধুরী। তার ছেলে ছিলেন হেমচন্দ্র রায় চৌধুরী। তার ছিল তিন ছেলে অমূল্যচন্দ্র রায় চৌধুরী, বীরেনচন্দ্র রায় চৌধুরী এবং নির্মলচন্দ্র রায় চৌধুরী।
এই জমিদার বাড়ির লোকজন শিক্ষানুরাগী এবং ক্রিয়াপ্রেমী ছিলো ইতিহাস তাই বলে।চল উঠি বাড়িটা আরেকবার দেখি,জমিদার বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলাম,ঘুটঘুটে অন্ধকার চুনসুরকির ব্যবহার দেখা যায় দেয়াল জুড়ে মাঝেমধ্যে ছাদে লোহার ব্যবহারও চোখে পরছে।দরজার জানালা গুলো এখনো মজবুত ঐ যে শাল কাঠের দরজার জানালা যার ক্ষয় নাই ।

জমিদার বাড়ির পাশেই জমিদাররা একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়টি জমিদার হেমচন্দ্র তার বাবা জমিদার গিরিগোবিন্দের নামে প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাস থেকে যা জানা যায় তা হলো এই জমিদার বংশের আওতায় মোট ২৪টি কাছারি ছিল। এদের জমিদারি শুধু এই অঞ্চলেই ছিলো না এদের জমিদারি হাওর অঞ্চলেও ছিলো বর্তমান ময়মনসিংহ জেলার জগন্নাথপুর ও খালিয়াজুড়ি নামক এলাকায়ও তাদের জমিদারী ছিল।

জমিদার বাড়ির সামনের মাঠে একদল বাচ্চারা ফুটবল খেলতেছিলো,আমর মন আনচান করতেছিলো ওদের সাথে খেলার জন্য কিন্তু সময় এবং অচেনা জায়গা হওয়ার সেটা আর হলো না,আমি জমিদার বাড়ি দেখতে থাকলাম।এখনো অত্র অঞ্চল হিন্দু অধ্যুষ্যিত।
দেশ ভাগের মধ্য দিয়ে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হলে জমিদার বাড়ির বংশধররা ১৯৫২ সালে ভারতে চলে যান। এই জমিদার বাড়ির সন্তানরা বাংলার স্বনামধন্য ফুটবল ক্লাব ইস্ট বেঙ্গলের সাথে সম্পৃক্ত। এই জমিদাররা এই এলাকার খুবই স্বনামধন্য জমিদার ছিলো।

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে এই চৌধুরী পরিবার গোপালগঞ্জে প্রভাব বিস্তার শুরু করে।এই বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলো তা জানতে পারিন...
15/09/2026

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে এই চৌধুরী পরিবার গোপালগঞ্জে প্রভাব বিস্তার শুরু করে।এই বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলো তা জানতে পারিনি।তবে বাড়ির উপরে লেখা ছিলো তোফেল আহম্মদ চৌধুরী।
চৌধুরী বাড়ি।

📍পাইককান্দি, গোপালগঞ্জ।

হুমায়ূন আহমেদের ঘেটুপুত্র কমলা সিনেমার সেই ঐতিহাসিক বাড়িটি।হরিপুর জমিদার বাড়ি /বড়বাড়ি।নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়ীয়া।একপাশে হা...
14/09/2026

হুমায়ূন আহমেদের ঘেটুপুত্র কমলা সিনেমার সেই ঐতিহাসিক বাড়িটি।হরিপুর জমিদার বাড়ি /বড়বাড়ি।
নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়ীয়া।

