05/08/2026
কে কে যেতে চাও?
"টাংগুয়ার হাওর"
বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জলমহাল সংখ্যা ৫১ টি এবং মোট আয়তন প্রায় ৬,৯১২.২০ একর তবে নলখাগড়া বিল, হিজল-করচ বনসহ বর্ষাকালে সমগ্র হাওড়টির আয়তন দাঁড়ায় প্রায় ২০,০০০ একর।
টাঙ্গুয়ার হাওর মাছ পাখি এবং উদ্ভিদের পরস্পর নির্ভরশীল এক অনন্য ইকোসিস্টেম। মাছের অভয়াশ্রম হিসেবেই এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। প্রকৃতির অকৃপণ দানে সমৃদ্ধ এই হাওড়টি মাছ প্রতিপালন সংরক্ষণ ও আহরণের স্থান তা নয় এটি একটি মাদার ফিশারি। সাথে সাথে হিজল-করচের দৃষ্টিনন্দন সারি এ হাওর কে করেছে আরও মোহনীয়। এছাড়াও নলখাগড়া, দুধিলতা, নীল শাপলা, পানিফল, শতমূলী, শীতলপাটি, স্বর্ণলতা, বন তুলসী ইত্যাদি সহ প্রায় ২০০ প্রজাতির গাছগাছালি রয়েছে এই অঞ্চলে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে এখানে বর্তমানে ছোট-বড় প্রায় ২০৮ প্রজাতির পাখি, ৩৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ৬ প্রজাতির কচ্ছপ, ৭ প্রজাতির গিরগিটি, ২১ প্রজাতির সাপ ও ১ প্রজাতির উভচর প্রাণী পাওয়া যায়। তাছাড়া নলখাগড়ার বনও বৃদ্ধি পেয়েছে বেশ কয়েক গুণ। বর্তমানে শীতকালে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ব্যাপক পাখির আগমন ও অবস্থানে মুখরিত থাকে টাংগুয়ার হাওর। এর মধ্যে উল্লেক্ষ্য হলো বিলুপ্তপ্রায় প্যালাসেস, বৃহদাকার গ্রে- কিংস্টারক, শকুন এবং আরো বিপুলসংখ্যক অতিথি পাখি। স্থানীয় বিভিন্ন জাতের পাখি যেমন পানকৌড়ি, কালেম, বৈদর, ডাহুক, নানা প্রকার বালিহাস, গাঙচিল, বক, সারস ইত্যাদি পাখির দেখা মেলে এই হাওর অঞ্চলে। সাধারণ হিসেবে এই হাওরে বিগত শীত মৌসুমগুলোর প্রতিটিতে ২০/২৫ লক্ষ পাখির বিচরণ ছিল বলে অনুমান করা হয়।
আমরা যাচ্ছি ২৭ তারিখ বৃহস্পতিবার রাতে ইনশাআল্লাহ।
ভ্রমন খরচঃ ১৬৯৯ টাকা
খাবারঃ সকাল এবং দুপুর
স্পটঃ ওয়াচ টাওয়ার, নিলাদ্রি লেক, যাদুকাটা নদী, বারিক্কা টিলা, লাকমাছড়া ঝর্ণা (সময় সুযোগ পেলে সব গুলো স্পটই ঘুরা হবে ইনশাআল্লাহ)
প্লানঃ ২৭ তারিখ বৃহস্পতিবার রাতে রওনা দিব, ২৮ তারিখ শুক্রবার সারাদিন নৌকা দিয়ে ঘুরে, ২৯ তারিখ শনিবার খুব সকালে ঢাকা থাকবো ইনশাআল্লাহ।
অলরেডি ২২ জন বুকিং করেছে! যে আগে বুক করবে সে আগে সিট পাবে!
সিট বুক করতে মেসেজ করুন 📩