একপাশে হাওর অন্যপাশে মানুষের বসবাস তার ঠিক মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে পিচ ঢালা রাস্তা।যদিও রাস্তার অবস্থা খুবই বাজে তারউপর দুপুরের রোদ সাথে চোখে ঘুমঘুম একটা ভাব।সিএনজি থেকে হরিপুর জমিদার বাড়ির কাছেই নামলাম।পিচঢালা রাস্তা থেকে নেমে একটু সামনে তাকালেই তিতাস নদী।শতবর্ষী এক পুরাতন ভবনের পাশ দিয়ে আমি হেটে যাচ্ছি তিতাস নদীর পাড়ের দিকে।মিনিট খানেক হাটার পরই চোখের সামনে দেখা মিললো ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক বাহক তিতাস নদীর পাড়ের গড়ে উঠা হরিপুর জমিদার বাড়ি।হরিপুর জমিদার বাড়ির দু পাশে দুটি মঠ এবং সামনের তিতাস নদীর পাড়ে বিশাল সানবাধানো ঘাট। এই ঘাটেই একসময় জমিদার বাড়ির সাম্পান এসে থামতো।তিতাস নদীর বিশালতা দিয়ে আকড়ে রেখেছে জমিদার বাড়ির ঘাটটিকে।

বাহিরে থেকে বুঝা যাবে না এই জমিদার বাড়ির ভিতর আসলে কতটা সৌন্দর্য্য আমার জন্য অপেক্ষা করছে।বিশাল এক বারান্দা পেরিয়ে আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম।ভিতরে প্রবেশ করেই আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম চারদিকে। এই শতবর্ষী জমিদার বাড়িটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত।

নান্দনিক স্থাপত্য শৈলিতে নির্মিত বাড়িটি, বাড়ির বাইরের অবয়বটি অবিকল রয়ে গেছে। কারুকাজ খচিত দেয়াল,স্তম্ভ ও কার্নিশ। তিনটি ভাগে ভাগ ছিলো এই জমিদার বাড়িটি।
ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায় প্রায় ১৭৫ বছর পূর্বে জমিদার গৌরী প্রসাদ রায় চৌধুরী ও কৃষ্ণ প্রসাদ রায় চৌধুরী বাড়িটি নিমার্ণ করেন। বৃটিশ আমলে নির্মিত বাড়িটির নির্মাণ শৈলী বড়ই মনোরম। ১৩৪৩ বাংলার ১২ চৈত্র (দোল পূর্নিমা) তারিখে কৃষ্ণ প্রসাদ রায় চৌধুরীর মূত্যুর পর পর্যায়ক্রমে বাড়িটির উত্তরাধিকার হন হরিপদ রায় চৌধুরী ও শান্তি রায় চৌধুরী। তাদের কাছ থেকে বাড়ির মালিকানা ও জমিদারি আসে উপেন্দ্র রায় চৌধুরী ও হরেন্দ্র রায় চৌধুরী। কালক্রমে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্ত হওযার পর জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হরে তারা বাড়িটি ফেলে কলকাতায় চলে যায়। জমিদাররা বাড়িটি ফেরে যাওয়ার সময় পুরোহিতদের রেখে যায়। এখনও জরাজীর্ণ জমিদার বাড়িতে পুরোহিতদের বংশধরেরা বসবাস করছে। বাড়িটির দেয়ালের অধিকাংশ পলেস্তারা খসে পড়ছে, আর সেখানে জমেছে শেওলার আবরণ। দৃষ্টি নন্দন কারুকাজের খুব অল্পকিছু অংশই বিলীন হতে বাকি আছে। জনশ্রুতি আছে, মেঘনা তথা তিতাসের পূর্বপ্রান্তে এত বড় বাড়ি আর কোথাও নেই। প্রায় ৪৮০ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত তিনতলা জমিদার বাড়িটিতে প্রায় ৬০টি কক্ষ, রং মহল, দরবার হল, ধানের গোলা, গোয়ালঘর, রান্নার ঘর, নাচ ঘর, মল পুকুর,খেলার মাঠ, মন্দির ও সীমানা প্রাচীর রয়েছে। বিশাল আয়তনের বাড়িটির পুরো ভবনের কোথাও কোন রডের গাঁথুনি নেই। লাল ইট সুরকির গাঁথুনি দিয়ে তৈরি ভবনের দুপাশে দুটি সুউচ্চ গম্বুজ সগর্বে মাথা তুলে দাড়িঁয়ে ঘোষনা করছে, জমিদার বংশের ঐতিহ্যের কথা। দু’তলায় উঠার ৬ দিকে ৬টি সিড়িঁ ও তিন তলায় উঠার ২ দিকে ২টি সিড়িঁ রয়েছে। বাড়তি পশ্চিম-উত্তর কোণে ৬টি বেড রুম এবং মল পুকুরের পূর্বপাড়ে ৪টি ও পশ্চিম পাড়ে ৪টি বেড রুম রয়েছে। বাড়ির পশ্চিম দিকে তিতাস নদীর পাড়ে পাকা ঘাটলার উত্তর দিকে কৃষ্ণ প্রসাদ রায় চৌধুরী ও দক্ষিণ দিকে গৌরী প্রসাদ রায় চৌধুরীর সমাধি মঠ রয়েছে।

হরিপুরের জমিদারগণ ত্রিপুরার প্রভাবশালী জমিদারগণের উত্তরসুরি ছিলেন। প্রবীণদের নিকট থেকে জনশ্রুতি আছে সুনামগঞ্জ, ছাতক, দোয়ারাবাজার এবং আজমিরীগঞ্জের জনপদ কর প্রদান করতো। নাসিরনগর উপজেলাস্থ গুণীয়াউকের জমিদারগণের সহিত তাদের সুসম্পর্ক ছিল। দেশবিভাজনের পর ১৯৪৭ সালে প্রাসাদ ছেড়ে কলকাতায় চলে যান। ঐতিহাসিক নৌকা বাইচ মুলতঃ এখান থেকেই শুরু হয়। প্রাসাদের অনেক স্থানে ক্ষয় হয়ে গেলেও দ্বিতলের পাশা খেলার ঘরটি আজও রয়ে গেছে যাতে জমিদার সখ্যগণের সাথে খেলতেন। বাইজীরা প্রতি রাতেই জমিদারগনের আমোদ-প্রমোদের উদ্দেশ্যে নৃত্য পরিবেশন করতো।

বাড়িটিতে এখন অনেক গুলো পরিবার বসবাস করেন ,যাদের একটি অংশ হলো জমিদারদের রেখে যাওয়া পুরোহিতদের পরিবারবর্গ।অন্য অংশটি হলো বিভিন্ন ছিন্নমূল মানুষ যারা এখানের পরিবেশকে খুবই বাজে অবস্থায় নিয়ে গেছে।জমিদার বাড়ির একদম সামনের অংশে এদের বসবাস।জমিদার বাড়ির মন্দির সহ বিভিন্ন স্থাপনার মধ্যে এরা মলমূত্র ত্যাগ করে জায়গা গুলোরে খুবই বাজে হালাত করে রাখছে। গরু ছাগলের খামার হিসেবেও একে এরা ব্যবহার করে থাকে। স্থানীয় থানার দারোগা এসে বাড়ির একটি রুম থেকে ছাগল সরাতে বলতে ছিন্নমূল মানুষজন তার উপর খুব চড়াও হয়।একটা সরকারী নিরাপত্তায় থাকা ভবন কিভাবে বাজে মানুষের কবলে পরলো তা নিয়ে আমি এখনো ভাবতেছি।যদিও বাড়ির মুল ভবনের একটিতে সংস্কারের ছোয়া লেগেছে ।দেয়াল,পলেস্তারা খসে পরছে অনেক জায়গায়। কারুকার্য করা দেয়াল গুলো বিচ্ছিরি ভাবে নষ্ট করে ফেলছে বসবাস করা লোকজন তবে পুরোহিতদের বসবাসরত জায়গা গুলোর পরিবেশ এখনো সুন্দর রয়েছে।

এই বাড়িতে নির্মাণ করা হয়েছিলো অনেকগুলো বাংলা চলচ্চিত্র মধুমালতি, নাইওরী,দ্য লাস্ট ঠাকুরেরমত চলচ্চিত্র।

এই জমিদার বাড়ির বিশালতার চেয়ে এর সৌন্দর্য্য মানুষকে আকৃষ্ট করবে যে কোন ভাবে।আমার এখানে কয়েকশো কোটি বছর কাটাতে মন চায়।

বাড়িটি সংস্কার করা হয়েছে।
ছবি- ২০২২ সাল।

হারিয়ে যাওয়া এক সোনালি অতীত: রূপসদী জমিদার বাড়ির আঙিনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামে অবস্থি...
12/09/2026

হারিয়ে যাওয়া এক সোনালি অতীত: রূপসদী জমিদার বাড়ির আঙিনায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী গ্রামে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি।

প্রায় পাঁচ একর জায়গার উপর জমিদার তীর্থবাসী চন্দ্র রায় ১৯১৫ সালে ভারত থেকে নকশা ও রাজমিস্ত্রী এনে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করেন। তার পুত্র জমিদার মহিষ চন্দ্র রায় তার দাদার নামে এখানে একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাবার স্মৃতিস্বরূপ একটি মাঠ নির্মাণ করেন।

এই জমিদার বাড়ির আঙ্গিনায় আগে বিভিন্ন মেলা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান হতো।

"তিতাস একটি নদীর নাম" অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস।এই সেই তিতাস নদী।
12/09/2026

"তিতাস একটি নদীর নাম" অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস।এই সেই তিতাস নদী।

দেবী চৌধুরাণী ছিলেন একজন নারী ব্রিটিশবিরোধী নেত্রী ও পীরগাছার জমিদার। তিনি ব্যান্ডিট কুইন বা দস্যুরানি নামেও পরিচিত।দেবী...
11/09/2026

দেবী চৌধুরাণী ছিলেন একজন নারী ব্রিটিশবিরোধী নেত্রী ও পীরগাছার জমিদার। তিনি ব্যান্ডিট কুইন বা দস্যুরানি নামেও পরিচিত।

দেবী চৌধুরাণীর বাড়ি/মন্থনা জমিদার বাড়ি/পীরগাছা রাজবাড়ি।
পীরগাছা, রংপুর।

রংপুরের ফতেহপুর চাকলার মন্থনা জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা অনন্তরাম কোচবিহার মহারাজার একজন কর্মচারী ছিলেন। তিনি একজন বারেন্দ্রীয় ব্রাহ্মণ। ১৭০৩-১৭০৪ খ্রিঃ দিকে কোচবিহার মহারাজা রুপনারায়নের শাসনকালে রংপুরের পীরগাছা এলাকায় একটি ছোট্ট তালুক লাভ করেন। তার নামানুসারে উক্ত তালুক (গ্রাম) খানির নামও অনন্ত রাম হয়। আরেক সুত্রে জানা যায় অনন্তরাম এ বংশের ষষ্ঠ পুরুষ ছিলেন এবং বৈষ্ণব মিশ্র নামে একজন মৈথিলী ব্রাহ্মণ কোচবিহার মহারাজার দ্বারা পুরোহিত এ জমিদারির আদি পুরুষ ছিলেন। তারই বংশের চতুর্থ পূরুষ জিতুমিশ্র এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। অনন্তরামের পূর্ব পূরুষ সম্পর্কেও বিশেষ কিছু জানা যায় না। ১৭১১ সালের দিকে যখন মোগল বাহিনী ‘কাছওয়ারা' (সরকার কোচ বিহার) দখলে তৎপর হয়ে ওঠে তখন অন্যান্য কোচ কর্মচারীদের মতো অনন্তরামও মোগল পক্ষে যোগদান করে মন্থনা জমিদারিতে তার পূর্বপদ বহাল রাখেন। তার প্রতিষ্ঠিত জমিদারি পরবর্তীকালে মন্থনা অথবা দু আনা ফতেহপুর বলে আখ্যা লাভ করে। তদীয় পুত্র যাদবেন্দ্র নারায়ন একজন খ্যাত নামা বৈষ্ণব অনুসারী ছিলেন এবং যাদব রায় ও গোপাল নামে দুটি পারিবারিক বিগ্রহের প্রতিষ্ঠা করে এক দেবোত্তর এষ্টেট

প্রতিষ্ঠা করেন। যার বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ছিল ৩০,০০০/- টাকা। এছাড়াও তিনি ধর্ম প্রাণ ব্রাহ্মণদের জন্য বহু সম্পত্তি দান করেন। যাদবেন্দ্র রায়ের পুত্র রাঘবেন্দ্র নারায়ন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। তবে রাঘবেন্দ্রের পুত্র নরেন্দ্র ১৭৬৫ খ্রিঃ উত্তরাধিকারবিহীন অবস্থায় মারা গেলে মৃত জমিদারের স্ত্রী জয় দুর্গা দেবী প্রায় তিন দশকের মত মন্থনা জমিদারি পরিচালনা করেন। এই জয়দুর্গা দেবীই ইতিহাসে খ্যাত নামা দেবী চৌধুরাণী নামে পরিচিত। যিনি তার জীবদ্দশার অধিকাংশ সময় রংপুরের প্রজা বিদ্রোহীদের সাথে জড়িত ছিলেন। এ সময় সন্নাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী পাঠক এর সাথে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে রংপুর কালেক্টর রিচার্ড গুডল্যাণ্ড ও সেনা কমাণ্ডার লেঃ ব্রেনান বেসামাল হয়ে পড়ে। রংপুরসহ সমগ্র উত্তরবঙ্গ, দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারেও উক্ত বিদ্রোহে জড়িয়ে পড়ে। বৃটিশদের অত্যাচারে দেবী চৌধুরাণী অবশেষে আত্মগোপন করে নিজ গোমস্তার মাধ্যমে জমিদারী পরিচালনা করেন। তার অনুপস্থিতির সুযোগে কোম্পানী সরকার তার পরগণায় রাজস্ব আদায়ের জন্য সাজোয়াল নিযুক্ত করে। এর ফলে নিরীহ প্রজাদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধি পায়। দেবী চৌধুরাণী কত দিন নিরুদ্দেশ ছিলেন এ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে দুটি মতামত রয়েছে।একদল ঐতিহাসিকদের মতে ১৭৮৩ সালের বৈশাখ মাসের প্রথম সপ্তাহের প্রথম বৃহস্প্রতিবার বিদ্রোহীদের গোপন আস্থানার সন্ধান পেয়ে বৃটিশবাহিনী চজন্ডীপুর গ্রামে( নাপাই চন্ডী) ইংরেজবাহিনী আচমকা আক্রমন শুরু করে। পীরগাছার মন্থনার জমিদার জয় দুর্গা দেবী(দেবী চেীধুরানী) ইংরেজরদের বিরুদ্ধে বির বিক্রমে যুদ্ধ করে এখানে নিহত হন।তার সাথে নিহত হন ইটাকুমারীর মানবপ্রেমী জমিদার শীভ চন্দ্র রায় এবং দেবী চৌধুরানীর ছোট ভাই কেষ্ট কিশোর চৌধুরীসহ অসংখ্য ফকির সন্ন্যাসী।অন্য একটি মতের অনুসারীরা মনে করেন, ফকির সন্ন্যাস প্রজা বিদ্রোহ প্রশমিত হলে দেবী চৌধুরানী নিজ জমিতে ফেরত আসেন।

মন্থনা জমিদার বাড়ীর ধ্বংসাবশেষ -এর একাংশ

সরকারী এক সুত্রে জানা যায়, ১৭৯১ খ্রিঃ ১৯ অক্টোবর রংপুর জেলার বাতিলকৃত জমিদার বৃন্দের যে তালিকা প্রকাশিত হয় তার মধ্যে জয়দুর্গা দেবীর নাম পাওয়া যায়। তাতে মনে হয় ফকির সন্নাসী বিদ্রোহের আগুন প্রশমিত হলে ১৭৯০ খ্রিঃ আগে আগেই তিনি নিরুদ্দেশ জীবন কাটিয়ে নিজ জমিদারিতে পূর্ণ মর্যাদায় ফেরত আসেন। এ কারণেই বাতিলকৃত জমিদারের তালিকায় তার নাম প্রকাশ হয়েছিল। অপর দিকে ১১৭৬ বঙ্গাব্দ (১৭৬৯-৭০ খ্রিঃ) থেকে ১১৯৭ বঙ্গাব্দ (১৭৯০-৯১খ্রিঃ) পর্যন্ত সময় কমপক্ষে তিনি যে মন্থনার জমিদার ছিলেন তা তার প্রদত্ত দুই খানি সনদ থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়। উক্ত সনদের একখানি পীরপাল (১১৭৬ বঙ্গাব্দের ৫ই মাঘ) এবং অপরটি মুশকালী চুকানী পাট্টা (১১৯৭ বঙ্গাব্দ, ২৫ কার্তিক) উপরি উক্ত পাট্টা দু খানিতে তার জমিদারি শুরু ও শেষ জানা যায় না। তবে একথা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয় যে তিনি সুদীর্ঘকাল মন্থনা পরগনার জমিদার ছিলেন এবং দেবী চৌধুরাণী নামে পরিচিত । তিনি যে মন্থনার জমিদার এ কথা ঐতিহাসিক সত্য। জয় দুর্গার মৃত্যুত তার দত্তক পুত্র রাজেন্দ্র নারায়ন রায়

চৌধুরী মন্থনার জমিদার হন এবং বুকানন রংপুরে আগমন কালেও ১৮০৮-০৯ খ্রিঃ তিনি মন্থনার জমিদার পদে বহাল ছিলেন। তার মৃত্যুর পর মন্থনা জমিদারী তাঁর দু পুত্র হরেন্দ্র নারায়ন (বড় তরফ) ও ভৈরবেন্দ্র নারায়ন (ছোট তরফ) এর মধ্যে বিভক্ত হয়। বড় তরফ তৌজি নং ১৯ এবং ছোট তরফ ২০নং তৌজি লাভ করেন। ঊনবিংশ শতাব্দির শেষ দিকে জমিদার জগদিন্দ্র নারায়ন দেনার দায়ে ছোট তরফের অধিকাংশ অংশ তাজহাটের মহারাজ গোবিন্দ লালের কাছে বিক্রয় করে দেন। বাকী অংশটুকুও তদীয় পুত্র হেমেন্দ্র নারায়ন বিক্রি করে দিলে মন্থানার ছোট তরফের অস্তিত্ব লোপ পায়। বড় তরফের জমিদার হরেন্দ্র নারায়নের পুত্র মহেন্দ্র নারায়ন নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেলে তদীয় স্ত্রীর দত্তক পুত্র জ্ঞানেন্দ্র নারায়ন বড় তরফের জমিদারীর অধিকারী হন। তিনি নিজ অংশের প্রভূত উন্নতি সাধন করেন। ১৩০৫ বঙ্গাব্দে তিনি মারা গেলে তদীয় ধর্মপরায়ণা স্ত্রী ভবতারিনী দেবী ১৩৩০ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত উক্ত জমিদারী পরিচালনা করেন। তার নিজ নামে নির্মিত ভবতারিনী কালীমন্দির অটটু অবস্থায় বড় তরফ জমিদার বাড়িতে দাড়িয়ে আছে। তার মৃত্যুর পর তদীয় দত্তক পুত্র ভুপেন্দ্র নারায়ন ছিলেন এই পরিবারের শেষ জমিদার। যার সময় ১৯৫০ খ্রিঃ জমিদারী প্রথা বিলুপ্তি আইন পাশ হয় । রংপুরের পীরগাছা থানার ও রেল ষ্টেশনের অনতিদুরে এ জমিদার বাড়ি অবস্থিত। ধ্বংস প্রায় জমিদার বাড়ির কাঁচারী বাড়ি আজও পীরগাছা থানা রেজিষ্ট্রি অফিস। জমিদার বাড়ির মধ্যে নির্মিত বহু মন্দির আজ আর নেই । তবে ছোট তরফের জমিদার ভৈরবেনন্দ্র নারায়ন কর্তৃক নির্মিত ত্রিবিগ্রহ মন্দির আজও ধ্বংসের অপেক্ষায় দিন গুণছে। এখানে অন্নপূর্ণা বিশেশ্বর, শিব ও হরিহর তিনটি বিগ্রহ এক মন্দিরের পাশাপাশি কক্ষে স্থাপন করা হয়েছে। যা বাংলার মন্দির স্থাপত্যের ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত । ঐতিহাসিক দেবী চৌধুরানী পীরগাছার মন্থনা জমিদার ছিলেন এটাই সত্য। দেবী চৌধুরানী ভারতবর্ষের প্রথম রানী যিনি ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষন, নিপিড়ন এবং নিষ্ঠুর প্রজাপিরনের বিরুদ্ধে ফকির সন্ন্যাস এবং কৃষক বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

Address

Turag

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bohemian Faisal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bohemian Faisal:

Shortcuts

Share